বাকৃবিতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৩

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article describes a clash between students of two university halls with no mention of political parties or student wings, therefore it does not meet the criteria for political violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
23/07/26•Bangladesh Agricultural University (BARI)

Killed

0

Injured

13

Summary

২৪ জুলাই ২০২৬-এ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের আশরাফুল হক ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দুই দিন চলা সংঘর্ষে ১৩ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও লাঠি-সোঁটা ব্যবহার করা হয় এবং জানালা, সিসিটিভি ক্যামেরা ও লাইট ভাঙা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

94% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরাপ্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম

Affected infrastructure

কাঁচের জানালাসিসিটিভি ক্যামেরালাইট

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 13

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 23/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 25/07/26open original ↗

বাকৃবিতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৩

বাকৃবিতে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ, আহত ১৩ ছবি: সংগৃহীত নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬ | ২২:৫৪ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) আশরাফুল হক হল ও শহীদ শামসুল হক হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। দুই দিন চলা এই সহিংসতায় উভয় হলের অন্তত ১৩ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রক্টর অফিস সূত্রে জানা গেছে, কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের লেভেল-১ সেমিস্টার-২-এর এক নারী শিক্ষার্থীকে কটূক্তি করার জেরে এই বিবাদের সূত্রপাত হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে আশরাফুল হক হলের ৮-১০ জন শিক্ষার্থী শহীদ শামসুল হক হলের এক শিক্ষার্থীর কক্ষে গিয়ে তাঁকে হুমকি দেন। এর জেরে দুই হলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৩টার দিকে শহীদ শামসুল হক হলের ৬০-৭০ জন শিক্ষার্থী লাঠিসোঁটা নিয়ে আশরাফুল হক হলের দিকে যান। এ সময় তারা হলের উদ্দেশ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সে সময় বেশ কয়েকটি জানালার কাচ, সিসিটিভি ক্যামেরা ও লাইট ভাঙচুর করেন। এতে উভয় পক্ষের ৯ শিক্ষার্থী আহত হন। খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা রাত ৪টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে হল প্রাধ্যক্ষদের বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার রাতের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার দুপুরে ক্যাম্পাসে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। দুপুর ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আব্দুল জব্বার মোড় এলাকায় আশরাফুল হক হলের এক শিক্ষার্থীকে শহীদ শামসুল হক হলের ১০-১৫ জন শিক্ষার্থী মারধর করেন বলে অভিযোগ ওঠে। এর আধা ঘণ্টা পর দুপুর আড়াইটার দিকে দুই হলের শিক্ষার্থীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চলা ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় আব্দুল জব্বার মোড় ও আশপাশের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই দফায় আরও চারজন শিক্ষার্থী আহত হন। বাকৃবির হেল্থ কেয়ার সেন্টারের চিকিৎসক জানান, সংঘর্ষের ঘটনায় গত বৃহস্পতিবার রাতে ৯ জন এবং শুক্রবার দুপুরে ৪ জন শিক্ষার্থীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত একজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আব্দুল আলীম বলেন, রাতের মারামারির খবর পেয়ে প্রক্টরিয়াল বডি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করে বিষয়টি মীমাংসা করে দিয়েছিল। কিন্তু শুক্রবার জুমার নামাজের পর আবারও মারামারি শুরু হয়। সামান্য একটি বিষয় নিয়ে এই ধরনের মারামারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত শাস্তির আওতায় আনা হবে। দ্রুত তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার সুষ্ঠু সমাধান করা হবে।

Source 2: Jugantor · 24/07/26open original ↗

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে কুপিয়ে হত্যা Advertisement বগুড়া ব্যুরো প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ বগুড়ায় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতা ও বালু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তার নাম আতিকুর রহমান মণ্ডল সাগর (৩২)। বুধবার গভীর রাতে সদর উপজেলার চালিতাবাড়ি দক্ষিণপাড়া গ্রামের তার শ্বশুরবাড়িতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাপলা বেগম নামে এক নারীকে থানায় নিয়েছে। সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম বৃহস্পতিবার সকালে জানান, জমি নিয়ে বিরোধে চাচাতো ভাইয়েরা সাগরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মাদক, অস্ত্রসহ বিভিন্ন আইনে ছয়টি মামলা রয়েছে। পুলিশ ও স্বজনরা জানান, সাগর বগুড়া সদর উপজেলার শাখারিয়া ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া গ্রামের শাহাদত মণ্ডলের ছেলে। তিনি শাখারিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক। দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে চাচাতো ভাই ইসমাইল ও জুলহাসদের সঙ্গে তার বিরোধ চলে আসছিল। জানা যায়, স্ত্রী মারজিয়া খাতুনকে নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে থাকতেন। বুধবার রাত ২টার দিকে সাগর বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে ছিলেন। হঠাৎ চিৎকার শুনে স্ত্রী মারজিয়া ঘর থেকে বের হন। এ সময় জুলহাস, ইসমাইলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল টিনের গেট ভেঙে বাড়িতে ঢুকে সাগরকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। একপর্যায়ে সাগর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে রাস্তায় পড়ে যান। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের স্ত্রী মারজিয়া খাতুন জানান, সাগরকে বাঁচাতে চিৎকার দিলে দুর্বৃত্তরা তাকেও হত্যার হুমকি দেয়। প্রতিবেশীর বাড়ির গলি থেকে রক্তাক্ত সাগরকে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও দুর্বৃত্তরা ধাওয়া করে ও ভয়ভীতি দেখায়। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে। মা সাজেদা বেগম বলেন, তার ছেলেকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আহত অবস্থায় ছেলে পানির জন্য ছটফট করলেও খুনিরা তাকে একফোঁটা পানি দেয়নি। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তার ছেলের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। সদর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মাহফুজ আলম জানান, সাগরের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা, মাদক ও অস্ত্রসহ বিভিন্ন আইনে ছয়টি মামলা রয়েছে। তিনি শাখারিয়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ছিলেন। বালু, মাদকসহ বিভিন্ন ব্যবসা করতেন। জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই ইসমাইল ও জুলহাসরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইসমাইলের মা শাপলা বেগমকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি হত্যার কারণ ও জড়িতদের সম্পর্কে সব তথ্য দিয়েছেন। অসুস্থতাবোধ করায় তাকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। সাগরের লাশ বগুড়া শজিমেক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।