পুকুরে ভাসছিল বস্তা, খুলতেই মিলল নারীর মরদেহ
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Rangpur. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 3 sources.
Killed
1
Injured
0
Summary
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মরারপাড়া গ্রামের একটি পুকুর থেকে ২৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে নার্গিস বেগম নামের এক নারীর বস্তাবন্দী অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
93% · severity 7
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/07/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
পুকুরে ভাসছিল বস্তা, খুলতেই মিলল নারীর মরদেহ
সারাদেশ পুকুরে ভাসছিল বস্তা, খুলতেই মিলল নারীর মরদেহ × প্রতীকী ছবি রংপুর অফিস প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬ | ২২:০৬ - অ + রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলায় একটি পুকুর থেকে বস্তাবন্দী অবস্থায় এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার মরারপাড়া গ্রাম থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কুমেদপুর ইউনিয়ন ভূমি অফিসসংলগ্ন একটি জমিতে চাষাবাদের সময় স্থানীয় কয়েকজন দুর্গন্ধ পান। পরে তারা দুর্গন্ধের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুকুরপাড়ে কচুরিপানার ওপর মানুষের একটি পা দেখতে পান। কাছে গিয়ে একটি বস্তা থেকে তীব্র দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তারা পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পীরগঞ্জ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুর থেকে বস্তাটি উদ্ধার করে। পরে বস্তা খুলে এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ পাওয়া যায়। নিহত নারীর নাম নার্গিস বেগম (৩৫)। তিনি মরারপাড়া গ্রামের লতারপাড়া এলাকার বাসিন্দা রাসেল মিয়ার স্ত্রী। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, স্বামী-স্ত্রী দুজনই ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্থানীয়দের ধারণা, কয়েক দিন আগে অন্য কোথাও নার্গিস বেগমকে হত্যা করে পরিচয় গোপন করতে মরদেহটি বস্তাবন্দী করে ওই নির্জন পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। মরদেহটি অর্ধগলিত হওয়ায় ঘটনাস্থলে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা সম্ভব হয়নি। রংপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (ডি-সার্কেল) রাসেল রানা বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে বস্তাবন্দী মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন। বিষয় : রংপুর মরদেহ উদ্ধার আরও পড়ুন আম্মারসহ ছাত্রশিবির নেতাদের গ্রেপ্তার ও ছাত্রত্ব বাতিল দাবি বাড়িতে বাবার নিথর দেহ, চোখে অশ্রু নিয়েই এইচএসসি পরীক্ষার হলে আয়েশা হবিগঞ্জ ছাড়লেন নাহিদ-হাসনাতরা, জেলা ছাত্রদল সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ বগুড়ায় দেড় বছরে এইচআইভি শনাক্ত ৯৩ জনের সর্বশেষ এড়াতে চাওয়া যুদ্ধই এখন সৌদি আরবের নিয়তি জুলাইয়ে বিরোধিতা করা শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইরাকের ৭ প্রদেশে সৌদি ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলা তারেক রহমানের সফরের অপেক্ষায় ভারত: দীনেশ ত্রিবেদী আম্মারসহ ছাত্রশিবির নেতাদের গ্রেপ্তার ও ছাত্রত্ব বাতিল দাবি বাড়িতে বাবার নিথর দেহ, চোখে অশ্রু নিয়েই এইচএসসি পরীক্ষার হলে আয়েশা বাংলা কিউআরের ক্ষুদ্র মার্চেন্টের চার্জে ভর্তুকি দিতে একশ কোটি টাকার তহবিল পে-প্যাল, পেওনিয়ার, স্ট্রাইপের সেবা উন্মুক্ত করতে নীতিমালা আরও পড়ুন ×
পীরগঞ্জে প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার
