পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি হাতিয়ে নিল টাকা
Why this classification
Men posing as police broke into a disabled tea seller's home on 5 April 2026, beat him, took Tk 5 lakh, and then extracted another Tk 1 lakh after a false drug charge. This is a concrete, recent incident of physical assault and robbery, so it counts as violence.
Killed
0
Injured
0
Summary
৫ এপ্রিল ২০২৬ সন্ধ্যায় ফরিদপুর শহরের মধ্য আলিপুরে পুলিশ পরিচয়ে আসা কয়েক ব্যক্তি প্রতিবন্ধী চা দোকানি রবিউলের ঘরে তল্লাশির নামে আসবাব তছনছ করে, তাকে মারধর করে এবং গচ্ছিত ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে হাতকড়া পরিয়ে মাদকের মিথ্যা অভিযোগে থানায় নিয়ে ১ লাখ টাকা আদায়ের পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি হাতিয়ে নিল টাকা
পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি হাতিয়ে নিল টাকা Advertisement ফরিদপুর ব্যুরো প্রকাশ: ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ফরিদপুরে শারীরিক প্রতিবন্ধী চা দোকানির ঘরে পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশির নামে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাতেই ক্ষান্ত হয়নি তারা, হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে শহরের মধ্য আলিপুরের কানাই মাতুব্বর মোড় এলাকায়। এ ঘটনায় চা দোকানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ থেকে ও ভুক্তভোগীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, কানাই মাতুব্বর মোড় এলাকায় চা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন প্রতিবন্ধী রবিউল। ৫ এপ্রিল সন্ধ্যায় পুলিশ পরিচয়ে সাদা পোশাকে কয়েক ব্যক্তি তার বাড়িতে গিয়ে দরজা খুলতে বলে। তিনি দরজা খুলে দিলে তিন ব্যক্তি ঘরের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি এবং আসবাবপত্র তছনছ করে। এ সময় তাকে মারধর করে তার গচ্ছিত জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়। পরে আগত ব্যক্তিরা ঘরে মাদক পাওয়া গেছে বলে রবিউলকে হাতকড়া পরিয়ে মোটরসাইকেলে করে থানায় নিয়ে যায়। পরে রবিউলের স্বজনদের ফোন করে থানা থেকে তাকে ছাড়িয়ে নিতে ১ লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরে ১ লাখ টাকা দেওয়ার পর থানা থেকে রবিউলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। চা দোকানি রবিউল অভিযোগ করে বলেন, ছেলেকে বিদেশ পাঠানোর জন্য জমি বিক্রি করে টাকাগুলো বাড়িতে গচ্ছিত ছিল। পুলিশ পরিচয়ে দুই ব্যক্তি ও পুলিশের সোর্স রনক আমার ঘর থেকে টাকাগুলো নিয়ে যায়। পরে তারা থানায় নিয়ে ১ লাখ টাকা দেওয়ার পর আমাকে ছেড়ে দেয়। তিনি বলেন, আমার ঘরে তারা কোনো মাদক পায়নি। অথচ আমাকে থানায় নিয়ে মাদক পাওয়ার কথা বলেছে। জানতে চাইলে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় যদি কোনো পুলিশ সদস্যের জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
