যৌতুক না পেয়ে ‘পরকীয়া’ নাটকে স্ত্রী নির্যাতন
Why this classification
This is a single, specific incident in which a woman was severely beaten by her husband, his relatives and a friend on the night of Thursday 23 April 2026, leaving her seriously injured. It falls within the 14-day window and is reported as a physical attack, so it counts as violence even though the husband denies the dowry motive.
Killed
0
Injured
1
Summary
মাগুরার মহম্মদপুরে যৌতুকের টাকা না পেয়ে স্বামী হাবিবুর রহমান ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পরকীয়ার নাটক সাজিয়ে গৃহবধূ সুমি খাতুনকে নির্মমভাবে নির্যাতন করেন, যাতে তিনি গুরুতর আহত হন। ঘটনাটি গত ২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে ঘটে এবং অভিযুক্ত স্বামী যৌতুকের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
যৌতুক না পেয়ে ‘পরকীয়া’ নাটকে স্ত্রী নির্যাতন
মহম্মদপুরে স্বামীর কাণ্ড যৌতুক না পেয়ে ‘পরকীয়া’ নাটকে স্ত্রী নির্যাতন Advertisement মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মাগুরার মহম্মদপুরে যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় পরকীয়ার নাটক সাজিয়ে সুমি খাতুন (২০) নামে এক গৃহবধূকে নির্মম নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ঘটনাটি গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর গ্রামে ঘটে। সুমি খাতুন ওই গ্রামের ফারুক মৃধার মেয়ে। ভুক্তভোগীর মা ও দাদি জানান, প্রায় পাঁচ বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের জেরে সুমি খাতুন একই গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে হাবিবুর রহমানকে বিয়ে করেন। হাবিবুর পেশায় একজন টাইলস মিস্ত্রি। বিয়ের পর দীর্ঘ সময় তাদের সংসার স্বাভাবিকভাবে চললেও সম্প্র্রতি যৌতুকের দাবিতে শুরু হয় নির্যাতন। তাদের আড়াই বছর বয়সি একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, প্রায় তিন মাস আগে হাবিবুর মালয়েশিয়া যাওয়ার কথা বলে স্ত্রীর কাছে বাবার বাড়ি থেকে দুই লাখ টাকা আনতে চাপ দেন। এই টাকা না আনতে পারায় সুমির ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বাড়তে থাকে। অভিযোগে আরও জানা যায়, ঘটনার রাতে পরিকল্পিতভাবে হাবিবুর তার বন্ধু নুর আলীকে সুমির ঘরে ঢুকিয়ে বাইরে থেকে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে পরকীয়ায় হাতেনাতে ধরার নাটক সাজিয়ে সুমির ওপর ব্যাপক নির্যাতন চালানো হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি জানতে পেরে স্বজনরা সুমিকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে পরে মহম্মদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। ভুক্তভোগীর স্বজনরা দাবি করেন, যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুমির স্বামী হাবিবুর রহমান বলেন, আমি আমার স্ত্রীকে পরকীয়ার সময় হাতেনাতে ধরেছি। তাই তাকে মারধর করেছি। যৌতুকের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।
