শিল্পপতির বাসায় ফের মুহুর্মুহু গুলি
Why this classification
Armed attackers fired 9 to 12 rounds at the home of the Smart Group chairman in Chattogram early on Saturday, 28 February 2026, after he refused to pay a demanded five crore taka. No one was hurt, but several windows were shattered, so this is a concrete shooting attack within the recent reporting window.
Killed
0
Injured
0
Summary
চট্টগ্রামের চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) ভোরে স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা ভারী অস্ত্র দিয়ে ৯-১২ রাউন্ড গুলি চালায়। পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ, এতে কেউ হতাহত হয়নি।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 28/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
কোটি টাকা ‘চাঁদা না পেয়ে’ ব্যবসায়ীর বাসা লক্ষ্য করে মুখোশধারীদের গুলি
কোটি টাকা ‘চাঁদা না পেয়ে’ ব্যবসায়ীর বাসা লক্ষ্য করে মুখোশধারীদের গুলি ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ১৯:২৫ | আপডেট: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ২০:২৮ কোটি টাকা ‘চাঁদা না পেয়ে’ চট্টগ্রামের এক শীর্ষ ব্যবসায়ীর বাসা লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। নগরের চন্দনপুরা এলাকায় শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাসা লক্ষ্য করে গুলি করার এই ঘটনা ঘটে। পুলিশের ধারণা, পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলীর লোকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। এর আগে গত ২ জানুয়ারি একই বাসায় কয়েকজন গুলি ছোঁড়ে। সেদিন গুলিতে বাসার জানালার বেশকিছু কাচ ভেঙে যায়। গুলি লাগে বাসার দরজায়ও। এরপর থেকে বাসাটি পুলিশের পাহারায় ছিল। তবে পুলিশের পাহারার মধ্যেই দেড় মাসের মাথায় বাসাটিতে আবারও গুলির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। শনিবারে একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ব্যবসায়ীর বাসার কাছে আসে চার ব্যক্তি। এসময় সবাই মুখোশ পরা অবস্থায় ছিল। এর কিছুক্ষণ পর বাসাটি লক্ষ্য করে অস্ত্র উঁচিয়ে একের পর এক গুলি ছুড়তে থাকে তারা। এসময় একজনের হাতে দুটি পিস্তল দেখা যায়। বাকিদের মধ্যে একজনের হাতে চায়নিজ রাইফেল, অন্যজনের হাতে মেশিনগান এবং বাকিদের হাতে শটগান দেখা গেছে। নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়া সমকালকে বলেন, একটি প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেলে করে ব্যবসায়ীর বাসার সামনে আসে সন্ত্রাসীরা। এসময় সবাই মুখোশ পরা ছিল। গাড়ি কিছুটা দূরে রেখে পায়ে হেঁটে তারা বাসার কাছে গিয়েই গুলি করতে থাকে। এরপর কয়েক মিনিটের মধ্যেই তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। প্রাথমিকভাবে আমাদের মনে হচ্ছে, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী ওরফে বড় সাজ্জাদ চাঁদার জন্যই তার লোকজন দিয়ে ঘটনাটি ঘটিয়েছে। কারণ এর আগে ঘটা এ ধরনের কয়েকটি ঘটনায়ও সাজ্জাদের লোকজন জড়িত থাকার তথ্য পেয়েছিল পুলিশ। এবারের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। প্রাথমিকভাবে সাজ্জাদের সহযোগী সন্ত্রাসী মো. রায়হান ও বোরহান এবারের ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছেন বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান। এ ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘‘ফোন করে প্রথমে ১০ কোটি ও পরে ৫ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেছে সাজ্জাদ। কিন্তু চাঁদার টাকা না দেওয়ায় তারা আবারও আমার বাসায় গুলি ছুঁড়েছে। এর আগে গত ২ জানুয়ারিও চাঁদার দাবিতে আমার বাসায় গুলি করা হয়েছিল। এরপরও চাঁদা না পেয়ে ২০ দিন আগে আমার হোয়াটসঅ্যাপে ‘ওয়েট অ্যান্ড সি’ লিখে একটি বার্তা পাঠায় সাজ্জাদ। শনিবার ভোরে সেহেরি খেয়ে নামাজ পড়ে সবাই যখন ঘুমাতে যাচ্ছিলাম তখন সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে বাসার পেছনে কয়েকজন মুখোশধারীকে অস্ত্র হাতে দেখি। পরে তারা অনবরত গুলি ছুঁড়তে থাকে। কয়েক মিনিটে ৬ থেকে ৭ রাউন্ড গুলি করে পালিয়ে যায় তারা।’ বাসায় থাকা পুলিশ সদস্যরা ভবনের দোতলায় উঠে সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে গুলি করতে যাওয়ার আগেই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায় বলে জানান ব্যবসায়ী মোস্তাফিজুর রহমান। প্রসঙ্গত, স্মার্ট গ্রুপ একটি বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী। এটির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই মুজিবুর রহমান ২০২৪ সালের নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
শিল্পপতির বাসায় ফের মুহুর্মুহু গুলি