রংপুরের পীরগঞ্জে ১০ বছর বয়সী এক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে নুরুল ইসলাম (৭০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে পীরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার সন্ধ্যায় শিশুটির মা কাজ শেষে বাড়িতে ফিরে মেয়েকে দেখতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির উত্তর-পশ্চিম পাশে একটি ইউক্যালিপটাস বাগানে নুরুল ইসলামকে দেখতে পান তিনি। পরে বাড়িতে ফিরে ঘরের দরজা বন্ধ দেখতে পান শিশুটির মা। দরজা খুলে শিশুটিকে কান্নারত অবস্থায় পাওয়া যায়। পরিবারের সদস্যরা শিশুটিকে জিজ্ঞাসা করলে সে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার কথা জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন নুরুল ইসলামকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পীরগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজমূল হক বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে নুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযুক্ত প্রাথমিকভাবে ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ‘বিয়ে’, পরে বেরিয়ে এল প্রকৃত ঘটনা
ধর্ষণপ্রতীকী ছবি রংপুরে বিয়ের নামে প্রতারণা করে এক কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মামলার প্রায় দুই মাস পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে ঢাকার বিমানবন্দর এলাকা থেকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে রংপুরে এনে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গত ৬ মে ওই কলেজছাত্রী বাদী হয়ে রংপুর আদালতে মামলা করেন। গ্রেপ্তার যুবকের নাম আজমাইন আবদুল্লাহ (২৬)। তিনি রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার হারাগাছ পৌরসভার বাসিন্দা। পুলিশ জানায়, আজমাইন বিবাহিত। নিজের বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখে আজমাইন ওই কলেজছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দেন। প্রথমে ওই ছাত্রী প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেও পরে ফেসবুকের মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে কথোপকথনের মাধ্যমে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। মামলার আরজির বরাত দিয়ে এ বিষয়ে জানান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারাগাছ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমীন। তিনি জানান, গত বছরের ২ ডিসেম্বর বিয়ের কথা বলে ওই কলেজছাত্রীকে রংপুর আদালত এলাকার পাশে একটি লেকের পাড়ে নিয়ে যান আজমাইন। সেখানে দুজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে একটি স্ট্যাম্পে ওই তরুণীর স্বাক্ষর নেওয়ার পর তাঁদের বিয়ে হয়েছে বলে তাঁকে জানান। পরে হারাগাছের ধুমগড়া এলাকায় এক ব্যক্তির বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তাঁকে স্ত্রী পরিচয় দিয়ে তাঁর সঙ্গে রাত কাটান। এরপর বিভিন্ন সময় আলাদা আলাদা স্থানে নিয়ে গিয়ে স্ত্রী পরিচয়ে একাধিকবার ওই তরুণীর সঙ্গে আজমাইন শারীরিক সম্পর্কে জড়ান বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। পরে ওই কলেজছাত্রী বিয়ের কাবিননামার কাগজ দেখতে চাইলে আজমাইন বিভিন্নভাবে বিষয়টি এড়িয়ে যান। প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে গত ২৪ এপ্রিল সাক্ষীদের নিয়ে আজমাইনের বাড়িতে যান ওই ছাত্রী। তখন আজমাইন তাঁকে জানান, তিনি বিবাহিত, তাঁর স্ত্রী আছে। তিনি ওই তরুণীকে বিয়ে করতে পারবেন না। এ ঘটনায় প্রতিবাদ করলে তিনি তাঁকে (তরুণীকে) টাকার বিনিময়ে বিষয়টি কাউকে না জানানোর প্রস্তাব দেন এবং তাঁকে বিরক্ত করলে গোপন ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। আদালতের নির্দেশে ১২ মে আজমাইনের বিরুদ্ধে হারাগাছ থানায় ধর্ষণের মামলা হয় বলে জানান হারাগাছ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অশোক চৌহান। তিনি বলেন, মামলার পর আজমাইন আত্মগোপনে চলে যান। প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায় পুলিশ। গতকাল র্যাব-১-এর সহায়তায় ঢাকা বিমানবন্দর এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে হারাগাছ থানায় আনা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে তাঁকে রংপুর আদালতে পাঠানো হয়। আদালতের নির্দেশে বিকেলে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন পুলিশশিক্ষার্থীরংপুরগ্রেপ্তাররংপুর বিভাগধর্ষণ
