কুষ্টিয়ায় সন্তানকে নদীতে ফেলে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
Why this classification
A mother deliberately threw her four-month-old baby from a bridge into a river, and the child is still missing, which is a concrete violent attack with a likely fatal outcome. Although the mother also jumped in, the deliberate harm to the child means this is not a simple suicide or drowning, and the event happened today.
Killed
0
Injured
0
Summary
শুক্রবার (২৯ মে ২০২৬) বিকেল সাড়ে ৪টায় কুষ্টিয়া সদর উপজেলার গড়াই নদীর হরিপুর সেতু থেকে যমুনা খাতুন (২২) তার চার মাস বয়সী শিশু সাইফ ওসমান হাদিকে নদীতে ছুড়ে ফেলে নিজেও ঝাঁপ দেন। স্থানীয় মাঝিরা নারীকে উদ্ধার করলেও শিশুটি নিখোঁজ রয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিস ও ডুবুরিরা তল্লাশি চালাচ্ছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
85% · severity 7
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 29/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কুষ্টিয়ায় সন্তানকে নদীতে ফেলে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
কুষ্টিয়ায় চার মাস বয়সী শিশু সাইফ ওসমান হাদিকে নদীতে ছুড়ে ফেলে নিজেও ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন যমুনা খাতুন (২২) নামে এক মা। স্থানীয় নৌকার মাঝিরা তাকে জীবিত উদ্ধার করতে পারলেও নিখোঁজ রয়েছে শিশুটি। শিশুটির সন্ধানে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ডুবুরিরা নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন। শুক্রবার (২৯ মে) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে সদর উপজেলার গড়াই নদীর হরিপুর সেতু উপর এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে ওই মা যমুনা খাতুনকে আটক করে থানায় নিয়েছে পুলিশ। যমুনা খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর গ্রামের আব্দুল আলীমের স্ত্রী। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নদীতে অবস্থানরত নৌকার মাঝিরা সেতু থেকে এক নারীকে নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেখেন। এ সময় তারা ওই নারীকে উদ্ধার করে তীরে নিয়ে আসেন। তবে শিশু হাদির সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় ডুবুরিরা শিশুটির সন্ধানে নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছেন। শিশুটির বাবা আব্দুল আলীম জানান, তার স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে কুমারখালী উপজেলার সুলতানপুর বেলতলা গ্রামে মায়ের বাড়িতে ছিলেন। সেখান থেকে এসে বিকেলে সেতুর ওপর থেকে প্রথমে বাচ্চাকে নদীতে ছুঁড়ে ফেলার পর নিজেও নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাচ্চা একটু অসুস্থ ছিল। সন্তানকে বাড়িতে নিয়ে এসে চিকিৎসা করাতে চাচ্ছিলাম, কিন্তু আমার স্ত্রী মায়ের বাড়িতে রেখেই বাচ্চার চিকিৎসা করাতে চাইছিল। এ নিয়ে স্ত্রী ও শাশুড়ির সঙ্গে তার মনোমালিন্য চলছিল। এ অবস্থায় হঠাৎ করে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি খবর পান তার স্ত্রী শিশু হাদীকে নদীতে ফেলে দিয়েছেন। কুষ্টিয়া ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরশেদ আলী বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা স্থানীয় লোকদের সঙ্গে নিয়ে শিশুটির সন্ধানে নদীতে তল্লাশি চালাচ্ছে। খবর পেয়ে এরই মধ্যে খুলনা থেকে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরী দল রওনা হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন মাতুব্বর বলেন, নদী থেকে স্থানীয় লোকজন নারীকে উদ্ধার করেছে। বর্তমানে তাকে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। ওই নারী কেবল কান্নাকাটি করছেন। এ কারণে তার নামসহ কোনো তথ্যই এখন পর্যন্ত জানা যায়নি। রবিউল আলম ইভান/এএমকে
