জামালপুর সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারতীয়দের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article reports a recent (10 June 2026) physical confrontation at the Bangladesh-India border involving a push attempt and chase between BSF, BGB, and local citizens, which meets the definition of violence. No political party, religious, or terrorist elements are evident, so it is classified as violence.

Reported by:Dhaka PostSamakalCorroborated · 2 sources
10/06/26•Ramrampur Border (Pillar 1082)

Killed

0

Injured

0

Summary

১০ জুন বুধবার বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তে ৬০ বছর বয়সী একজন ভারতীয় নাগরিককে পুশইনের চেষ্টা করা হয়, যার ফলে বাংলাদেশি ও ভারতীয় নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা সংঘটিত হয়। বি.এস.এফ ও বিজিবি সহ স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে, তবে কোনো আহত বা মৃতের রিপোর্ট নেই।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 2

Perpetrator side

Law Enforcement

Victim side

Locals

Other actors

লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান

Tags

Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 10/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 12/06/26open original ↗

শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরে পরিবারের কাছে

শূন্যরেখা থেকে উদ্ধার, পরে পরিবারের কাছে আড়াই মাস নিখোঁজ ছিলেন রাজশাহীর ষষ্ঠী চন্দ্র ভারত থেকে ঠেলে পাঠানো ব্যক্তির পরিচয় শনাক্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে বিজিবি। গতকাল বৃহস্পতিবার জামালপুরের বকশীগঞ্জে সমকাল সমকাল ডেস্ক প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬ | ০৯:৩৬ | আপডেট: ১২ জুন ২০২৬ | ১১:২১ | প্রিন্ট সংস্করণ ভারতের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে জামালপুরের বকশীগঞ্জে ঠেলে দেওয়া ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া গেছে। তাঁর নাম ষষ্ঠী চন্দ্র বর্মণ। বাড়ি রাজশাহীর গোদাগাড়ীর চান্দলাই গ্রামে। পরিবার বলছে, ষষ্ঠী চন্দ্র মানসিক ভারসাম্যহীন। আড়াই মাস ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। এদিকে গত বুধবার সকালে ভারতের সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে বকশীগঞ্জে ষষ্ঠী চন্দ্রকে (৫৮) ঠেলে দেওয়া (পুশইন) হয়। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁকে উদ্ধার করে বকশীগঞ্জ থানায় নিয়ে আসে। পরে বিকেলে পরিবারের লোকজনের কাছে তাঁকে তুলে দেওয়া হয়।  বকশীগঞ্জে ষষ্ঠী চন্দ্রকে ঠেলে দেওয়া পর থেকে সেখানে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এখনও সেখানকার পরিস্থিতি থমথমে। এর মধ্যেই পুশইন আতঙ্কে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও ঝিনাইদহে সতর্ক অবস্থায় আছে বিজিবি। পুশইন ঠেকাতে এলাকায় মাইকিং করছে তারা। বিজিবির সঙ্গে এলাকাবাসীও সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন।   ষষ্ঠীর চন্দ্রের ছোট ভাই ভবানী চন্দ্র বর্মণের ছেলে গোপাল চন্দ্র বর্মণ সমকালকে বলেন, তাঁর চাচা আগে কৃষি শ্রমিক ছিলেন। তবে (ষষ্ঠী) দুই বছর ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এলাকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাত পাততেন। চেয়ে খাবার নিতেন। এভাবেই তাঁর দিন কাটছিল। তবে আড়াই মাস ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অবশ্য ১৫ দিন আগে তাঁকে একবার কুড়িগ্রামে দেখা গেছে বলে খবর এসেছিল। পরে যোগাযোগ করলেও হদিস মেলেনি। গতকাল তাঁকে বকশীগঞ্জে পাওয়া যায়।  গোপাল চন্দ্র আরও বলেন, ‘আমার চাচা মানসিক ভারসাম্যহীন। তিনি কীভাবে ভারত গেলেন, বুঝতে পারছি না।’ তিনি বলেন, ‘চাচার (ষষ্ঠী) সন্ধান পাবার পর আমার বাবা (ভবানী চন্দ্র) আর উনার (ষষ্ঠী) মেয়ে জামাই গৌর বর্মণ জামালপুর গেছেন। তারা জামালপুর থেকে উনাকে নিয়ে রওনা দিয়েছেন।’  বুধবার সকালে ষষ্ঠী চন্দ্রের পুশইনের খবর পেয়ে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সদস্যরা বকশীগঞ্জে গিয়ে বিএসএফ সদস্যদের বাধা দেন। এ সময় স্থানীয়রা বিজিবির সঙ্গে যোগ দেন। তারা লাঠিসোঠা নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এক পর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সকাল ১০টার দিকে জামালপুর ৩৫ বিজিবির সহকারী পরিচালক ও ভারতের নন্দীরচর বিএসএফ ক্যাম্পের একজন পরিদর্শকের নেতৃত্বে পতাকা বৈঠক হয়। তবে সুরাহা হয়নি। এক পর্যায়ে দুই পক্ষে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। গতকাল ভোরে শূন্যরেখা থেকে ষষ্ঠীকে উদ্ধার করেন জামালপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা। পরে পুলিশ ও বিজিবি যৌথভাবে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁকে তুলে দেন।  বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন বলেন, সীমান্ত থেকে ষষ্ঠী চন্দ্রকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে বিজিবি। যাচাই-বাছাই শেষে পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর বিকেলে পরিবারের সদস্যদের কাছে তাঁকে হস্তান্তর করা হয়।  মালদার ৩ হোল্ডিং সেন্টারে দেড় শতাধিক মানুষ আমাদের কলকাতা প্রতিনিধি জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে রাজ্য সরকারের ‘ডিটেক্ট, ডিলিট অ্যান্ড ডিপোর্ট’ নীতি  অনুযায়ী রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ‘অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী’দের ধরা হচ্ছে। এর পর তাদের জেল হেফাজতে না পাঠিয়ে বিভিন্ন ‘হোল্ডিং সেন্টারে’ পাঠানো হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে এখন পর্যন্ত খোলা হয়েছে ১৩টি হোল্ডিং সেন্টার, যার মধ্যে চালু আছে ১১টি। সরকারের নির্দেশ রয়েছে, ২৩ জেলার প্রতিটিতেই খোলা হবে হোল্ডিং সেন্টার। এর মধ্যে হাকিমপুর সীমান্তের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে রয়েছে সব থেকে বেশি মানুষ। পাশাপাশি মালদাতেও খোলা তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে দেড় শতাধিক মানুষকে রাখা হয়েছে।  পশ্চিমবঙ্গের উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার বিথারী হাকিমপুর সীমান্তে, স্বরূপনগর ও তেঁতুলিয়ায় সব মিলিয়ে তিনটি হোল্ডিং সেন্টার করে প্রশাসন। এসব সেন্টারে পাঁচশর বেশি মানুষ আছেন। গতকালও ৩০ জনকে আনা হয়েছে।  মালদা জেলা পুলিশ প্রশাসন বলছে, মালদহের তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে আড়াই থেকে ৩০০ জন ‘অনুপ্রবেশকারী’কে রাখা সম্ভব হবে। মালদহে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার অনুপম সিং।  (প্রতিবেদনে তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিরা) - বিষয় : - শূন্যরেখা

