ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে মায়ের মৃত্যু

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

This is a specific, recent incident in which BNP and Chhatra Dal activists beat a Chhatra League worker and his friend, and a woman who shielded her son was beaten to death. Since it involves a concrete physical attack with a death, it is a valid violence incident and not a reaction or statement piece.

Reported by:JugantorSamakalDhaka PostCorroborated · 3 sources
16/05/26•টাইপালং এলাকা, রাজাপালং ইউনিয়ন

Killed

1

Injured

2

Summary

কক্সবাজারের উখিয়ায় ১৬ মে ২০২৬ (শনিবার) রাতে ফেসবুকের একটি রিঅ্যাকশনকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মারধরে ছৈয়দা বেগম নামের এক নারী নিহত হন। ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হন তাঁর ছেলে ইমরান এবং গুরুতর আহত হন ছাত্রলীগ কর্মী ইউনুস, পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে হেফাজতে নিয়েছে।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 8

Perpetrator side

BNP

Victim side

Awami LeagueLocals

Other actors

হাসেম সিকদার জিসান (ছাত্রদল নেতা, উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী)মিজান সিকদার (উখিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য)সাইফুল ইসলাম সিকদার (দক্ষিণ রাজাপালং শ্রমিক দলের সভাপতি)জুলফিকার রহমান আকাশ (ছাত্রদল নেতা)শামসুল আলম (অ্যাম্বুলেন্স শামসু, বিএনপি নেতা)আবদুল করিমছৈয়দ বাবুলমাহবুবুর রহমানছালাম সিকদারছৈয়দা বেগম (নিহত নারী)ইউনুস (ছাত্রলীগ কর্মী, আহত)এসএম ইমরান (নিহতের ছেলে, এনজিওকর্মী, আহত)মুজিবুর রহমান (উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)

Tags

Party ClashMurder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Awami League, Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 16/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (3 sources)

Source 1: Samakal · 17/05/26open original ↗

পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে মারধর, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়ের

পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট নিয়ে মারধর, ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল মায়ের ছবি: সংগৃহীত কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৭ মে ২০২৬ | ১২:৩১ | আপডেট: ১৭ মে ২০২৬ | ১৭:০২ কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ফেসবুক পোস্টে ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও মারধরের ঘটনায় ছৈয়দা বেগম (৪৫) নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার রাত আটটার দিকে উপজেলার টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছৈয়দা বেগম রাজাপালং ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং স্থানীয় বাসিন্দা ছব্বির আহমদের স্ত্রী। নিহতের পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, শনিবার রাতে স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেন। পরে বিষয়টিকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা-কর্মী ইউনুসকে আটক করে মারধর শুরু করেন। এ সময় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান তাকে রক্ষার চেষ্টা করলে তাকেও মারধর করা হয়। পরে খবর পেয়ে ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম ছেলেকে বাঁচাতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে তাকেও মারধর করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়লে স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। হাসপাতালে নিহতের সন্তান এসএম ইমরান অভিযোগ করেন, স্থানীয় মিজান সিকদার, আব্দুল করিম, আকাশ, সাইফুল সিকদার, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান, জিসান ও অ্যাম্বুলেন্সচালক শামসুল আলমসহ একদল যুবক হামলা চালিয়ে তার মাকে হত্যা করেছে। হামলাকারীরা সবাই স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এদিকে ঘটনার পরপরই বিএনপি নেতা মিজান সিকদার ও তার ছেলে জিসান সিকদার এই হামলার ঘটনায় তারা জড়িত নয় বলে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন। তাদের দাবি, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা ইউনুসকে নিজেদের হেফাজতে নেয়। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এ এন এম সাজেদুর রহমান জানান, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দেয়াললিখন নিয়ে আকাশ নামের স্থানীয় বিএনপি সমর্থক এক যুবক ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। ওই পোস্টে স্থানীয় এক যুবক হা হা রিঅ্যাক্ট দেন। আকাশ ওই যুবকের কাছ থেকে এ ধরনের রিঅ্যাক্টের কারণ জানতে চান। জবাবে তিনি দাবি করেন, ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি তার স্ত্রী ব্যবহার করেন। এসপি আরও বলেন, এই ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির সময় সৈয়দা খাতুন আহত হন। হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ এই ঘটনায় একজনকে হেফাজতে নিয়েছে। বর্তমানে এলাকায় পুলিশের টহল বাড়ানো হয়েছে। নিহত ব্যক্তির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানান উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান। তিনি বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পুলিশ ঘটনা তদন্তের পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনতে কাজ করছে। উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, ‘রাতে উখিয়াতে হামলার ঘটনাই ঘটেনি। ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীর বাড়ি অনেক দূরে। ঘরেই অসুস্থ হয়ে ওই নারীর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। পুলিশের তদন্তে হত্যার ঘটনা প্রমাণিত হলে এবং সে ঘটনায় বিএনপিরও কেউ জড়িত প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ - বিষয় : - কক্সবাজার - মারধর - নারীর মৃত্যু

