বন্ধের দিনেই ‘আগুন’ ঘিরে সন্দেহ
Why this classification
প্রতিবেদনে ২০২৬ সালের ৫ জুন রাতে বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ডিএইচএল কনটেইনারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে, যা তদন্তকারীরা পরিকল্পিত নাশকতা বলে সন্দেহ করছেন। কোনো হতাহত না হলেও এটি একটি ধ্বংসাত্মক অগ্নিসংযোগের ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ৫ জুন রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ডিএইচএলের একটি কনটেইনারে আগুন লাগে। তদন্তকারীরা এটিকে পরিকল্পিত নাশকতা বলে সন্দেহ করছেন; বড় ক্ষতি না হলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
75% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: DHL
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 05/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বন্ধের দিনেই ‘আগুন’ ঘিরে সন্দেহ
৮ মাসের ব্যবধানে কার্গো ভিলেজে ফের অগ্নিকাণ্ড বন্ধের দিনেই ‘আগুন’ ঘিরে সন্দেহ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আবারও আগুনের ঘটনা ঘটেছে হযরত শাহজালাল (রহ.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে। কঠোর নিরাপত্তা, সিসিটিভি নজরদারি ও সশস্ত্র প্রহরায় ঘেরা কেপিআইভুক্ত এ এলাকায় শুক্রবার রাতে আগুন লাগে। এতে বড় ধরনের ক্ষতি না হলেও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ইতোমধ্যে ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যে কনটেইনারে আগুন লাগে সেখানে থাকা পণ্য রোববার নিলামে তোলার কথা ছিল। নিলামের আগেই অগ্নিকাণ্ডের এমন ঘটনাকে তদন্তকারীরা গুরুত্বের সঙ্গে দেখছেন। এ ঘটনায় শনিবার সকাল থেকে অন্তত ৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ডিএইচএলের কয়েকজন কর্মীও রয়েছেন। শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এসএম রাগীব সামাদ বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। আগুনের উৎস এবং কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিস থেকে সহকারী পরিচালক (ঢাকা) মো. নজমুজ্জামানকে প্রধান করে ৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। ১০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেন, পুরো ঘটনাটি অত্যন্ত রহস্যজনক। আপাতদৃষ্টিতে মনে হচ্ছে এটি পরিকল্পিত নাশকতা। তাই কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যমতে, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে ৯ নম্বর গেটসংলগ্ন কুরিয়ার অপারেশন এলাকায় ডিএইচএলের একটি কনটেইনারে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানায়, আগুন লাগার স্থানে কনটেইনারের মাঝখানে স্তূপাকারে দেড়শ টনেরও বেশি মালামাল রাখা ছিল। নিয়ম অনুযায়ী সেখানে ২০ টনের বেশি মালামাল থাকার কথা নয়। তদন্তে আরও জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলটি সিসিটিভি ক্যামেরার সরাসরি নজরদারির বাইরে ছিল। কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টিত এলাকায় এমন একটি ‘ব্লাইন্ড স্পট’ থাকা তদন্তকারীদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসাবে দেখা দিয়েছে। ঘটনাস্থলের সামনে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটি ও কিছু তার পাওয়া গেলেও শর্টসার্কিটজনিত অগ্নিকাণ্ডের সাধারণ কোনো আলামত মেলেনি। আগুন লাগার সময় আশপাশের বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল স্বাভাবিক এবং আলোও নিভে যায়নি। ফলে বৈদ্যুতিক ত্রুটিকে তাৎক্ষণিকভাবে আগুনের কারণ হিসাবে নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। এদিকে ঘটনাস্থলের কাছ থেকে কয়েকটি সিগারেটের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। যদিও ওই এলাকায় ধূমপান সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, সিগারেট থেকে আগুনের সূত্রপাত হলে সাধারণত তা ধীরে ধীরে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শুক্রবারের ঘটনায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে বলে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তে উঠে এসেছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণে দেখা গেছে, আগুন লাগার সময় ঘটনাস্থলের কাছেই ডিএইচএলের এক কর্মী অবস্থান করছিলেন। তিনি সেখানে মশারি টাঙিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। আগুনের সূত্রপাতের পরও তিনি কিছু সময় ঘটনাস্থলে অবস্থান করেন। কিন্তু তিনি বিষয়টি অন্যদের পরে অবহিত করেন। তার অবস্থান, ভূমিকা ও ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কেও তদন্তকারীরা বিস্তারিত তথ্য বের করার চেষ্টা করছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কনটেইনারটিতে কাপড়ের রোল, কাগজজাত পণ্য, রাবার ও প্লাস্টিকসামগ্রীসহ বিভিন্ন ধরনের মালামাল ছিল। এসব পণ্য রোববার নিলামে তোলার কথা ছিল। কিন্তু নিলামের আগেই আগুন লাগার ঘটনায় সন্দেহ আরও বেড়েছে। এর আগে গত বছরের ১৮ শনিবার অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় বিপুল পরিমাণ পণ্য পুড়ে যায়। পরপর দুবার একই এলাকায় বন্ধের দিন রাতে আগুন লাগার ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিমান ও পর্যটনপ্রতিমন্ত্রী এম রাশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আপাতদৃষ্টিতে শর্টসার্কিট থেকে এ দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। কিন্তু শর্টসার্কিট হবে কেন? এর আগেও যেটা হয়েছিল। তিনি বলেন, আগুনের ঘটনা তদন্তে কারও গাফিলতি পেলে শক্ত অ্যাকশন নেওয়া হবে। এদিকে, ফায়ার সার্ভিসের তদন্ত কমিটির প্রধান জানিয়েছেন, আমরা শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কি কি মালপত্র পুড়েছে তার তালিকা তৈরির কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট কুরিয়ার সার্ভিসকেও তাদের পুড়ে যাওয়া মালামালের তালিকা দিতে বলা হয়েছে।
