কৃষক লীগ নেতাকে কুপিয়ে তাঁর বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Rajshahi. Parties reported: AL, Individual. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
0
Summary
মোহনপুরে জমি সেচ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভাতিজার হামলায় আহত স্থানীয় কৃষক লীগ নেতা কামরুল হাসান মিঠু চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ২৭ মার্চ হামলার শিকার হওয়ার পর ২৮ মার্চ রাতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
76% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/03/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
কৃষক লীগ নেতাকে কুপিয়ে তাঁর বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ, হাসপাতালে মৃত্যু
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় কৃষক লীগের এক নেতাকে কোপানোর পর তাঁর বিরুদ্ধেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ অভিযোগ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই কৃষক লীগ নেতা মারা গেছেন। পুলিশ বলছে, থানায় গিয়ে যিনি অভিযোগটি করেছিলেন, তিনিই এই হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত। তাঁকে এখন আটক করার চেষ্টা চলছে। নিহত ব্যক্তির নাম কামরুল হাসান মিঠু (৪০)। তিনি মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়ন কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক। করিসা দুর্গাপুর গ্রামে তাঁর বাড়ি। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি জানাজানি হলে অভিযুক্ত মো. সাদ্দাম (২৮) আত্মগোপন করেছেন। তাঁর বাড়িও একই এলাকায়। তিনি সম্পর্কে নিহত ব্যক্তির ভাতিজা হন বলে জানিয়েছে পুলিশ। মোহনপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়ামিন আলী বলেন, শুক্রবার বিকেলে এলাকার মাঠে নিজের জমিতে সেচ দিচ্ছিলেন কামরুল হাসান। তখন প্লাস্টিকের পাইপ ফেটে কিছু পানি সাদ্দামের পেঁয়াজখেতে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি কামরুলকে কুপিয়ে আহত করেন। পরে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে রাতে কামরুল মারা যান। এসআই ইয়ামিন আলী বলেন, সাদ্দাম শনিবার সন্ধ্যায় থানায় গিয়ে মাথায় আঘাত দেখিয়ে কামরুলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। এই অভিযোগ করে আসার কয়েক ঘণ্টা পরই কামরুলের মৃত্যু হয়। এখন তাঁকে খোঁজা হচ্ছে। কিন্তু এলাকায় তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এসআই আরও বলেন, এ ব্যাপারে সাদ্দামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা হবে। আর রোববার রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে কামরুল হাসানের মরদেহের ময়নাতদন্তের পর স্বজনদের কাছে তা হস্তান্তর করা হবে।