Source 2: Dhaka Post · 17/05/26open original ↗

বিএনপি সমর্থকের পোস্টে ‘হা-হা’ রিয়েক্ট, হামলায় এক নারীর মৃত্যু

কক্সবাজারের উখিয়ায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক বিএনপি সমর্থকের পোস্টের হা-হা রিয়েক্টকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় এক নারী নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৬ মে) রাত ৮টার দিকে উপজেলা সদরের টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত সৈয়দা খাতুন (৫০) ওই এলাকার বাসিন্দা সব্বির আহমেদের স্ত্রী। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এ.এন.এম সাজেদুর রহমান জানান, এলাকার একটি মাদরাসায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন নিয়ে স্থানীয় বিএনপি সমর্থক আকাশ ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টে হা-হা রিয়েক্ট দেন স্থানীয় এক যুবক, আকাশ কারণ জানতে চাইলে সে যুবক দাবি করেন, তিনি নয় তার স্ত্রী ফেসবুক একাউন্টটি ব্যবহার করেন। এসপি আরও বলেন, এ ঘটনার জেরে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটলে ওই যুবকের দুঃসম্পর্কের খালা সৈয়দা খাতুন আহত হন। একই সময়ে সে যুবককে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং হাসপাতালে সৈয়দা খাতুনকে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, পুলিশ হেফাজতে থাকা সেই যুবকের নাম মোহাম্মদ ইউনুস এবং নিহত সৈয়দা খাতুনের ছেলে আব্দুর রহমান প্রকাশ ইমরান তার বাল্যবন্ধু। নিহতের পুত্র ইমরান বলেন, আমি আর আমার বন্ধু ইউনুস স্টেশনের একটি দোকানে বসে ছিলাম। অতর্কিত অবস্থায় স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিম ও তার ছেলে আকাশ, বিএনপি নেতা মিজান সিকদার ও তার ছেলে জিসান সিকদার, শ্রমিকদল নেতা সাইফুল সিকদারসহ ১০/১২ জন আমাদের মারধর করে। একপর্যায়ে আমার মা ছুটে এসে আমাকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে তারা আমার মাকেও মারধর করে। ইমরান আরও বলেন, আমার মাকে যারা মেরেছে, আমি তাদের বিচার চাই, আমরা কোনো রাজনীতিতে জড়িত নই। অন্যদিকে ঘটনার পরপরই সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতা মিজান সিকদার ও তার ছেলে জিসান সিকদার দাবি করেন তারা ঘটনার সময় সেখানে ছিলেন না। জিসান সিকদার বলেন, ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। একটি সামাজিক অনুষ্ঠানে ছিলাম। আমার বাবাকেও রাজনৈতিক প্রতিহিংসাবশত ফাঁসানো হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করছি। এদিকে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা জানিয়েছেন, গত কয়েকদিন ধরে টাইপালংয়ের একটি মাদরাসার দেয়ালে ‘জয়বাংলা’ স্লোগান লেখাকে কেন্দ্র করে থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে ওই এলাকার দুটি পক্ষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরের বিরুদ্ধে লেখালেখি করে আসছিলেন। ৭নম্বর ওয়ার্ডের ১৩ জন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীর নাম উল্লেখসহ আরও ১০/১১ জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগটি দায়ের করেন ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিম। স্থানীয় বাসিন্দা ওমর ফারুক জানান, অভিযোগের কথা এলাকায় প্রচার পেলে ফেসবুকে লেখালেখির মাধ্যমে ইমরান, ইউনুসসহ তাদের একটি পক্ষ দাবি করে আসছিল, মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে নিরীহ কিছু মানুষকে হয়রানি করার অপপ্রয়াস চলছে। এ ঘটনার জেরে এলাকায় দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলে আসছিল। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, নিহত নারীর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ইফতিয়াজ নুর নিশান/এসএইচএ

Source 3: Jugantor · 18/05/26open original ↗

ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে মায়ের মৃত্যু

উখিয়ায় ‘হা হা’ রিঅ্যাক্টে মবকাণ্ড ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে পিটুনিতে মায়ের মৃত্যু বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রতিহিংসার শিকার Advertisement কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে মবকাণ্ডে ছৈয়দা বেগম প্রাণ হারিয়েছেন। শনিবার রাত ৮টার দিকে উপজেলার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ফেসবুকে ছাত্রলীগ কর্মী ইউনুসের ‘হা হা’ প্রতিক্রিয়া (রিঅ্যাক্ট) জানানোকে কেন্দ্র করে নারীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি বিএনপি ও ছাত্রদলের প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেতা ইউনুসকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। এদিকে, অভিযুক্তদের কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ-এলাকায় তারা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, কক্সবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে রোববার সকালে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে। জানা যায়, দেওয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা নিয়ে এক সপ্তাহ ধরে এলাকায় উত্তেজনা চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার রাতে উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হাসেম সিকদার জিসান ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। আর এ স্ট্যাটাসে ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস ‘হা হা’ রিঅ্যাক্ট দেন। এতে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্ষিপ্ত হন। জিসানের নেতৃত্বে একটি গ্রুপ ইউনুসকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে। এসময় তাকে বাচাতে গেলে বন্ধু ইমরানকেও মারধর করে। খবর পেয়ে ইমরানের মা ঘর থেকে ছুটে এসে ছৈয়দা বেগম নিজের শরীর দিয়ে ছেলেকে আড়াল করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাকে অকাতরে কিল-ঘুসি মারা হয়। মারধরের একপর্যায়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ছৈয়দা এলাকার সাব্বির আহমদের স্ত্রী। এর আগে ইউনুসকে রক্ষা করতে গিয়ে এনজিওকর্মী এসএম ইমরান হামলার শিকার হন। তাকেও গণপিটুনি দেওয়া হয়। ছৈয়দা বেগমের স্বজনদের অভিযোগ-এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত। তারা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ঘিরে রাখে ও পুলিশ সদস্যদের হুমকি-ধমকি দেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন-চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ও উখিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশী হাসেম সিকদার জিসান, উখিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য মিজান সিকদার, দক্ষিণ রাজাপালং শ্রমিক দলের সভাপতি সাইফুল ইসলাম সিকদার, ছাত্রদল নেতা জুলফিকার রহমান আকাশ, বিএনপি নেতা শামসুল আলম (অ্যাম্বুলেন্স শামসু), আবদুল করিম, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান ও ছালাম সিকদার প্রমুখ। নিহতের ছেলে এসএম ইমরান বলেন, কয়েকদিন ধরে হামলাকারীরা বাড়িতে একাধিকবার হামলার চেষ্টা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছিল। এদিকে, সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি নেতা মিজান রহমান সিকদার দাবি করেন, ওই নারীর গায়ে কেউ হাত তোলেনি। তার স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন এ ধরনের হাজার হাজার মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যু হচ্ছে। এমন কয়জনের মৃত্যুর জন্য পুলিশ মামলা করতে পারবে? স্থানীয়দের অভিযোগ-রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে বিএনপি ও ছাত্রদলের একাধিক গ্রুপ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি ও মব সন্ত্রাস চালিয়ে আসছিল। ছৈয়দা বেগম সেই দাপটেরই নির্মম শিকার। তাদের অভিযোগ-ছাত্রদল নেতা জিসানের নেতৃত্বাধীন গ্রুপ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক তারেক মাহমুদ রাজিব চৌধুরীর আশ্রয়-প্রশ্রয় রয়েছেন। এ গ্রুপের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তারেক মাহমুদ চৌধুরী রাজিব যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। ঘটনাটির তদন্ত করার অনুরোধ জানান তিনি। উখিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি সরওয়ার জাহান চৌধুরী বলেন, দুই পক্ষ দুই ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে। এক পক্ষের দাবি-নিহত নারীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। অন্যপক্ষের দাবি-স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। এ কারণে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত চাই। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। প্রশাসনকে আমরা সহযোগিতা করব।