পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য বাবাকে হত্যায় প্রবাস থেকে টাকা পাঠান ছেলে, খুনি ভাড়া করেন পুত্রবধূ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Sunamganj. Parties reported: Victim (Mohammad Ali), Perpetrators (Hosna Begum and hired killers). Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ শ্বশুর মোহাম্মদ আলীকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করিয়েছেন পুত্রবধূ ও প্রবাসী ছেলে। এ ঘটনায় পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 7
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 14/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের তথ্য বাবাকে হত্যায় প্রবাস থেকে টাকা পাঠান ছেলে, খুনি ভাড়া করেন পুত্রবধূ
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার দুজনকে থানায় আনা হয়েছে। রোববার বিকেলেছবি : প্রথম আলো সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে শ্বশুরকে হত্যার অভিযোগে পুলিশ পুত্রবধূসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ওই পুত্রবধূ হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুত্রবধূর বরাত দিয়ে থানা–পুলিশ জানায়, জমিজমা লিখে দেওয়ার জন্য বৃদ্ধ বাবাকে চাপ দিচ্ছিলেন ছেলে ও ছেলের বউ। কিন্তু বৃদ্ধ রাজি হননি। এতে ক্ষুব্ধ ছিলেন দুজন। একপর্যায়ে বাবাকে হত্যার জন্য প্রবাস থেকে টাকা পাঠান ছেলে। আর ছেলের বউ ভাড়া করেন খুনি। হত্যার পর স্বাভাবিক মৃত্যু বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের ঘটনা এটি। হত্যার শিকার ব্যক্তির নাম মোহাম্মদ আলী (৭৫)। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন হোসনা বেগম (৩৮), একই গ্রামের রুহুল আমিন (২২) ও নজরুল ইসলামক (২০)। পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা যায়, সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা মোহাম্মদ আলীর একমাত্র ছেলে ইসমাইল হোসেন সৌদি আরবে থাকেন। বাড়িতে থাকেন মোহাম্মদ আলী, ইসমাইলের স্ত্রী হোসনা বেগম ও ওই দম্পতির এক ছেলে। গতকাল শনিবার সকালে গ্রামে খবর রটে, মোহাম্মদ আলী ঘুমের মধ্যে মারা গেছেন। হোসনা বেগমই সেটি প্রচার করেন। এরপর স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে লাশ দাফনের উদ্যাগ নেন স্থানীয় লোকজন। দোয়ারাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, দুপুরে ওই গ্রামের এক ব্যক্তি থানায় এসে তাঁকে মোহাম্মদ আলীর মৃত্যুর খবর দেন এবং লাশের গলায় দাগ ও মুখে রক্ত আছে বলে জানান। এরপর তিনি ফোনে লাশ দাফন বন্ধ রাখতে বলে ওই গ্রামে যান। সেখানে গিয়ে তাঁর সন্দেহ হলে তিনি লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে পাঠান। লাশের সঙ্গে থানায় এসেছিলেন মোহাম্মদ আলীর পুত্রবধূ হোসনা বেগম। ওসি রাতে হোসনা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। একপর্যায়ে হোসনা হত্যার কথা স্বীকার করেন এবং তিনিই হত্যায় জড়িত ব্যক্তিদের ভাড়া করেন বলে জানান। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ আজ রোববার অভিযান চালিয়ে অন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় মোহাম্মদ আলীর এক নাতনি (ইসমাইলের প্রথম স্ত্রীর মেয়ে) আছমা বেগম বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। হোসনা বেগমের বরাত দিয়ে ওসি তরিকুল ইসলাম জানান, জমি লিখে না দেওয়ায় ইসমাইল ও হোসনা বেগম মোহাম্মদ আলীর ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন। এর জেরে কিছুদিন থেকে মোহাম্মদ আলী আলাদা খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ নিয়ে আরও বিরক্ত হন ইসমাইল। এরপর হোসনা তাঁর আত্মীয় রুহুলকে ডেকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। পরে রুহুল যোগাযোগ করেন ইসমাইলের সঙ্গে। ইসমাইল বাবাকে হত্যার সম্মতি দিয়ে ৫০ হাজার টাকা পাঠান। পরিকল্পনা অনুযায়ী গত শুক্রবার রাত ১২টার দিকে রুহুল আমিন, নজরুল ইসলাম ও একই গ্রামের জিয়াউর রহমান ওই বাড়িতে আসেন। তখন ঘরের দরজা খুলে দেন হোসনা বেগম। এই তিনজন হোসনার কক্ষ থেকে একটি মই দিয়ে মোহাম্মদ আলীর কক্ষে যান। তিনি তখন ঘুমে ছিলেন। তাঁরা ঘুমন্ত আকবর আলীর গলায় গামছা পেঁচিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। তখন হোসনা ওপর থেকে বাতি দেখিয়ে তাঁদের সহযোগিতা করেন। কাজ শেষে ওই তিনজন চলে যান। এরপর হোসনা ঘুমিয়ে পড়েন। সকালে ঘুম থেকে ওঠে তিনি আশপাশের লোকজনকে জানান, তাঁর শ্বশুর দরজা খুলছেন না। পরে লোকজন ঘরে ঢুকে দেখেন, বিছানায় তাঁর মরদেহ পড়ে আছে। ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার বলেন, গ্রেপ্তার হোসনা বেগমসহ তিনজন মোহাম্মদ আলীকে শ্বাসরোধে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন সিলেট বিভাগগ্রেপ্তারসুনামগঞ্জমামলাহত্যা
