সাত বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

Two teenage boys took a seven-year-old child from her home, locked her in a toilet, and raped her in turn, leaving her bleeding and in need of hospital care. The incident happened on 4 June 2026, within the 14-day window, and the two accused were arrested and sent to a juvenile correctional facility.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
04/06/26•Kalagaon West Para, Tahirpur

Killed

0

Injured

1

Summary

সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে (৪ জুন ২০২৬) সন্ধ্যায় কলাগাঁও পশ্চিম পাড়ায় দুই মাদকাসক্ত কিশোর সাত বছরের এক শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে টয়লেটে আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর পুলিশ দুই কিশোরকে গ্রেফতার করে, এবং আদালত তাদের গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠায়।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

95% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Two drug-addicted teenage boys (accused, sent to juvenile correctional facility)Victim's maternal grandmother (complainant)Village quack doctor Bashir Ahmed alias BurujSunamganj Superintendent of Police A.B.M. Zakir HossainInvestigating officer Sushankar Pal

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 11/04/26open original ↗

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ প্রতিবেশী যুবক গ্রেপ্তার

বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ প্রতিবেশী যুবক গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:৫৮ | প্রিন্ট সংস্করণ সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ১৩ বছর বয়সী এক বাকপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে স্বপন আহমদ (১৯) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে একই গ্রামের আশকর আলীর ছেলে মোজাহিদ আহমদসহ (১৯) অন্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার পূর্ব বীরগাঁও ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেপ্তার স্বপন আহমদ ওই ইউনিয়নের কালামন মিয়ার ছেলে এবং ভুক্তভোগী কিশোরীর প্রতিবেশী। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী কিশোরী ওই গ্রামের এক বাকপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির মেয়ে। বৃহস্পতিবার রাতে অভিযুক্ত স্বপন আহমদ তাকে কৌশলে বা জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুলিশে খবর দেওয়া হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে। শান্তিগঞ্জ থানার ওসি জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় একাধিক দায়িত্বশীল ব্যক্তি জানান, নির্যাতিতের মা বুদ্ধি ও মানসিকপ্রতিবন্ধী এবং বাবা বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন আত্মীয় ও গ্রামবাসী জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে নিজের বসতঘর থেকে বের করে নিয়ে পাশের ধান ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করা হয় কিশোরীকে। মঙ্গলবার দিন কিশোরীর আত্মীয়স্বজন অভিযোগ তোলেন, স্বপন মিয়াকে গ্রেপ্তার করার পর রাতেই স্বপনের ভাই, বাবা ও অন্য আত্মীয়রা মিলে নির্যাতিত কিশোরীর আধভাঙা টিনশেডের একচালা ঘরে হামলা করেন। ভুক্তভোগী পরিবার এ ঘটনায় সবসময় দুজনের (স্বপন ও মোজাহিদ) বিরুদ্ধে অভিযোগ করে যাচ্ছে। নির্যাতিত মেয়ের চাচা বলেন, ঘটনায় জড়িত প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চায় তার পরিবার। একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে দুজনকে দেখে শনাক্ত করা গেছে। জামিল ছিল কিনা? এ বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমাদের জানা মতে সে ছিল না। এখন কেউ যদি তাকে ফাঁসানোর জন্য নাম বলে তাহলে আমাদের কী করার আছে।’ অন্যদিকে স্বপন ও মোজাহিদের পরিবার অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে। ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান রুজেল আহমদ জানান, যে ঘটনাকে কেন্দ্র করে এত কিছু, যারা প্রকৃত দোষী তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। - বিষয় : - ধর্ষণ

Source 2: Jugantor · 07/06/26open original ↗

সাত বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২

সাত বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, তাহিরপুর প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১০:০৫ পিএম ফাইল ছবি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে সাত বছরের শিশুকে গণধর্ষণের ঘটনায় মাদকাসক্ত দুই কিশোরকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর আগে শনিবার (৬ জুন) রাতে ভুক্তভোগীর নানী বাদী হয়ে ওই দুই কিশোরের নামে থানায় মামলা দায়ের করেন। গ্রেফতার কিশোররা হলেন, উপজেলার সীমান্ত গ্রাম কলাগাঁও পশ্চিম পাড়ার আতিকুল ইসলাম রনির ছেলে রিসাতুল ইসলাম রিসাল ও একই পাড়ার আল আমিনের ছেলে সাকিবুল মিয়া। রোববার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন (পিপিএম) ওই কিশোরদের পুলিশি হেফাজতে আটক ও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে দ্রুত তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার কলাগাঁও পশ্চিম পাড়ার ইয়াবা আসক্ত বখাটে কিশোর রিসাতুল ইসলাম রিসাল ও একই পাড়ার সাকিবুল মিয়া সাত বছরের শিশুকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে একটি টয়লেটের ভেতর আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে আসে। পরে বাড়ি ফিরে ওই শিশু পরিবার, পাড়া-প্রতিবেশী এবং অভিযুক্ত কিশোরদের অভিভাবকদের জানায়। ধর্ষণের শিকার ভুক্তভোগীর রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় পরদিন শুক্রবার অভিযুক্ত এক কিশোরের মা উপজেলার স্থানীয় কলাগাঁও বাজারে পল্লী চিকিৎসকের নিকট নিয়ে গিয়ে চারশ টাকার ওষুধ কিনে দেন। এরপর থানায় আইনি সহায়তা না নিতে ও সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা না নিতে বাধা দেন ধর্ষণে জড়িত এক কিশোরের মা এবং কলাগাঁও বাজারের স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক বশির আহমদ ওরফে বুরুজ । উপজেলার সীমান্ত বাজার কলাগাঁও’র পল্লী চিকিৎসক বশির আহমদ ওরফে বুরুজের নিকট জানতে চাইলে তিনি রক্তক্ষরণ বন্ধের জন্য ওই শিশুর চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, গণধর্ষণ হয়েছে কিনা জানি না, আমি ভিকটিমের পরিবারকে থানায় গিয়ে আইনি সহায়তা না নিতে কোনো বাধা দেইনি।  অপরদিকে গণধর্ষণে রক্তক্ষরণ বন্ধ না হওয়ায় শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ওই শিশুকে শনিবার দুপুরে চিকিৎসাসেবা ও আইনি সহায়তা পেতে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় আজ রোববার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযুক্ত কিশোরদের সুনামগঞ্জের শিশু আদালতে হাজির করলে বিচারক কিশোরদের গাজীপুর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। তদন্তকারী কর্মকর্তা সুশংকর পাল বলেন, ভুক্তভোগী শিশুকে সুনামগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতালে ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ওসিসিতে) চিকিৎসা দেওয়ার পর অবিভাবকদের নিকট তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কাজ চলমান বলেও জানান ওই পুলিশ কর্মকর্তা।