Source 2: Dhaka Post · 10/06/26open original ↗

জামালপুর সীমান্তে ফের উত্তেজনা, ভারতীয়দের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার রামরামপুর সীমান্তে এক ভারতীয় নাগরিককে জোরপূর্বক পুশইনের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে ফের চরম উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বিজিবি ও বিএসএফের পাশাপাশি দুই দেশের সাধারণ নাগরিকদের মধ্যেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বাংলাদেশিদের ধাওয়ায় পিছু হঠে ভারতীয় নাগরিকরা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে বকশীগঞ্জের রামরামপুর সীমান্তের ১০৮২ নম্বর পিলারের কাছে ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবি ও স্থানীয়দের বাধার মুখে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হলে ওই ব্যক্তিকে শূন্যরেখায় ফেলে চলে যায় বিএসএফ সদস্যরা। ওই ব্যক্তি বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করলে বিজিবি ও স্থানীয়রা বাধা দেন, পরে তিনি আবার শূন্যরেখায় ফিরে যান। এ নিয়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক হলেও কোনো পক্ষই ওই ব্যক্তিকে নিতে রাজি হয়নি। এরপর থেকে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়তে থাকে। বিকেল ৫টার দিকে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়। এ সময় বাংলাদেশিদের ধাওয়ায় পিছু হঠে ভারতীয়রা। স্থানীয় এক বাংলাদেশি নাগরিক বলেন, বিএসএফ প্রতিনিয়ত পুশইনের চেষ্টা করছে। আমরা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে গেলেই তারা উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করে। বিকেলে ভারতের কয়েকজন যুবক বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়লে আমরাও পাল্টা ঢিল ছুড়ি। আমাদের প্রতিরোধের মুখে তারা পালাতে বাধ্য হয়। জামালপুর-৩৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসানুর রহমান বলেন, সীমান্তে শূন্যরেখা অতিক্রম না করতে প্রত্যেক নাগরিককে অনুরোধ করছি। তারপরও দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিজিবিকে সহযোগিতা করতে স্থানীয়দের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। আরএআর