চট্টগ্রামে শীর্ষ সন্ত্রাসীর চাঁদা দাবি শিল্পপতির বাসায় ফের মুহুর্মুহু গুলি Advertisement চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ চট্টগ্রামের চকবাজার থানার চন্দপুরা এলাকায় শনিবার ভোরে শিল্পপতি মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় ভারী অস্ত্র দিয়ে মুহুর্মুহু গুলি করছে দুর্বৃত্তরা -যুগান্তর পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে না পেয়ে চট্টগ্রামে পুলিশি পাহারায় থাকা স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের বাড়ি লক্ষ করে মুহুর্মুহু গুলি ছুড়েছে সন্ত্রাসীরা। শনিবার ভোরে চকবাজার থানার চন্দপুরা এলাকার বাসায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। এর আগে চলতি বছরের ২ জানুয়ারি একই বাসা লক্ষ্য করে গুলি করেছিল দুর্বৃত্তরা। এর পর থেকে বাসাটি পুলিশের পাহারায় ছিল। ভারতে পালিয়ে থাকা চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী খানের অনুসারীরা চাঁদা না পেয়ে বাসাটি লক্ষ্য করে গুলি করেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। মুহুর্মুহু গুলির আওয়াজে ওই এলাকার বাসিন্দাদের ঘুম ভাঙে। পুলিশি পাহারা থাকা অবস্থায় এমন হামলার ঘটনাকে দুঃসাহসিক বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বাসায় মোস্তাফিজুর রহমান ছাড়াও তার ভাই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুজিবুর রহমানও বসবাস করেন। সন্ত্রাসীদের একের পর এক এমন হামলায় ওই শিল্পপতি পরিবারের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি মুজিবুর রহমান একের পর এক এমন ঘটনায় আক্ষেপ করে যুগান্তরকে বলেন, ‘এভাবে হলে আর দেশে থাকা যাবে না। ব্যাংক যে টাকাপয়সা পাবে, তা দিয়ে আমরা দেশের বাইরে চলে যাব।’ সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে চন্দনপুরা খালপাড় এলাকায় চারজন সশস্ত্র সন্ত্রাসী আসে। প্রথমে তিনজন অস্ত্রধারী শিল্পপতির বাসার সামনে আসে। তাদের মধ্যে একজন একনাগাড়ে ১২ রাউন্ড গুলি করে। তিনজনের মধ্যে দুজনের হাতে ছিল চায়নিজ রাইফেলের মতো ভারী অস্ত্র। অপর একজনের দুই হাতে দুটি বিদেশি পিস্তল দেখা যায়। কিছুক্ষণ পর অপর সন্ত্রাসী ভারী অস্ত্র নিয়ে তাদের সঙ্গে যোগ দেয়। ওই সন্ত্রাসীকে কিছুক্ষণ পর মুহুর্মুহু গুলি করতে দেখা যায়। ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ডের ভিডিও দেখলে মনে হয়, এটা যেন কোনো ফিল্মের দৃশ্য। ওই বাড়িতে পুলিশের পাহারাও ছিল। সেই পাহারার তোয়াক্কা না করেই সন্ত্রাসীরা হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে। হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও শিল্পপতির বাসার দুই তলায় দুটি এবং তিন তলার একটি জানালার কাচ ভেঙে খানখান হয়ে যায়। খবর পেয়ে নগর পুলিশের উপকমিশনার (দক্ষিণ) হোসাইন কবির ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশের একটি দল। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানান, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ দীর্ঘদিন ধরে চাঁদা দাবি করে আসছিল। প্রথমে ১২ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে ৭ কোটি এবং সর্বশেষ ৫ কোটি টাকা দাবি করে সাজ্জাদ। চাঁদা না দেওয়ায় ২ জানুয়ারি ওই শিল্পপতির বাসায় একই কায়দায় সন্ত্রাসীরা গুলি করে। তখন পিস্তল দিয়ে গুলি করলেও এবার তারা এসেছে ভারী অস্ত্র নিয়ে। সংশ্লিষ্টরা অভিযোগ করেছেন, ওই ঘটনায় অজ্ঞাতানামা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হলেও চকবাজার থানা পুলিশ সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত বা গ্রেফতার করতে পারেনি। এ কারণে তারা একই বাড়িতে দ্বিতীয় দফায় হামলা করল। এর আগে স্মার্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমানের হোয়াটসঅ্যাপে একটি বার্তা দেন শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ। এতে লেখেন ‘ওয়েট অ্যান্ড সি।’ মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, শনিবার সকালে নামাজ পড়ে ঘুমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বাসার পেছনে মুখোশধারী অস্ত্রধারীরা গুলি করতে থাকে। ৯ থেকে ১০ রাউন্ড গুলি করেছে। সিকিউরিটি গার্ড সন্ত্রাসীদের দেখতে পেয়ে বাসার পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্যদের বিষয়টি জানান। পুলিশ বাসার দোতলায় উঠে সন্ত্রাসীদের লক্ষ্য করে গুলি করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তবে এর আগেই সন্ত্রাসীরা চলে যায়। সন্ত্রাসীদের হাতে ভারী ও আধুনিক অস্ত্র ছিল। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে এসেছিলেন। তারা তদন্ত করে দেখছেন। স্মার্ট গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিল্পপতি মুজিবুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, ‘প্রথম দফায় বিদেশি নম্বর থেকে সাজ্জাদ পরিচয়ে আমার মোবাইল ফোনে কল দিয়ে চাঁদা দাবি করেছিল। চাঁদা না দেওয়ায় তারা ২ জানুয়ারি হামলা করে। পরে হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে চাঁদার জন্য মেসেজ দেয় সাজ্জাদ। এতে সাড়া না দেওয়ায় তারা শনিবার আবারও হামলা করল।’ তিনি বলেন, এভাবে হলে দেশে থাকা যাবে না। ব্যাংক যে টাকাপয়সা পায়, তা দিয়ে দেশের বাইরে চলে যাব। ঘটনার সময় বাড়ির সামনে চার পুলিশ সদস্য পাহারায় ছিলেন। এছাড়া সিকিউরিটি গার্ড ছিলেন আরও ৬ জন। তাদের চোখ ফাঁকি দিয়েই সন্ত্রাসীরা ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ডে গুলি ছুড়ে পালিয়ে গেছে।
