হলের আসন দখল নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
Why this classification
This incident was classified as political violence in Noakhali. Parties reported: BNP, Chhatra Dal. Reported casualties: 0 killed and 10 injured. Reported by 5 sources.
Killed
0
Injured
10
Summary
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে হলের আসন দখল নিয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
98% · severity 5
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 10
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 18/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (5 sources)
নোবিপ্রবিতে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৯
সারাদেশ নোবিপ্রবিতে সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৯ × ছবি- সমকাল নোয়াখালী প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬ | ০৪:৩৪ - অ + নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) হলের সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই সাংবাদিকসহ অন্তত নয়জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এক বহিরাগতকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। সংঘর্ষের পর নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাত থেকে মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হল, ভাষা শহীদ আবদুস সালাম হল, পকেট গেট ও কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় দফায় দফায় এ সংঘর্ষ হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আবদুল মালেক উকিল হলের একটি কক্ষের সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের সিনিয়র ও জুনিয়র কর্মীদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের অনুসারীদের সঙ্গে সিনিয়র সহসভাপতি সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের বিরোধে রূপ নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় বহিরাগতরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। আবদুস সালাম ও আবদুল মালেক উকিল হলের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরে সালাম হল প্রাঙ্গণ থেকে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকপন্থীরা সাব্বির হোসেন শান্তর অনুসারীদের ধাওয়া দেন। সেখানে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে কয়েকজন আহত হন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক শিক্ষার্থী জানান, মঙ্গলবার দুপুরের দিকে আবারও ক্যাম্পাসে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে লাঠিসোঁটা নিয়ে কয়েকজন বহিরাগত সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহতদের মধ্যে ১৫তম ব্যাচের শামিম হোসেন, জাহিদুল ইসলাম হাসান, ১৭তম ব্যাচের সোহাগ চাকমা, মাহমুদুল হাসান অন্তর, কাইফ হাসান, ১৮তম ব্যাচের জহির হোসেন, আনিছুর রহমান সিফাত ও ১৯তম ব্যাচের সামিউল ইসলাম রয়েছে। আহতদের মধ্যে একজনকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রাজিব আহমেদ চৌধুরী বলেন, ক্যাম্পাসে মারামারির ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী ও একজন বহিরাগত হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এসে চিকিৎসা নিয়েছেন। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় মঙ্গলবার বিকেলে নোবিপ্রবি ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এবিএস রাসেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ দপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনকে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান এবং সদস্যসচিব বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ এফ এম আরিফুর রহমান। কমিটিকে ১৭ আগস্ট রাত ও ১৮ আগস্ট সংঘটিত ঘটনাগুলো তদন্ত করে তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে। নোবিপ্রবির উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, হলের সিট পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লিয়াকত আকবর বলেন, ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন। এতে ৮-১০ জন আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশের একটি দল ক্যাম্পাসে মোতায়েন রয়েছে। বিষয় : নোবিপ্রবি সংঘর্ষ আহত আরও পড়ুন ১০ মাস ধরে শহীদ বেদিতে চলছে পাঠদান ঘরে ঢুকে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ অনৈতিক সুবিধায় ‘ভৌতিক’ চালকলে সরকারি বরাদ্দ বৃষ্টিতে ভিজে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান পুলিশের সর্বশেষ ১০ মাস ধরে শহীদ বেদিতে চলছে পাঠদান ঘরে ঢুকে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণ অনৈতিক সুবিধায় ‘ভৌতিক’ চালকলে সরকারি বরাদ্দ বৃষ্টিতে ভিজে বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাষ্ট্রীয় সম্মান পুলিশের এ-চালানে সরকারি কোষাগারে ভূমি নিবন্ধনের টাকা এমপি ফখর উদ্দিনের বিরুদ্ধে জমি দখলচেষ্টার অভিযোগ ২৩৫ কোটি টাকার ইনস্টিটিউট, প্রশিক্ষণ পাননি একজনও নাশকতার চেষ্টায় ৬ কিশোর গ্রেপ্তার আরও পড়ুন ×
নোবিপ্রবিতে সাংবাদিক হেনস্তার প্রতিবাদ, স্মারকলিপি পেশ
