সংঘর্ষের জেরে শতাধিক ব্যবসায়ীর দোকান দুই মাস বন্ধ
Why this classification
The article reports a recent beating of a van puller from Kharadia village by followers of an Awami League-linked figure, who also threatened others from the village. The main February 14 clash is older than 14 days, so it was not counted as a separate event, but the recent beating is a concrete physical attack.
Killed
0
Injured
0
Summary
ফরিদপুরের ময়েনদিয়া বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নানের ভাই সিদ্দিক মাতুব্বরের লোকজন কয়েকদিন আগে খারদিয়া গ্রামের ভ্যানচালক ছায়েদুল মুন্সীকে মারধর করে এবং খারদিয়ার লোকজনকে বাজারে না আসার হুমকি দেয়। ১৪ ফেব্রুয়ারির সংঘর্ষের জেরে দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে শতাধিক ব্যবসায়ী নিজেদের দোকানে যেতে পারছেন না।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
75% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Awami League
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সংঘর্ষের জেরে শতাধিক ব্যবসায়ীর দোকান দুই মাস বন্ধ
সংঘর্ষের জেরে শতাধিক ব্যবসায়ীর দোকান দুই মাস বন্ধ দোকান খুলতে না পারায় মালপত্র নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন ময়েনদিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা সমকাল ফরিদপুর অফিস প্রকাশ: ১০ এপ্রিল ২০২৬ | ০৯:০৩ | প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরের সালথা ও বোয়ালমারী উপজেলার সীমান্তবর্তী ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও হুমকির মুখে শতাধিক ব্যবসায়ী তাদের দোকানে যেতে পারছেন না। টানা দুই মাস দোকান খুলতে না পারায় বিপুল মালপত্র নষ্ট হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছেন ব্যবসায়ীরা। ময়েনদিয়া বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সালথা ও বোয়ালমারীর সবচেয়ে বড় হাট ময়েনদিয়া বাজার। এ বাজারে অন্তত এক হাজার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাজারটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বোয়ালমারীর পরমেশ্বরদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল মান্নানের সঙ্গে সালথার যদুনন্দী ইউনিয়নের খারদিয়া গ্রামের বিএনপি সমর্থক টুলু মিয়া ও জিহাদ মিয়া পক্ষের বিরোধ চলে আসছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ময়েনদিয়া বাজার নিয়ন্ত্রণ করতেন মান্নান চেয়ারম্যান। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরদিন চেয়ারম্যানের বাড়ি পুড়িয়ে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। একপর্যায় মান্নান চেয়ারম্যান ও তাঁর নেতাকর্মীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে ময়েনদিয়া বাজারের নিয়ন্ত্রণে নেন টুলু ও জিহাদ মিয়া। তবে ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির এক নেতার সহযোগিতায় এলাকায় ফিরে আসেন মান্নান চেয়ারম্যান। এরপর মান্নান ও তাঁর সমর্থকরা ময়েনদিয়া বাজার দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা জানান, সংঘর্ষের ঘটনার পর থেকে সালথার খারদিয়া গ্রামের শতাধিক ব্যবসায়ী ময়েনদিয়া বাজারে থাকা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না। দোকান বন্ধ রাখায় তাদের বিপুল মালপত্র নষ্ট হয়েছে। আরও কোটি টাকার পণ্য নষ্ট হওয়ার পথে। খারদিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও ময়েনদিয়া বাজারের মিনহাজ ট্রেডার্সের মালিক মো. ফায়েক বলেন, তিনি দুই মাস ধরে ময়েনদিয়া বাজারে তাঁর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না। এতে দোকানে থাকা বিপুল সিমেন্ট নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তাঁর মতো শতাধিক ব্যবসায়ী মান্নান ও তাঁর ভাই সিদ্দিক মাতুব্বরের সমর্থকদের ভয়ে বাজারে থাকা তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারছেন না। স্থানীয় কাপড় ব্যবসায়ী আকরাম শিকদার বলেন, সংঘর্ষ হয়েছে দুটি পক্ষের মধ্যে, কিন্তু আমাদের ব্যবসায়ীদের কি দোষ? আমাদের দোকান কেন খুলতে দিচ্ছে না। খারদিয়া গ্রামের কোনো ব্যবসায়ী বাজারে গেলেও তাঁকে মারধর করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে না পারায় তাদের অনেক ক্ষতি হচ্ছে। পরিবার দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। বিষয়টি তারা প্রশাসনকে জানালেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। খারদিয়া গ্রামের ভ্যানচালক ছায়েদুল মুন্সী বলেন, কয়েকদিন আগে আমি ভাড়া নিয়ে ময়েনদিয়া বাজারে গেলে মান্নান চেয়ারম্যানের ভাই সিদ্দিক ও তাঁর লোকজন আমাকে মারধর করে বলে, ‘তোরা খারদিয়া গ্রামের কোনো লোকজন ময়েনদিয়া বাজারে আর আসবি না।’ ময়েনদিয়া বাজারের ইজারাদার টুলু মিয়া বলেন, তাঁর বাড়ি খারদিয়া হওয়ায় সংঘর্ষের পর থেকে বাজার থেকে ইজারার টাকা তুলতে দিচ্ছেন না মান্নান চেয়ারম্যানের সমর্থকরা। তাঁর লোকজন বাজারে গেলেই তাদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বাজার থেকে বের করে দেয়। অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান জেলে থাকায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি । তাঁর ভাই সিদ্দিক মাতুব্বরের ছেলে মো. শাহিন মিয়া বলেন, তাদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। তিনি দাবি করেন, বাজারে এখনও স্বাভাবিকভাবে ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে এবং অধিকাংশ ব্যবসায়ী নির্ভয়ে দোকান খুলছেন। তাদের প্রতিপক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পুলিশ সুপার মো. নজরুল ইসলাম বলেন, গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ময়েনদিয়া ও খারদিয়াবাসীর মধ্যে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয়। এ মামলায় বেশ কিছু আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনকে ধরতে তৎপরতা চলছে। সাধারণ মানুষ ও নিরপরাধ ব্যবসায়ীরা যাতে বাজার এলাকায় নির্বিঘ্নে তাদের কাজ করতে পারে, তার নিশ্চয়তা দিতে পুলিশ বদ্ধপরিকর। বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে নজরে রেখেছে জেলা পুলিশ বিভাগ। - বিষয় : - সংঘর্ষ
