প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হেনেস্তার অভিযোগ
Why this classification
This article reports a specific, recent case in which a headmaster is accused of physically sexually abusing young schoolgirls at a named school in Naogaon. The abuse is alleged, the accused denies it, and students surrounded the school on 15 June 2026, so it is classified as a violent incident. The event is recent and took place in Bangladesh, and the number of victims is not given, so the casualty counts are estimates.
Killed
0
Injured
0
Summary
নওগাঁর মান্দার নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোমেন্দ্রনাথ হাজরার বিরুদ্ধে শিশু ছাত্রীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে, যার জেরে ১৫ জুন ২০২৬ সকালে শিক্ষার্থীরা স্কুল ঘেরাও করলে তিনি পালিয়ে যান। অভিযুক্ত শিক্ষক অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, এবং উপজেলা প্রশাসন তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে।
AI analysis
Category
Gender-Based Violence
Confidence
80% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 15/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মানববন্ধনে বক্তব্যের জেরে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ
মানববন্ধনে বক্তব্যের জেরে নারীকে নির্যাতনের অভিযোগ ম্যাপ নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬ | ০৫:০২ নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলায় এক মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়ার জেরে হাসিনা খাতুন (৫৪) নামে এক নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার সকালে উপজেলার হাতুড় ইউনিয়নের মহিষবাথান সরদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি মহাদেবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসিনা খাতুন ওই গ্রামের আহাদ আলীর স্ত্রী। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের অভিযোগ, আগের দিন একটি মানববন্ধনে বক্তব্য দেওয়ার জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে হাসিনাকে ঘর থেকে টেনেহিঁচড়ে বাইরে নিয়ে যায়। পরে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে তার ওপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। হাসিনা খাতুন অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার তিনি গাহলী বাজারে অনুষ্ঠিত একটি মানববন্ধনে অংশ নিয়ে গণ-অভ্যুত্থানের পর তার বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, মারধর এবং জমি দখলের অভিযোগ তুলে বক্তব্য দেন। ওই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরদিন সকালে একদল লোক তার বাড়িতে গিয়ে তাকে ও তার স্বামীকে মারধর করে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে চোখ, মুখ ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মরিচের গুঁড়ো লাগিয়ে দেয়। একপর্যায়ে তার ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় হাসিনার আর্তচিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলেও হামলাকারীদের ভয়ে কেউ সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারেননি। পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসিনার মেয়ে হাফেজা খাতুন প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে মহাদেবপুর থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে হাসিনা খাতুন ও তার স্বামীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মতিন মুঠোফোনে অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এ ঘটনাকে রাজনৈতিকভাবে আমার সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। এটি তাদের পারিবারিক বিরোধের বিষয়। চাচাতো-জেঠাতো ভাইদের মধ্যে বিরোধকে রাজনৈতিক রূপ দিয়ে আমাকে হেনস্তা করার অপচেষ্টা চলছে। মহাদেবপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মহিদুল ইসলাম বলেন, তিনি অন্য একটি মামলার তদন্তে বাইরে ছিলেন। ফিরে এসে বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মহাদেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা দায়ের হয়নি। - বিষয় : - নওগাঁ - নারী নির্যাতন
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হেনেস্তার অভিযোগ
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হেনেস্তার অভিযোগ Advertisement নওগাঁ প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুন ২০২৬, ০৯:৩৬ পিএম সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা স্কুলটি ঘেরাও করে। ছবি: যুগান্তর নওগাঁর মান্দায় নবগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সোমেন্দ্রনাথ হাজরার বিরুদ্ধে মেয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা স্কুলটি ঘেরাও করে। তবে অবস্থা বেগতিক দেখে পালিয়ে যান অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষক। এমন ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিভাবক, সচেতন মহল, শিক্ষার্থীসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষ। শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে প্রধান শিক্ষক সোমেন্দ্রনাথ হাজরা মেয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের যৌন নিপীড়ন করে আসছিলেন। শিক্ষার্থীরা যেন তাদের বাড়িতে কাউকে কিছু না বলে সে ব্যাপারে নিষেধ করা হতো। প্রতিনিয়ত অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে মেয়ে শিশু শিক্ষার্থীদের বুক, পেট ও নিতম্বসহ স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দিয়ে যৌন নিপীড়ন করা হতো। এমনকি প্রাইভেট শিক্ষার্থীদের সঙ্গে একই আচরণ করতেন তিনি। ছাত্রীদের বলা হতো আমি তোমাদের বন্ধু, পকেটে টাকা এনেছো কিনা তা দেখতে বুক পকেটে হাত দিত। এমনকি খেলাধুলার সময় তিনি মেয়েদের ড্রেস নিজে পরিয়ে দিতেন। সুযোগ পেলেই জড়িয়ে ধরতেন ছাত্রীদের। এ ব্যাপারে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীর মা নাহিদা খাতুন বলেন, দীর্ঘদিন থেকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ওই প্রধান শিক্ষক যৌন হেনেস্তার মতো কাজ করে আসছেন। বাচ্চা মেয়েদের সঙ্গে এমন জঘন্য কাজ করে, তাহলে ওই শিক্ষকের রুচিবোধ কেমন হবে। বাচ্চাদের স্কুলে যাওয়াও নিরাপদ মনে করছি না। এর উপযুক্ত শাস্তির দাবি করছি। ৩য় শ্রেণির আরেক ছাত্রীর মা মমেনা আক্তার বলেন, মেয়ে বাচ্চাদের আদর করে বুকে জড়িয়ে নেয়, বুকে হাত দেয়। তার কি সন্তান নেই? আবার বড় মেয়েদের খেলার ড্রেস নিজে পরিয়ে দিতেন। বাচ্চারা কি পোশাক পরতে পারে না, কেন তাদের পোশাক পরিয়ে দিতে হবে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থীর মা বলেন, জোর করে আমার মেয়েকে জড়িয়ে ধরেছে। প্রতিষ্ঠান ঘেরাওয়ের খবর পেয়ে আমার মেয়ে বলে, আমার সঙ্গে অনেকদিন ধরে স্যার এরকম কাজ করে আসছে। মেয়েটি ভয়ে আমাকে বলেনি। স্যারের এরকম কর্মকাণ্ডে ভয় পেয়ে আমার মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে। ওই স্কুলে প্রধান শিক্ষকসহ পাঁচজন সহকারী শিক্ষিক রয়েছে। এরমধ্যে চারজনই নারী শিক্ষক। তবে সহকারী কোনো শিক্ষকই এ বিষয়ে কথা বলতে চান না। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক সোমেন্দ্রনাথ হাজরা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্তে যা হবে তখন দেখা যাবে। তবে এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। কেউ ষড়যন্ত্রমূলক এটা করতে পারে। তবে কে ষড়যন্ত্র করেছে এটার কোনো তথ্য পাচ্ছি না। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ড. সাবরিনা আনাম বলেন, বিষয়টি জানার পর ঘটনাস্থলে দুজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছিল। এ নিয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আখতার জাহান সাথী বলেন, এ বিষয়ে অভিভাবকদের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে বিষয়টি নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যদি অভিযোগের সত্যতা থাকে তাহলে তার বিরুদ্ধে যেন বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
