শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের ‘শুভেচ্ছা’ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, ছাত্রশক্তির বহিষ্কৃত নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

ছাত্রদলের নেতারা জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতাকে শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানানোর কারণে তোপের মুখে ফেলেন, যা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ। কোনো হতাহত বা বড় ধরনের সহিংসতা না থাকলেও এটি রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠনের মধ্যে সংঘর্ষ হিসেবে চিহ্নিত।

Reported by:Prothom AloSamakalCorroborated · 2 sources
28/09/26•বটতলা, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

Killed

0

Injured

0

Summary

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ফেসবুকে শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর অভিযোগে জাতীয় ছাত্রশক্তির নেতা রাব্বি হোসেনকে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা তোপের মুখে ফেলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে পুলিশে সোপর্দ করলে রাত দুইটার দিকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

85% · severity 2

Perpetrator side

BNP

Victim side

National Student Force

Other actors

মো. রাব্বি হোসেনছাত্রদলের কয়েকজন নেতাওসি তরিকুল ইসলামপ্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: National Student Force

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 30/09/26open original ↗

আসামি ধরতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পুলিশের গুলি, আহত ২

আদাবরে বাড়ি দখল মামলা আসামি ধরতে গিয়ে আক্রমণের মুখে পুলিশের গুলি, আহত ২ গ্রেপ্তার ৪, শনাক্ত কয়েকজন সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:০০ | আপডেট: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | ০৯:২২ | প্রিন্ট সংস্করণ রাজধানীর আদাবরে বাড়ি দখলের চেষ্টা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির মামলার আরও চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত সোমবার রাতে এ অভিযানের সময় পুলিশের গুলিতে দুই আসামি আহত হয়েছেন। অভিযানসংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগে আসামিরা চাপাতি নিয়ে পুলিশের ওপর আক্রমণের চেষ্টা চালায়। ঘটনাস্থল থেকে চাপাতি, সামুরাই ও কিরিচ উদ্ধার করা হয়েছে।  এ মামলায় আগে আরও ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। সর্বশেষ গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন– রাজিব হাওলাদার, সাগর ওরফে ছোট বিগার, শাকিব ও রাশেদ। তাদের মধ্যে রাজিব মোহাম্মদপুরের বাবু হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত প্রধান আসামি। সাগরের বিরুদ্ধে আদাবর ও মোহাম্মদপুর থানায় আটটি মামলা রয়েছে। শাকিব ও রাশেদের বিরুদ্ধে পাঁচটি করে মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, আদাবরে ভাঙচুরের ঘটনায় ২৭ সেপ্টেম্বর করা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালাচ্ছিল। এর মধ্যে সোমবার রাত ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, নবোদয় হাউজিং কাঁচাবাজারসংলগ্ন মেলার মাঠের পেছনে খালপাড়ের ফাঁকা জায়গায় কয়েক আসামি অবস্থান করছেন। পরে সেখানে অভিযান চালায় আদাবর থানা পুলিশ। এ সময় সেখানে গিয়ে পুলিশের দলটি সাত থেকে আটজনকে দেখতে পায়। অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা করলে তারা চাপাতি নিয়ে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলার চেষ্টা করে। আত্মরক্ষার্থে কনস্টেবল মোশরেকুল ইসলাম শটগান দিয়ে দুই রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে রাজিব ও সাগর পায়ে গুলিবিদ্ধ হন। অভিযানে চারজনকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। আহত রাজিব ও সাগরকে চিকিৎসার জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ সূত্র জানায়, গ্রেপ্তাররা মোহাম্মদপুর-আদাবর এলাকায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী হিসেবে কাজ করেন। তারা প্রতিদিনই অন্তত একটি সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর চেষ্টা করেন। সাগর এই দলটির প্রধান। দলের সদস্যরা মূলত কবজি কাটা গ্রুপের সদস্য। গ্রেপ্তার এড়াতে তারা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ইমো ও মেসেঞ্জার ব্যবহার করেন।  আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম জাহাঙ্গীর জানান, এই চক্রের আরও কয়েকজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে। তাদের শিগগিরই আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।  এর আগে রোববার আদাবরের শ্যামলী হাউজিংয়ের একটি বাড়ি দখলের চেষ্টাকে কেন্দ্র করে হামলা, ভাঙচুর ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। সেদিন ১৫ থেকে ২০ জনের একটি দল চাপাতি, রামদা ও পিস্তল নিয়ে বাড়িটিতে হামলা চালায়। এ ঘটনায় আদাবর থানায় একটি মামলা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য, বাড়িটির মালিকানা নিয়ে দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। - বিষয় : - গুলি

Source 2: Prothom Alo · 29/09/26open original ↗

শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের ‘শুভেচ্ছা’ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি, ছাত্রশক্তির বহিষ্কৃত নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

পুলিশে সোপর্দ করার পর থানায় নিয়ে যাওয়া হয় মো. রাব্বি হোসেনকে। গতকাল সোমবার বিকেলেছবি: সংগৃহীত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ফটোকার্ডের মন্তব্যের ঘরে (কমেন্টে) ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানানোর অভিযোগে আটক জাতীয় ছাত্রশক্তি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার বহিষ্কৃত সেই নেতাকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে মো. রাব্বি হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে আশুলিয়া থানা–পুলিশ। বিষয়টি আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম। ওসি তরিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বাদী হয়ে কোনো অভিযোগ দেয়নি এবং নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি। এ জন্য তাঁকে গতকাল রাতে প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে গতকাল বিকেলে জাতীয় ছাত্রশক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫২ ব্যাচের শিক্ষার্থী রাব্বি হোসেনকে থানা–পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ফেসবুকে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী মৃন্ময় দাস শেখ হাসিনার জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন। ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ‘শুভ জন্মদিন আপা’ লিখে লাভ চিহ্ন দিয়ে কমেন্ট করেন রাব্বি হোসেন। আরও পড়ুন শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের ‘শুভেচ্ছা জানানোয়’ ছাত্রশক্তি নেতা বহিষ্কার, পুলিশে সোপর্দ ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ এরপর রাব্বি হোসেনের করা কমেন্টের স্ক্রিনশট বিশ্ববিদ্যালয়ভিত্তিক বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপে ছড়িয়ে পড়ে। রাব্বি হোসেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সঙ্গে জড়িত, এমন অভিযোগ করে সমালোচনা শুরু হয়। একপর্যায়ে শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি থেকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ তাঁকে বহিষ্কার করা হয়। বেলা তিনটার দিকে রাব্বি হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকায় গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতার তোপের মুখে পড়েন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা রাব্বি হোসেনকে প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে যায়। এরপর ‘নিরাপত্তার স্বার্থে’ রাব্বিকে আশুলিয়া থানা–পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়ে রাব্বি হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে থানায় নেওয়ার পর পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে রাত দুইটার দিকে মুচলেকা নিয়ে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করে।’ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ওই ছাত্রকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ তেমন কিছু পায়নি। এ ছাড়া তাঁর একটি পরীক্ষা রয়েছে। তাঁর বিভাগের শিক্ষকেরাও অনুরোধ করেছিলেন তাঁর বিষয়ে। যেহেতু তাঁর বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি, সে জন্য সব দিক বিবেচনা করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, রাব্বি হোসেন গত বছর অনুষ্ঠিত জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে সহসভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন শেখ হাসিনাছাত্রলীগজাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়