ছুটি না পেয়ে প্রধান শিক্ষককে মারধর করলেন সহকারী শিক্ষক, তদন্ত কমিটি

AI-classifiedconfidence 74%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Shariatpur. Parties reported: Ali Asad Mia (Headmaster), Delowar Hossain (Assistant Teacher). Reported casualties: 0 killed and 1 injured. Reported by 1 source.

Reported by:Prothom AloJugantorCorroborated · 2 sources
02/07/26•Abbas Ali Government Primary School, Bhedarganj

Killed

0

Injured

1

Summary

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে ছুটি না দেওয়া এবং ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন এক সহকারী শিক্ষক। গত ২ জুলাই বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ মারধরের ঘটনা ঘটে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

74% · severity 2

Parties involved

Ali Asad Mia (Headmaster)Delowar Hossain (Assistant Teacher)

Tags

AttackBackdated

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 02/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Jugantor · 06/07/26open original ↗

ভেদরগঞ্জে সহকারী শিক্ষকের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত

আব্বাস আলী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভেদরগঞ্জে সহকারী শিক্ষকের হাতে প্রধান শিক্ষক লাঞ্ছিত Advertisement শরীয়তপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভেদরগঞ্জে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধর ও লাঞ্ছিতের অভিযোগ উঠেছে সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে। প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেওয়ায় বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ইতোমধ্যে এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে মারধর, শারীরিক লাঞ্ছনা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে সখিপুর থানা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী প্রধান শিক্ষক। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভেদরগঞ্জ উপজেলার ৮৭ নম্বর আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া। একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হিসাবে চাকরি করছেন দেলোয়ার হোসেন। অভিযোগ রয়েছে, সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়ে নিয়মিত দেরিতে আসেন এবং প্রায়ই কোনো কারণ ছাড়াই বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। বিষয়টি প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া তাকে একাধিকবার মৌখিকভাবে অবহিত করলেও তার আচরণে কোনো পরিবর্তন হয়নি। ২ জুলাই সকালে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষে দেলোয়ার হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির জন্য আবেদন করেন। ওইদিন উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার বিদ্যালয় পরিদর্শন এবং জরুরি সভা নির্ধারিত থাকায়, প্রধান শিক্ষক আসাদ তাকে ছুটি না নিয়ে বিদ্যালয়ে দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে দেলোয়ার হোসেন প্রধান শিক্ষকের গলা চেপে ধরেন এবং মাটিতে ফেলে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমার বাচ্চা অসুস্থ থাকায় আমি ছুটি চেয়েছিলাম, কিন্তু তিনি বলেন ছুটি দেওয়া যাবে না। বিরক্ত হয়ে হাতাহাতি হয়ে যায় তখন মাথা ঠিক ছিল না।

Source 2: Prothom Alo · 05/07/26open original ↗

ছুটি না পেয়ে প্রধান শিক্ষককে মারধর করলেন সহকারী শিক্ষক, তদন্ত কমিটি

শরীয়তপুর জেলার মানচিত্র শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়াকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। প্রধান শিক্ষক ছুটি না দেওয়ায় গত বৃহস্পতিবার বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুবকর সিদ্দিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া। পরে ইউএনওর পক্ষ থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি হয়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের মে মাসে প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন আলী আসাদ মিয়া। তার আগে ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে বিদ্যালয়ে যোগ দেন সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন। ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ চলছিল। এর মধ্যে সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনকে পাশের ছুরিরচর বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছয় মাসের জন্য প্রেষণে পাঠানো হয়েছিল। পরে চলতি বছরের জানুয়ারিতে আবার তিনি আব্বাস আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিরে আসেন। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে ঢুকে ছুটির আবেদন করেন দেলোয়ার হোসেন। প্রধান শিক্ষক তাঁকে ছুটি দিতে আপত্তি জানালে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে দেলোয়ার হোসেন প্রধান শিক্ষককে মারধর করেন। পরে অন্য শিক্ষকেরা পরিস্থিতি শান্ত করেন। ছড়িয়ে পড়া ১ মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষক আরও ছয় শিক্ষক ও অফিস সহকারীকে নিয়ে নিজের কক্ষে কাজ করছিলেন। তখন সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন নিজের শিশুসন্তান নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করে একটি চেয়ারে বসেন। কিছুক্ষণ পর প্রধান শিক্ষক তাঁর চেয়ার থেকে উঠে জানালার কাছে দাঁড়ান। তখন দেলোয়ার হোসেন দাঁড়িয়ে তাঁকে মারধর করেন। এ সময় অন্য শিক্ষকেরা তাঁদের নিবৃত্ত করেন। এরপর প্রধান শিক্ষক কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান। তখন দেলোয়ার হোসেন কক্ষের চেয়ার ও কাগজপত্র ছুড়ে ফেলেন। জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আলী আসাদ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওই শিক্ষক নানা অজুহাতে স্কুল ফাঁকি দিতেন। বিভিন্ন ধরনের অশালীন আচরণ করতেন। যার কারণে তাঁকে ছয় মাসের জন্য অন্য একটি স্কুলে প্রেষণে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সে ছুটি চেয়েছিল। কিন্তু ওই দিন বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিয়ে এটিও স্যারের (থানার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা) মিটিং করার কথা ছিল। তাই তাঁকে ছুটি দেওয়া হবে না বলেছিলাম। তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি আমাকে মারধর করেন।’ অভিযোগের বিষয়ে সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক আমার সংসার ভেঙে তছনছ করে দিয়েছেন। তাঁর কারণে আমার স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছে। শিশুসন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। আমার ৫ বছর বয়সী ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়লে তার চিকিৎসার জন্য ছুটি চেয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ছুটি দিচ্ছিলেন না। তখন মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। তাই তাঁর সঙ্গে এমন আচরণ করেছি।’ উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আল মুজাহিদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘দুই শিক্ষকের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ পেয়ে সরেজমিন তদন্ত করেছি। এখন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে প্রতিবেদন দেওয়া হবে।’ ভেদরগঞ্জের ইউএনও আবুবকর সিদ্দিক প্রথম আলোকে বলেন, শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় একটি অভিযোগ তিনি পেয়েছেন। তাঁরা তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে মহাপরিচালকের কাছে সুপারিশ করা হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন মারধরঢাকা বিভাগশিক্ষকবিদ্যালয়ভেদরগঞ্জশরীয়তপুর