হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগ
Why this classification
The article reports a specific incident on Sunday 10 May 2026, when bus workers from Moulvibazar blocked the entry point at Sherpur bridge and Habiganj workers retaliated at the toll plaza, stopping buses. Several buses were vandalised and the Dhaka-Sylhet highway was effectively shut for about four hours. The main subject of the article is the strike that followed, but the violent incident itself is concrete, recent, and inside Bangladesh, so it qualifies.
Killed
0
Injured
0
Summary
গত রোববার (১০ মে ২০২৬) মৌলভীবাজারের বাসশ্রমিকরা শেরপুর সেতু এলাকায় হবিগঞ্জের প্রবেশপথ বন্ধ করলে পাল্টা টোলপ্লাজা এলাকায় হবিগঞ্জের শ্রমিকরা বাস আটকে দেন, এতে কয়েকটি বাস ভাঙচুর হয় এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুপুর ১২টা থেকে ৪টা পর্যন্ত যান চলাচল কার্যত বন্ধ ছিল। এরপর মঙ্গলবার (১২ মে ২০২৬) থেকে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট ডাকায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েছেন।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
80% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 10/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগ
হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস চলাচল বন্ধ, দুর্ভোগ হবিগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ মে ২০২৬ | ০৭:৫৩ | প্রিন্ট সংস্করণ সিলেট বিভাগের সঙ্গে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতি। মঙ্গলবার সকাল থেকে ধর্মঘট চলছে হবিগঞ্জ থেকে সিলেটগামী তিনটি রুটে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও পরিবহন শ্রমিকরা। বেশি বিপাকে পড়েছেন চাকরিজীবী ও নারী-শিশুরা। হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার-সিলেট রুটটি মৌলভীবাজার জেলার ওপর দিয়ে গেছে। দুই বছর ধরে এ রুটে হবিগঞ্জের বাস চলাচল নিয়ে বিরোধ চলছে দুই জেলার মালিক সমিতির মধ্যে। এ নিয়ে একাধিকবার হামলা, পাল্টা হামলাসহ ঘটেছে বাস চলাচল বন্ধের ঘটনাও। সবশেষ গত রোববার মৌলভীবাজারের কিছু বাসশ্রমিক শেরপুর সেতু এলাকায় বন্ধ করে দেন তাদের জেলার প্রবেশপথ। এর পাল্টা জবাবে টোলপ্লাজা এলাকায় বাস আটকে দেন হবিগঞ্জের শ্রমিকরা। এতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে। এ সময় কয়েকটি বাসে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। সেদিন দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত মহাসড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ ছিল। পরদিন সারাদিন বাস চলাচল বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার হামলার প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ঘোষণা দেন হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল। মঙ্গলবার সকালে বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায়, জেলার দূরদূরান্ত থেকে আসা যাত্রীরা বাস না পেয়ে অটোরিকশা বা সিএনজিচালিত রিকশায় ভেঙে ভেঙে গন্তব্যের উদ্দেশে যাচ্ছেন। এদিকে মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দুই পক্ষের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক জিএম সরফরাজ মালিক। দ্বন্দ্ব নিরসনে আলোচনা হয় সিলেট বিভাগের পরিবহন মালিক নেতাদের সঙ্গেও। বিকেল ৫টা পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। মৌলভীবাজার বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রব মিয়ার অভিযোগ, হবিগঞ্জের মাত্র আটটি বাসের বৈধ কাগজপত্র রয়েছে। বাকি গাড়িগুলো অবৈধ ও ফিটনেসবিহীন। তাই সেগুলো তাদের জেলার ওপর দিয়ে চলতে দেওয়া হবে না। হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, গাড়ির কাগজপত্রের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের। তিনি বলেন, মৌলভীবাজারের বাসে যাত্রী কম হওয়ায় তারা হবিগঞ্জের বাস চলাচলে বাধা দিচ্ছে। এ রুটে হবিগঞ্জের বাসের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে। প্রয়োজনে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করা হবে। - বিষয় : - বাস চলাচল বন্ধ