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কর্মরত সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও হেনস্তার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত বিচারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে নোবিপ্রবিতে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনের পর জড়িতদের বিচারের দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য বরাবর স্মারকলিপি জমা দেন তাঁরা। এশিয়া পোস্টের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি তৌফিক আল মাহমুদের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে ক্যাম্পাসে কর্মরত বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকেরা অংশগ্রহণ করেন। মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি সাদমান রাকিন, মানবজমিনের প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসানের ওপর ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের হামলার ঘটনায় প্রতিবাদ জানানো হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার জন্য দাবি জানান ক্যাম্পাস সাংবাদিকেরা। এ সময় বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা এবং সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন। মানববন্ধন শেষে ক্যাম্পাসে কর্মরত ৩৩ জন ক্যাম্পাস সাংবাদিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর কাছে স্মারকলিপি জমা দেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আমার দেশের প্রতিনিধি ও সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকাল ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরির পেছনে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবং ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব উভয় পক্ষই যদি সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করত, তাহলে পরিস্থিতি এতটা দূর গড়াত না বলে আমরা মনে করি। এ ক্ষেত্রে এটি তাদের সাংগঠনিক ও দলীয় ব্যর্থতা। গতকাল যখনই বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে, তখনই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ ছিল। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি, সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনাটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে, ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং হামলার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের কালের কণ্ঠের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাদমান রাকিন বলেন, ‘ক্যাম্পাসে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে, বিশেষ করে সংবাদ সংগ্রহ ও ভিডিও ধারণের সময় সাংবাদিকদের ওপর যে ধরনের হামলা ও আক্রমণের ঘটনা ঘটছে, তা আমাদের জন্য অত্যন্ত কষ্টদায়ক ও উদ্বেগজনক। ১৭ বছর ধরে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রলীগের যে স্বৈরাচারী ভূমিকা আমরা দেখেছি, এখন যদি একই ধরনের ভূমিকা ছাত্রদলের কাছে চলে যায়, তাহলে বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। কারণ জুলাই আন্দোলনে আমরা সবাই একসঙ্গে কাজ করেছি। আমি প্রশাসনের কাছে উদাত্ত আহ্বান জানাব, তারা যেন ঘটনাগুলো সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে। অন্যথায় প্রশাসন যদি ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে ক্যাম্পাসগুলোতে আবারও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হওয়ার এবং অতীতের মতো স্বৈরাচারী পরিস্থিতি ফিরে আসার আশঙ্কা রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের কাছে এ ঘটনায় যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ রয়েছে এবং আমরা সেগুলো প্রশাসনের কাছে তুলে ধরেছি। পাশাপাশি বিষয়টি গণমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে। তাই এসব তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যথাযথ ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।’মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্তা বাজারের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সাবেক সহ-সভাপতি ফাহাদ হোসেন, নয়া দিগন্তের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি সাজিদ খান, ভোরের বাণীর প্রতিনিধি ও প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি নাঈমুর রহমান, চ্যানেল ২৪ এর প্রতিনিধি কাউসার আহমেদ, মুক্ত কলমের প্রতিনিধি ও নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সদস্য ফাইজা আফরোজ প্রমি।
নতুন কমিটি ঘিরে নোয়াখালীতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১৫
নোয়াখালী সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নে ছাত্রদলের কমিটিকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৯ আগস্ট) আনুমানিক বিকাল ৪টা থেকে রাত ৭টা পর্যন্ত থেমে থেমে অশ্বদিয়া ইউনিয়নের দিদিমণি বাজার থেকে ইউনিয়ন পরিষদের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্র ও দলীয় নেতাকর্মীরা জানান, গত মঙ্গলবার অশ্বদিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে সদর উপজেলা ছাত্রদল। এতে ইয়াছিন আলমকে আহ্বায়ক এবং আব্দুল্লাহ আল বিন মাহিদকে সদস্যসচিব করা হয়। নতুন এ কমিটি ঘোষণার পর পদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন সাগর ও তার অনুসারীরা। তারা কমিটি বাতিলের দাবিতে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে নবগঠিত কমিটির উদ্যোগে একটি আনন্দ মিছিলের আয়োজন করা হয়। মিছিলটি ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় পৌঁছালে দুই পক্ষের মধ্যে প্রথমে বাগবিতণ্ডা এবং পরে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের নোয়াখালী শহরের বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নবগঠিত কমিটির আহ্বায়ক ইয়াছিন আলম, সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল বিন মাহিদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুমুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, শান্তিপূর্ণ আনন্দ মিছিল বানচাল করতে পদবঞ্চিত একটি পক্ষ বহিরাগতদের নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এতে তাদের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন। তিনি বলেন, যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে পছন্দের লোকদের দিয়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে তারা বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছিলেন। তাদের ওপরই আগে হামলা চালানো হয়েছে। সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক করিম উদ্দিন বলেন, কমিটি গঠনে কোনো অনিয়ম হয়নি। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। নতুন কমিটির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনাই সংঘর্ষের সূত্রপাত। সংঘর্ষের কারণে কিছু সময়ের জন্য সোনাপুর-কবিরহাট ও কোম্পানীগঞ্জগামী সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে গোয়েন্দা পুলিশ ও সুধারাম থানা পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহল জোরদার করা হয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। আরকে
নোবিপ্রবিতে দিনভর ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৯
নোবিপ্রবিতে দিনভর ছাত্রদলের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত ৯ Advertisement নোবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় সংঘর্ষ হয়। ছবি: সংগৃহীত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) দিনভর ছাত্রদলের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ এবং পালটাপালটি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার মধ্যরাতে শুরু হওয়া মারামারির ঘটনাকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসের কয়েকটি জায়গায় সংঘর্ষ হয়। এতে সাংবাদিকসহ ৯ শিক্ষার্থী আহত হন এবং একজন বহিরাগতকে ধরে পুলিশে দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দিনভর সংঘর্ষের পর মঙ্গলবার নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় দপ্তর। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ২টার দিকে ক্যাম্পাসে হঠাৎ ছাত্রদলের এক গ্রুপের আক্রমণে উত্তেজনা তৈরি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ সময় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে দুই পক্ষের মধ্যে পালটাপালটি ধাওয়া হয়। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাঠিসোঁটা হাতে বেশ কয়েকজন বহিরাগতকে সংঘর্ষে অংশ নিতে দেখা যায়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়। প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতেও কিছু সময় সংঘর্ষ চলতে থাকে। আহত শিক্ষার্থীরা হলেন শামীম হোসেন, সোহাগ চাকমা, মাহমুদুল হাসান অন্তর, কাইফ হাসান ও জহির হোসেন। এছাড়াও দায়িত্ব পালন করার সময় এক সাংবাদিক আহত হন। উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, ক্যাম্পাসের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে এবং দ্রুত ব্যবস্থা নিতে তিনি নিজে সরাসরি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তার দাবি, এ মুহূর্তে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রয়োজন নেই। সংঘর্ষে জড়িতদের চিহ্নিত করে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক এর আগে সোমবার রাতে দুই সাংবাদিককে হেনস্তা করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। এমনকি তাদের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ফুটেজ মুছে দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল মালেক উকিল হলে এ ঘটনা ঘটে। হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক হলেন মানবজমিনের নোবিপ্রবি প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম এবং প্রতিদিনের সংবাদের মেহেদী হাসান। জানা যায়, ওই হলের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ এবং সিনিয়র সহসভাপতি গ্রুপের মধ্যে ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সাংবাদিকরা। সাংবাদিক মাহি বলেন, ভিডিও করছিলাম। তখন রোম্মান, আতিক, তানভীর ও ফয়সাল আমাকে ঘিরে ধরে মারধর করে ও ফোন কেড়ে নেয়।’ সাংবাদিক মেহেদি হাসান বলেন, ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলকর্মী ফাইসাল ফোন কেড়ে নেন। নোবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির সভাপতি নাহিদুল ইসলাম বলেন, তারা সাংবাদিকদের ভয় দেখাতে চায়। প্রশাসনকে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিতে হবে। নোবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন বলেন, ঘটনা তিনি জানেন না। প্রক্টর অধ্যাপক এএফএম আরিফুর রহমান বলেন, সাংবাদিক হেনস্তার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
