রাজধানীর খামারবাড়িতে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে আবার পোস্টার, দুই পক্ষের উত্তেজনা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

প্রবন্ধে পোস্টার‑লাগানো (বিনাশমূলক কাজ) এবং পোস্টার অপসারণে বিরোধী গোষ্ঠীর ধাওয়া বর্ণনা করা হয়েছে, যা সংজ্ঞা অনুযায়ী ‘বিনাশমূলক কাজ’ এবং রাজনৈতিক সংঘাতের অংশ, তাই এটি হিংসা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

Reported by:Ajker PatrikaSamakalCorroborated · 2 sources
05/10/26•Khamar Bari

Killed

0

Injured

0

Summary

সোমবার খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো হয় এবং পোস্টার অপসারণে ডিএই কর্মচারীদের ওপর এ্যাবের অনুসারীরা ধাওয়া দেয়। কোনো শারীরিক ক্ষতি বা আহতের রিপোর্ট নেই।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 2

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Law Enforcement

Other actors

তালহা জুবায়ের মাশরুরসাখাওয়াত হোসেনমুরাদুল হাসানআব্দুর রহিমশাহাদাত হোসেন

Affected infrastructure

কেআইবির সামনের দেয়ালমেট্রোরেলের পিলার

Tags

Party Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Law Enforcement

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 06/10/26open original ↗

বান্ধবীর বাসায় কেরোসিন ঢেলে আগুন, নিশার মৃত্যুর ঘটনায় দুজন গ্রেপ্তার

বান্ধবীর বাসায় কেরোসিন ঢেলে আগুন, নিশার মৃত্যুর ঘটনায় দুজন গ্রেপ্তার ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬ | ০০:১২ রাজধানীর বংশালে গায়ে কেরোসিন ঢেলে নিশা রানী (২৮) নামের এক নারীর আত্মহত্যার ঘটনায় এক নারীসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। নিশাকে মানসিকভাবে নির্যাতন ও আত্মহত্যায় প্ররোচিত করার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজন হলেন—মিনাক্ষী রানী (৩০) ও বিকি বাবু ওরফে শ্রী বিকি হেলা। গতকাল সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন। ফারুক হোসেন বলেন, গত ২ অক্টোবর সকালে বান্ধবী মিনাক্ষী রানীর সঙ্গে ঢাকেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিতে যান নিশা। সেখানে মিনাক্ষীর কথিত প্রেমিক বিকি বাবুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। পরে তারা একসঙ্গে মন্দির থেকে বের হয়ে নাস্তা করেন এবং রমনা কালী মন্দিরে যান। এ সময় মিনাক্ষী ও বিকি বাবুর ঘনিষ্ঠ আচরণকে কেন্দ্র করে নিশা মানসিকভাবে ক্ষুব্ধ হন। পরে নিশা ও মিনাক্ষী নিজ নিজ বাসায় ফিরে যান। পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, একই দিন বিকেলে মিনাক্ষীর স্বামী কর্মস্থল কুমিল্লার উদ্দেশে বাসা থেকে বের হন। সন্ধ্যা আনুমানিক পৌনে ৭টার দিকে বিকি বাবু মিনাক্ষীর বাসায় যান। বিষয়টি জানতে পেরে নিশাও সেখানে যান। সেখানে বিকি বাবু ও মিনাক্ষী তাদের সম্পর্কের মধ্যে বাধা দেওয়ার অভিযোগে নিশাকে গালমন্দ ও অপমানজনক কথাবার্তা বলেন। এতে নিশা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। পরে রাত আনুমানিক ৩টার দিকে তাদের সামনেই নিশা নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় নিশাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ অক্টোবর রাত ১টা ২৫ মিনিটে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বংশাল থানায় মামলা করা হয়। মামলার পর বংশাল থানা পুলিশ গোয়েন্দা তথ্য, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও প্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্তদের শনাক্ত করে। পুলিশ জানায়, গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বংশাল থানা এলাকা থেকে মিনাক্ষী রানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে সিরাজগঞ্জের ‘নাবিল হাইওয়ে হোটেল’ থেকে বিকি বাবু ওরফে শ্রী বিকি হেলাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Source 2: Ajker Patrika · 05/10/26open original ↗

রাজধানীর খামারবাড়িতে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে আবার পোস্টার, দুই পক্ষের উত্তেজনা

রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) তিন কর্মকর্তাকে ‘স্বৈরাচারের দোসর’ আখ্যা দিয়ে আবার পোস্টার লাগানো হয়েছে। আজ সোমবার খামারবাড়ি, কেআইবির সামনের দেয়াল ও মেট্রোরেলের পিলারে এ পোস্টার লাগানো হয়। এদিকে পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে।এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর একই রকম পোস্টার লাগানো হয়েছিল খামারবাড়ি এলাকায়। ডিএইর কর্মকর্তারা বলছেন, কৃষি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি গোষ্ঠী খামারবাড়িতে অপতৎপরতা চালাচ্ছে। এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে ডিএই প্রশাসন। আজ দুপুরে সরেজমিনে দেখা গেছে, জাতীয়তাবাদী সচেতন কৃষিবিদ সমাজের ব্যানারে সাঁটানো পোস্টারে ছবি রয়েছে ডিএইর টিস্যু কালচার প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (পিডি) তালহা জুবায়ের মাশরুর, উপপরিচালক (প্ল্যানিং) সাখাওয়াত হোসেন ও উপপরিচালক (প্রশাসন) মুরাদুল হাসানের। কৃষি খাত রক্ষার্থে তাঁদের অপসারণ দাবি করা হয়েছে পোস্টারে।সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে, আজ ভোরে পোস্টারগুলো লাগানো হয়েছে। পরে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডিএইর কয়েকজন কর্মচারী পোস্টারগুলো নামাতে গেলে কেআইবি থেকে কৃষিবিদের সংগঠন এগ্রিকালচারিস্ট এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এ্যাব) এক নেতার কয়েকজন অনুসারী তাঁদের ধাওয়া দেন। এ বিষয়ে জানতে এ্যাবের সদস্যসচিব কৃষিবিদ শাহাদাত হোসেন বিপ্লবকে মেসেজ ও কল দিয়েও সাড়া পাওয়া যায়নি।পোস্টারে প্রকল্প পরিচালক তালহা জুবায়ের মাশরুর সম্পর্কে বলা হয়, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ ও সাবেক কৃষিমন্ত্রী রাজ্জাকের ঘনিষ্ঠ অনুসারী তিনি। চব্বিশের ৪ আগস্ট শান্তি মিছিলে নেতৃত্বদানকারী ও অর্থদাতা, বিগত সময়ে জাতীয়তাবাদী কর্মকর্তাদের সম্পর্কে ফেসবুকে বিরূপ মন্তব্যকারী তিনি। তাঁর সম্পর্কে আরও বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুর দিন ফেসবুকে গান গেয়ে উল্লাস প্রকাশকারী কর্মকর্তা এখন টিস্যু কালচার, মিনি হিমাগারসহ একাধিক প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে নিয়ন্ত্রণ করছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। পোস্টারে উপপরিচালক সাখাওয়াত হোসেন সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি কখনোই ছাত্রদল ও বিএনপিপন্থী পেশাজীবী রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। ফ্যাসিস্ট সরকারের আস্থাভাজন হওয়ায় আওয়ামী লীগ আমলে এনএটিপি প্রকল্পের পিডি হয়েছিলেন।উপপরিচালক মুরাদুল হাসান সম্পর্কে পোস্টারে লেখা হয়েছে, সাবেক কৃষিমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর সময়ে জামায়াতপন্থী কৃষিবিদ ফোরামে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সাবেক পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী গাজী গোলাম দস্তগীরকে সোনার নৌকা উপহার দিয়েছিলেন।পোস্টারে মুরাদুল হাসান সম্পর্কে আরও বলা হয়, যাঁর বিগত ১৭ বছর আন্দোলন-সংগ্রামে কোনো ভূমিকা ছিল না, অথচ তিনিই এখন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সব বদলি ও গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন নিয়ন্ত্রণ করছেন।তবে মুরাদুল হাসান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টারে তোলা অভিযোগগুলো একেবারেই ভিত্তিহীন। তিনি শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন এবং কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্যও ছিলেন। সর্বশেষ ১৯৯৫ সালে ছাত্রদলের প্যানেলে শেরেবাংলা কৃষি বিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি।সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, কে বা কারা পোস্টার লাগিয়েছেন, তা এখনো শনাক্ত করা যায়নি। যাঁরা এ কাজ করেছেন, তাঁরা মোটেই ঠিক করেননি।