চট্টগ্রামে চাঁদা দাবির জন্য নির্মাণস্থলে হামলা
Why this classification
The incident involves an extortion attack by armed men with no political party or election motive, so it does not qualify as political violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
২৬ জুলাই চট্টগ্রামের বড় দিঘিরপাড়ে ৮-১০ সশস্ত্র ব্যক্তি ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে প্রবেশ করে শ্রমিকদের মারধর, দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং ককটেল বিস্ফোরণ করে। ভিকটিম মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনের ওপর ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
94% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
চাঁদা না পেয়ে নির্মাণাধীন ভবনে হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগ
চট্টগ্রামে ২০ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে এক ব্যবসায়ীর নির্মাণাধীন ১০ তলা ভবনে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (২৬ জুলাই) সকালে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর দক্ষিণ পাহাড়তলী ওয়ার্ডের বড় দিঘিরপাড়–ভাটিয়ারী লিংক রোডসংলগ্ন আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় কিরিচের আঘাতে এক নির্মাণশ্রমিক আহত হন। নিরাপত্তাকর্মীসহ আরও কয়েকজন শ্রমিককে মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রগুলোর দাবি, ঘটনার নেপথ্যে বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সদস্যরা রয়েছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ভুক্তভোগী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন একজন ব্যবসায়ী। রোববার সকালে মুখে মাস্ক পরা ৮ থেকে ১০ জন সশস্ত্র ব্যক্তি একটি টেম্পোযোগে জসিমের নির্মাণাধীন ভবনটির সামনে যান। এসময় হামলাকারীরা ভবনে ঢুকে শ্রমিকদের মারধর করে। পরে ভবনের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। একপর্যায়ে নির্মাণশ্রমিক হাসান সাকিকে কিরিচ দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। নিরাপত্তাকর্মীসহ আরও কয়েকজন শ্রমিককেও মারধর করা হয়। হামলাকারীরা চলে যাওয়ার সময় তিনটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এলাকা ত্যাগ করে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন বলেন, গত একমাস ধরে বিদেশি নম্বর থেকে তাকে ফোন করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হচ্ছে। নগরের একটি ইন্টারনেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলার ঘটনার পর চাঁদাবাজরা কিছুদিন নীরব থাকলেও, গত এক সপ্তাহ ধরে আবার ফোন করা শুরু করে। বিষয়টি তিনি আগেই পুলিশকে জানিয়েছিলেন। রোববারের ঘটনায় তিনি থানায় মামলা করবেন বলেও জানান। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শুধু জসিম উদ্দিনের ভবন নয়, বড় দিঘিরপাড় এলাকায় নির্মাণাধীন আরও ৮ থেকে ১০টি ভবনের মালিকের কাছেও একইভাবে চাঁদা দাবি করা হয়েছে। হাটহাজারী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কাজী মো. তারেক আজিজ ঢাকা পোস্টকে বলেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দুজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ভুক্তভোগী এখনো মামলা করেননি। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ভবনের মালিক, আবাসন ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মালিকদের কাছে বিদেশি নম্বর থেকে চাঁদা দাবি করার ঘটনায় বড় সাজ্জাদ গ্রুপের সদস্যদের সক্রিয়তা বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী জানায়, চট্টগ্রামের অপরাধজগতের কুখ্যাত শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খান, যিনি বড় সাজ্জাদ নামে পরিচিত। ২০০০ সালের বহদ্দারহাটে আট ছাত্রলীগ নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের পর আলোচনায় আসেন। পরে অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার হলেও ২০০৪ সালে জামিনে মুক্তি পেয়ে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। বর্তমানে তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশ রয়েছে। পুলিশের একাধিক কর্মকর্তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করেও বড় সাজ্জাদ বিভিন্ন এনক্রিপ্টেড যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে চট্টগ্রামে তার অনুসারীদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন, আবাসন ব্যবসা ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মালিকদের লক্ষ্য করে চাঁদা দাবির অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তার বাহিনীর কয়েকজন সহযোগী গ্রেপ্তার বা নিহত হলেও, বিদেশে অবস্থানকারী মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা না যাওয়ায় নেটওয়ার্কটি পুরোপুরি ভাঙা সম্ভব হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এমআর/জেআই
