সহপাঠীর ওপর হামলার বিচার চেয়ে জবিতে বিক্ষোভ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The incident is classified as political violence because it involved a targeted attack on a student during a campus protest environment, which is characteristic of student-wing political factionalism in Bangladesh.

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
04/08/26•Jagannath University Campus

Killed

0

Injured

1

Summary

গত ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহর ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তার চোয়াল ভেঙে যায় এবং সাতটি দাঁত উপড়ে যায়, যার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেছেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 6

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Niamat Ullah (Student)Dr. Naim Akhtar Siddiqui (Professor)

Affected infrastructure

None

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 09/08/26open original ↗

সহপাঠীর ওপর হামলার বিচার চেয়ে জবিতে বিক্ষোভ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহর ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা সহপাঠীরা। এসময় নিয়ামত উল্লাহর ওপর হামলাকারীদের বিচারের দাবিও জানানা তারা। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে মিছিল, সমাবেশ ও মানববন্ধন নিষিদ্ধ থাকার কথা জানিয়ে কর্মসূচিতে কর্তৃপক্ষ থেকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘জাস্টিস ফর নিয়ামত’ ও ‘নিয়ামতের ওপর হামলার বিচার চাই’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। বিক্ষোভ ও মানববন্ধনে প্রক্টরিয়াল বডির বাধাদানে ক্ষোভ প্রকাশ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের সহপাঠীর সাতটি দাঁত ও চোয়াল ভেঙে দেওয়া হয়েছে। ঘটনার এত দিন পরও প্রশাসন কোনো দৃশ্যমান জবাব দিতে পারেনি। বিচার না পেয়ে আমরা কীভাবে চুপ থাকব? মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘সন্ত্রাসীদের কালো হাত, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শিক্ষা-সন্ত্রাস একসাথে চলে না’ এবং ‘ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস চলে, প্রশাসন কী করে?’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। নিয়ামত উল্লাহর সহপাঠীদের অভিযোগ, ঘটনার কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এ বিষয়ে প্রশাসনের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো জবাবও পাওয়া যায়নি। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় ভিডিও ধারণ করছিলেন গণিত বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিয়ামত উল্লাহ শোয়াইব। এ সময় তার ওপর হামলা করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে রাজধানীর ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেও দ্বিতীয় দফায় হামলার অভিযোগ ওঠে। হামলায় নিয়ামতের চোয়াল গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তার সাতটি দাঁত স্থানচ্যুত হয়। পরে অস্ত্রোপচার করে তার চোয়ালের ভেতরে স্টিলের প্লেট বসানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর পর দ্বিতীয় দফায় অস্ত্রোপচার করে প্লেটটি অপসারণ করা হবে। এ সময় তিনি শক্ত খাবার খেতে পারবেন না। মুখে তীব্র ব্যথা থাকায় চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি কথা বলতে পারছেন না। কাগজে লিখে নিজের অনুভূতি ও কষ্টের কথা প্রকাশ করছেন। বিক্ষোভ চলাকালে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি বন্ধ করার অভিযোগ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্য ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নঈম আখতার সিদ্দিকী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ স্থিতিশীল রাখতে গত ৪ আগস্ট থেকেই ক্যাম্পাসে মিছিল, মিটিং ও মানববন্ধন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তিনি বলেন, কোনো শিক্ষার্থীর অভিযোগ থাকলে বিভাগের ছাত্র উপদেষ্টা বা চেয়ারম্যানের মাধ্যমে লিখিতভাবে প্রক্টর অফিসে জানানো যেতে পারে। নঈম আখতার সিদ্দিকী আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সংগঠনের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। পরিবেশ শান্ত রাখতে অন্য কয়েকটি সংগঠনের কর্মসূচিও স্থগিত করা হয়েছে। ৪ আগস্টের ঘটনার তদন্তে এরইমধ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। জেডএস

Source 2: Jugantor · 05/08/26open original ↗

ক্যাম্পাসকে আবারও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম

ক্যাম্পাসকে আবারও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হচ্ছে: নাহিদ ইসলাম Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর আফতাবনগরে মঙ্গলবার ‘জুলাই বিপ্লবের বিজয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দিচ্ছেন ছাত্রশক্তির নেতারা -যুগান্তর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও সন্ত্রাস ও হল দখলের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, বিভিন্ন ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার ও নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছে, যা শিক্ষার পরিবেশের জন্য হুমকি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর আফতাবনগরের সিরাজ কনভেনশন সেন্টারে জাতীয় ছাত্রশক্তি সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজিত ‘ফোরাম রেজিস্ট্যান্স টু ভিক্টরি : লিগাসি অব জুলাই’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে আবারও সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হচ্ছে। আবারও হল দখলের পাঁয়তারা চলছে। ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা শুরু হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রসংসদ প্রতিনিধি ও ছাত্রশক্তির নেতৃত্বের ওপর হামলা করা হয়েছে। ঢাকা কলেজ, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করছে ছাত্রদল ও তাদের সন্ত্রাসী বাহিনী। হবিগঞ্জে আমাদের ভাই আলিফের চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে। সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘অতীত থেকে শিক্ষা নিন। ছাত্রদের সঙ্গে কোনো সংঘাতে জড়াবেন না। শিক্ষার্থীদের নির্বিঘ্নে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করুন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গণতান্ত্রিক ধারা বজায় রাখুন এবং কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করুন। এই সরকার যদি মনে করে সবকিছু দখল করবে, তাহলে সেটি ভুল হবে। অতীতে এমন চিন্তার পরিণতি দেশ দেখেছে।’ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভূমিকার প্রশংসা করে এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ছিল। তারা গণ-অভ্যুত্থানের ট্রাম্প কার্ডের মতো ভূমিকা রেখেছিল। ১৭ জুলাইয়ের দমন-পীড়নের পর অনেকেই ভেবেছিল আন্দোলন আর এগোবে না। কিন্তু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে নতুন গতি এনে দেন। তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও ডকুমেন্টেশন প্রয়োজন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে এ বিষয়ে সরকার কোনো উদ্যোগ নেয়নি।’ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য দেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম সদস্য সচিব রাফে সালমান রিফাত, জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ আহসান, সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদারসহ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতারা।