শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে সক্রিয় আওয়ামী লীগ
Why this classification
The article reports one specific attack on the convoy of independent candidate Atau Rahman Khan Angur on 8 February 2026 at Satyabhandi in Dupthara union, in which several of his workers were injured. The main article is a feature on election dynamics, but this attack is a concrete, recent, physical incident, so it qualifies as violence. Who carried it out is disputed: Angur blames the BNP candidate, who denies the allegation.
Killed
0
Injured
3
Summary
নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) দুপ্তারা ইউনিয়নের সত্যভান্দি এলাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান খান আঙ্গুরের গাড়িবহরে হামলা হয়, যাতে তাঁর বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন। আঙ্গুর এই হামলার জন্য বিএনপি প্রার্থীর দিকে অভিযোগ তুললেও বিএনপি প্রার্থী অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
60% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে সক্রিয় আওয়ামী লীগ
নারায়ণগঞ্জ-২ আসন শেষ মুহূর্তে ভোটের মাঠে সক্রিয় আওয়ামী লীগ শরীফ উদ্দিন সবুজ ও সফুরউদ্দিন প্রভাত, নারায়ণগঞ্জ থেকে প্রকাশ: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ০৯:৩৫ | প্রিন্ট সংস্করণ নারায়ণগঞ্জ-২ (আড়াইহাজার) আসনে শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নেমেছেন বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদের পক্ষে। এতে পাল্টে যাচ্ছে ভোটের হিসাবনিকাশ। অন্যদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী ও জামায়াতের অভিযোগ বিএনপির প্রার্থী নানাভাবে তাদের সমর্থকদের হুমকিধমকি দিচ্ছেন। এমনকি হামলার ঘটনাও ঘটছে। বিএনপি প্রার্থীর দাবি– তাঁর ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা ভিত্তিহীন ও বানোয়াট অভিযোগ করছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৭টা পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারে সময় ছিল। তবুও সবাই শেষ প্রচার চালিয়েছেন গত সোমবার রাত পর্যন্ত। সোমবার বিকেল ৪টায় আড়াইহাজার সদরের পায়রা চত্বরে আসে এ আসনের বিএনপির তিনবারের সাবেক এমপি ও এবারের স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান খান আঙ্গুরের বিশাল মিছিল। তাঁর মার্কা কলস। মিছিলের অনেকের হাতেই দেখা যায়, কলস মার্কাটি বাধা রয়েছে একটি লাঠির আগায়। মিছিলের পেছনে সেনাবাহিনী, র্যাব ও পুলিশের প্রহরা। মিছিল দেখে অনেকেই বলাবলি করছিলেন, কৌশলে বিপুলসংখ্যক লাঠি রাখা হয়েছে। স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, গত রোববার আড়াইহাজারের দুপ্তারা ইউনিয়নের সত্যভান্দি এলাকায় আঙ্গুরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটে। এতে তাঁর বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হন। হামলার জন্য আঙ্গুর তাঁর প্রতিপক্ষ বিএনপির প্রার্থীর দিকে অভিযোগের তীর ছুড়েন। ওই ঘটনার পর সতর্কতা হিসেবে শেষ নির্বাচনী মিছিলে লাঠি রেখেছেন তাঁর সমর্থকরা। আড়াইহাজারের পায়রা চত্বর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত এলাকায়ও সব পক্ষ ব্যাপক প্রচার চালিয়েছে। শুরুতে প্রচারে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত আতাউর রহমান খান আঙ্গুর বেশ এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী-সমর্থকরা মাঠে নামার পাশাপাশি আঙ্গুর বলয়ের কিছু লোকজনও বিএনপির প্রার্থীর দিকে চলে আসায় নজরুল ইসলাম আজাদ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বলে জানালেন মেঘনা পারের দুর্গম অঞ্চল খাগকান্দা থেকে আড়াইহাজার সদরে কলা বিক্রি করতে আসা কৃষক এমরান আলী। তিনি বললেন, তাদের এলাকার আওয়ামী লীগ নেতা ‘প্রফেসর সাব’ নজরুল ইসলাম আজাদের পক্ষে কাজ করছেন। ওই নেতার নাম তিনি জানাননি। সব অঞ্চলেই বিএনপির পক্ষে আ.লীগ সমর্থকরা নির্বাচন ঘিরে ভোটের মাঠে এখন চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ আর নানা হিসাবনিকাশ। নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে ভোটের মাঠে না থাকা আওয়ামী লীগের বিপুলসংখ্যক কর্মী ও সমর্থক। চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকার জন্য কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামী লীগ। দলটির শীর্ষ নেতারাও দেশছাড়া। অনেকে রয়েছেন কারাবন্দি। এ অবস্থায় মাঠে থাকা আওয়ামী সমর্থক ভোটাররা নিজেদের নিরাপত্তা, ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক হিসাবনিকাশ এবং স্থানীয় বাস্তবতা মিলিয়ে ও টিকে থাকার জন্য আস্থার জায়গা খুঁজে ভোট দেওয়ার চিন্তা করছেন। গোপলদী পৌরসভার বিশাল এলাকায় কাজ করছেন পৌর মেয়র এম এ হালিম সিকদার এবং উপজেলা যুব ও ক্রীড়াবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল লতিফ মোল্লার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। তাদের উপস্থিতিতে ভোটের হিসাবনিকাশে বেশ প্রভাব পড়েছে। গোপালদী এলাকার হোসেন দেলোয়ার বলেন, গোপালদী পৌরসভা আওয়ামী লীগের বিশাল একটি ভোটব্যাংক রয়েছে। নজরুল ইসলাম আজাদ এই এলাকার লোকদের আশ্বস্ত করেছেন তিনি দলমত নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধান করবেন। তাঁর দ্বারা কোনো আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সমর্থক কোনো ধরনের সমস্যায় পড়বে না। যেহেতু নৌকা মার্কা নেই আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সমর্থকরা তাঁর প্রতিশ্রুতির কারণে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন। এ ব্যাপারে পৌর মেয়র হালিম সিকদারের ঘনিষ্টরা জানান, গোপালদী পৌর মেয়র হওয়ার পর থেকে তাঁকে কেউ পরাজিত করতে পারেনি। তাঁর নিজস্ব একটি বিশাল ভোটব্যাংক রয়েছে। তিনি এলাকায় অবস্থান করে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদকে সমর্থন জানিয়েছেন। একইভাবে বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছেন আড়াইহাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র হাবিবুর রহমান, মাহমুদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আমানউল্যাহ আমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মেহের আলী মোল্লা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, যুবলীগ সভাপতি আহাম্মেদুল কবির উজ্জ্বল, ব্রাহ্মন্দী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের অঞ্চলভিত্তিক অসংখ্য নেতাকর্মী। উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মেহের আলী মোল্লা জানান, এবারের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী না হলে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি এগিয়ে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের লোক হিসেবে এটা তিনি মানতে পারবেন না। বিএনপি প্রার্থী দলমত সবাইকে সঙ্গে নিয়ে আড়াইহাজারকে এগিয়ে নিতে চান। জনস্বার্থ বিবেচনা করে আজাদকে সমর্থন দেওয়া হয়েছে। খাগকান্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত দাবি করে ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা রহমান মিয়া বলেন, যে কোনো নির্বাচনে প্রয়াত এমপি সামছুল হকের পরিবারের ওই ইউনিয়নের বেশ প্রভাব রয়েছে। ওই এলাকার বাসিন্দা ও ওই পরিবারের এক সদস্য মুড়াপাড়া ডিগ্রি কলেজের সাবেক অধ্যাপক মফিজুল হক ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে বিএনপির প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করছেন। ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলামও মাঠে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন। এর ফলে ওই ইউনিয়নের বিএনপি প্রার্থীর একটি শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে। ভোটের মাঠ সম্পর্কে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, প্রাবন্ধিক ও গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন বাবুল বলেন, আওয়ামী কর্মী-সমর্থকদের অংশগ্রহণ বিশ্লেষণে মনে হচ্ছে, তাদের একটি বড় অংশই এবার বিএনপির দিকে ঝুঁকছে। এর পেছনে নানা কারণের মধ্যে এবারের ভোটের লড়াইয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী সমর্থকদের নিরাপত্তা ও মুক্তিযুদ্ধ ইস্যুটি নতুন করে সামনে এসেছে। এর পেছনে নির্বাচনী কৌশল জড়িয়ে রয়েছে। আওয়ামী লীগের সমর্থকরা শুধু বিএনপিকে সমর্থন দেবে– এ বিষয়টি মানতে নারাজ প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র ও জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী। এ আসনের জামায়াতের ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ইলিয়াস মোল্লা বলেন, আওয়ামী লীগের ভোট দাঁড়িপাল্লায় যাবে। আমরা একটি ফ্রি ফেয়ার ইলেকশন হবে বলে আশা করেছিলাম। কিন্তু প্রতিপক্ষ বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে ভোটকেন্দ্র দখল করবে, সিল মারবে, এজেন্ট থাকতে দেবে না, এমন হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা সন্ত্রাস তৈরি করে নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারে। একই ধরনের কথা বলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান আঙ্গুর। তিনি বলেন, বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে আমার লোকজনকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হামলার ঘটনাও ঘটেছে। এর পরও আমি নির্বাচিত হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারলে আমিই জয়ী হব। নিজের পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রচার সম্পর্কে বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম আজাদ বলেন, আড়াইহাজার মূলত বিএনপির ঘাঁটি। এর পরও নির্বাচনে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি যাতে জয়ী হতে না পারে, সে জন্য আওয়ামী লীগের কেউ কেউ স্বেচ্ছায় আমর পক্ষে নেমেছেন। প্রতিপক্ষের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, নির্বাচনী কাজে বাধা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট। আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এই আসনে বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির আবু হানিফ হৃদয়, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুফতি মো. হাবিবুল্লাহ, গণঅধিকার পরিষদের কামরুল মিয়া, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির হাফিজুল ইসলাম নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন। সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও ইউএনও আসাদুর রহমান জানান, আড়াইহাজারে ভোটকেন্দ্র ১১৮টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৪৪টি, ঝুঁকিপূর্ণ ৭৪টি। তিনি বলেন, কোনো প্রার্থী যদি হুমকিধমকির ব্যাপারে কোনো অভিযোগ করেন তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। - বিষয় : - আওয়ামী লীগ
