পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত
Why this classification
This is a specific, recent incident in Pabna where two groups clashed over illegal sand extraction and gunfire killed a BNP worker, Manju Sheikh, on 26 June 2026. The killing is a concrete act of violence, so it qualifies.
Killed
1
Injured
0
Summary
পাবনা সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে বিএনপি কর্মী মঞ্জু শেখ (৩২) ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ২০২৬ সালের ২৬ জুন শুক্রবার দুপুরে ভাঁড়ারা ও চরতারাপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান চরে ঘটনাটি ঘটে এবং পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত
পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলন নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বিএনপি কর্মী নিহত Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ জুন ২০২৬, ০৮:৪০ পিএম পাবনার সদর উপজেলায় পদ্মা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনায় এক বিএনপি কর্মী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৬ জুন) দুপুরে সদর উপজেলার ভাঁড়ারা ও চরতারাপুর ইউনিয়নের মধ্যবর্তী জোতকাকুরিয়া কলাবাগান চর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মঞ্জু শেখ (৩২) আড়িয়া গোহাইলবাড়ি এলাকার দারোগ শেখের ছেলে। তিনি সুজানগর উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব শেখ আব্দুর রউফ এবং চরতারাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শেখ রহমত আলীর ভাতিজা। তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির কর্মী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, মধ্যচর এলাকার জোতকাকুরিয়া কলাবাগান চরে বালু উত্তোলন এবং স্থানীয় আধিপত্যকে কেন্দ্র করে বিএনপি নেতা রহমত শেখের পক্ষ এবং ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খানের পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। শুক্রবার সকালে দুই পক্ষের লোকজন বালু উত্তোলনের স্পট পরিদর্শনে গেলে তাদের মধ্যে প্রথমে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে রূপ নেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মঞ্জু শেখ নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সদস্যসচিব শেখ আব্দুর রউফ বলেন, চরতারাপুর ও ভাঁড়ারা এলাকার কিছু লোক বালু তুলতে গেলে আমার ভাতিজা এতে বাধা দিতে যায়। এ সময় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। অভিযোগের বিষয়ে ভাঁড়ারা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুলতান মাহমুদ খান বলেন, আমি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নই। আমি বালু উত্তোলন করি না এবং বালু উত্তোলন সমর্থনও করি না। প্রশাসন তদন্ত করে আমার সংশ্লিষ্টতা পেলে যেকোনো শাস্তি মাথা পেতে নেব। পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রেজিনূর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। এ হত্যাকাণ্ড বা অন্য কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