হলের আসন দখল নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষে মারামারি। আজ দুপুরে ক্যাম্পাসেছবি: প্রথম আলো। ছাত্রদের আবাসিক হলের আসন দখল নিয়ে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই পক্ষের দুই দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হল ও আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্যাম্পাসের একাধিক জায়গায় এ সংঘর্ষ হয়। আহত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তাঁরা হলেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের শামিম হোসেন (২৪), ব্যবসা প্রশাসনের কায়েস হোসেন (২২), পরিসংখ্যান বিভাগের আনিছুর সিফাত (২২)। তাঁদের প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দলীয় কর্মী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের কমিটি নিয়ে ক্যাম্পাসে সদ্য বিলুপ্ত হওয়া ছাত্রদলের কমিটির সভাপতি জাহিদ হাসান ও সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেনের সঙ্গে কমিটির সহসভাপতি সাব্বির হোসেনের বিরোধ রয়েছে। এ নিয়ে এ দুই পক্ষের একাধিকবার বিতণ্ডাও হয়েছে। সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হলের ৪১৩ নম্বর কক্ষের একটি আসন খালি হয়েছে। এ আসন কোন পক্ষ দখলে নেবে, তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে বিরোধ দেখা দেয়। এ আসন দখলের বিরোধের জেরে গতকাল রাতে হলের ভেতর ও ছাদে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ হয়। ওই ঘটনার জের ধরে আজ সকাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছিল। একপর্যায়ে দুপুরে দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, সংঘর্ষের সময় ১৫ থেকে ২০ জনের একদল বহিরাগত তরুণ ও যুবক লাঠিসোঁটা নিয়ে ক্যাম্পাসে ঢোকে। এ সময় তাঁরা ভাষাশহীদ সালাম হল, আবদুল মালেক উকিল হল, গোলচত্বর ও অডিটোরিয়াম ভবনের সামনে কয়েকজনকে ধাওয়া ও মারধর করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে উপাচার্য অধ্যাপক গোলাম রাব্বানি, প্রক্টর এফ এম আরিফুর রহমানসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। এ ঘটনায় বহিরাগত দুজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তাঁরা কোন পক্ষের, তা জানা যায়নি। এদিকে রাতে মারামারির ভিডিও ধারণ করার সময় দৈনিক মানবজমিনের প্রতিনিধি মাহী ছিদ্দীকী সিয়াম ও প্রতিদিনের সংবাদের প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রদলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। একই সঙ্গে কয়েকজনের মুঠোফোন কেড়ে নিয়ে ভিডিও ফুটেজ ডিলিট করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে সদ্য বিলুপ্ত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হাসিবুল হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘একটি অরাজনৈতিক ঘটনা নিয়ে ছাত্রদলের সহসভাপতি সাব্বির রহমান ও আনিসুর সিফাতের নেতৃত্বে একদল বহিরাগত আজ দুপুরে ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। পরে ছাত্রদলের নেতা–কর্মীরা তাদের ধাওয়া করে বের করেছে। এ সময় কয়েকজনকে ধরে প্রশাসনের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। হামলায় ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা–কর্মী আহত হয়েছেন।’ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সহসভাপতি (সদ্য বিলুপ্ত) সাব্বির হোসেন বলেন, ‘গতকাল রাতে হলের একটি কক্ষের আসনে ছাত্রদল সভাপতি ও সম্পাদকের অনুসারীরা একজনকে ওঠানোর জন্য নিয়ে আসেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে তাঁর অনুসারী তিনজনকে মারধর করা হয়। আজ আবার তাঁর অনুসারীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে।’ নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দুই পক্ষে মারামারির ঘটনায় ১০ জন আহত হন। আজ দুপুরে ক্যাম্পাসেছবি: প্রথম আলো। কক্ষ ভাঙচুর, তদন্তে কমিটি এদিকে সংঘর্ষের এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল মালেক উকিল হলের দুটি কক্ষে ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আজ বিকেলে এ কমিটি করা হয়। জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর এফ এম আরিফুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘ছাত্রহলের সামান্য একটি বিষয় নিয়ে ছাত্রদের দুই পক্ষ বিরোধে জড়িয়ে পড়েছে। খবর পেয়ে উপাচার্যসহ আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি। এ ঘটনায় দুই পক্ষের কয়েকজন আহত হয়েছেন। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পেলে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’ কমিটি বিলুপ্ত এদিকে সংঘর্ষের পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। আজ বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংগঠনটি। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম এ বিজ্ঞপ্তিতে সই করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন বিলুপ্তের এ সিদ্ধান্তের অনুমোদন দিয়েছেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন ছাত্রদলঅপরাধসংঘর্ষশিক্ষাপ্রতিষ্ঠাননোয়াখালীচট্টগ্রাম বিভাগ
