বিএনপি-যুবদল নেতাদের হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Local BNP and Jubo Dal leaders blocked two journalists and a third reporter from filming, verbally abused them, and forcibly seized their mobile phones on the Barnai bridge on 18 May 2026. Because this involved a physical confrontation and seizure of property, not just a threat, it qualifies as a violent incident.

Reported by:JugantorSingle source
18/05/26•বারনই নদীর সেতু, নলডাঙ্গা

Killed

0

Injured

0

Summary

নাটোরের নলডাঙ্গায় সোমবার (১৮ মে ২০২৬) বারনই সেতুতে ভিডিও ধারণের সময় বিএনপি ও যুবদলের নেতারা দুই সাংবাদিককে বাধা দিয়ে গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করেন এবং তাদের মোবাইল ফোন জোর করে কেড়ে নেন। ঘটনায় ভুক্তভোগী সাংবাদিক থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 3

Perpetrator side

BNP

Victim side

Journalists

Other actors

মো. বাচ্চু সরদার (পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক)মো. টিটু সরদার (মাধনগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক)মো. মানিকুজ্জামান বিদ্যুৎ (মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক)মো. রানা আহমেদ (এনটিভি অনলাইন ও দিনকাল প্রতিনিধি, ভুক্তভোগী)মোস্তাফিজুর রহমান (মানবজমিন প্রতিনিধি, ভুক্তভোগী)মো. রাশেদ আলম (ভোরের কাগজ প্রতিনিধি, ভুক্তভোগী)মো. নূরে আলম (নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা)

Affected infrastructure

সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন (জোর করে কেড়ে নেওয়া)

Tags

Party ClashSexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Journalists

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 18/05/26open original ↗

বিএনপি-যুবদল নেতাদের হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক

বিএনপি-যুবদল নেতাদের হেনস্তার শিকার দুই সাংবাদিক Advertisement নাটোর প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৯:১২ পিএম নাটোরের নলডাঙ্গায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় স্থানীয় বিএনপি ও যুবদলের নেতাদের দ্বারা বাধা, মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া ও হেনস্তার শিকার হয়েছেন দুই সাংবাদিক। সোমবার বেলা ১১টার দিকে নলডাঙ্গার বারনই নদীর সেতুর উপর এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুপুরে এনটিভি অনলাইন ও দৈনিক দিনকালের নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মো. রানা আহমেদ বাদী হয়ে বিএনপির দুই নেতা ও ইউনিয়ন যুবদলের এক নেতাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নলডাঙ্গা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। নলডাঙ্গা থানায় দায়েরকৃত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দৈনিক দিনকাল ও এনটিভি অনলাইন নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মো. রানা আহমেদ এবং মানবজমিন পত্রিকার নলডাঙ্গা উপজেলা প্রতিনিধি মোস্তাফিজুর রহমান উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষকদের নিয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তারা নলডাঙ্গা পৌরসভার ভবন নির্মাণের জন্য ভরাট কাজে মাটি আনার সময় অনেক মাটি নলডাঙ্গা বারনই সেতুর ঢালে পড়ে কর্দমাক্ত হয়ে চলাচলে জনদুর্ভোগ হওয়ার দৃশ্য ভিডিও করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে নলডাঙ্গা পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. বাচ্চু সরদার ও তার সহযোগী মাধনগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. টিটু সরদার ও তার বড় ভাই মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিকুজ্জামান বিদ্যুৎ তাদের কাজে বাধা ও হুমকি দেন। ভোরের কাগজ পত্রিকার সাংবাদিক মো. রাশেদ আলম এ সময় হুমকির ভিডিও ধারণ করলে এসব নেতারা জোর করে মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের হেনস্তা করেন। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, সংবাদচিত্র ধারণ করার সময় হঠাৎ স্থানীয় বিএনপি নেতা বাচ্চু সরদারের নেতৃত্বে মাধনগর ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মো. টিটু সরদার ও তার বড় ভাই মাধনগর ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. মানিকুজ্জামান বিদ্যুৎ তাদের ওপর চড়াও হন। তারা সাংবাদিকদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করেন এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন কেড়ে নেন। নলডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন।