লোহাগাড়ায় নামাজ পড়তে এসে শিশু মারধরের শিকার
Why this classification
This is a single, concrete incident from Friday 1 May 2026 in which a child was beaten in an office room over an accusation of stealing money from a donation box, and he was injured. The article also reports that the child's family was prevented from taking him to hospital, but no new violence is reported beyond the beating itself.
Killed
0
Injured
1
Summary
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় হেফজখানার দানবাক্স থেকে টাকা চুরির অভিযোগ তুলে ১ মে ২০২৬ (শুক্রবার) এক শিশুকে ডেকে নিয়ে হেফজখানার পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল অফিস কক্ষে মারধর করেন। অভিযোগ রয়েছে, আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে সোহেলের পরিবারের সদস্যরা বাধা দিয়ে শিশুকে বাড়ি ফেরত পাঠান।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 01/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
লোহাগাড়ায় নামাজ পড়তে এসে শিশু মারধরের শিকার
লোহাগাড়ায় নামাজ পড়তে এসে শিশু মারধরের শিকার চিকিৎসা নিতেও বাধা Advertisement লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ লোহাগাড়ায় হেফজখানার দানবাক্স থেকে টাকা চুরির অপবাদ দিয়ে এক শিশুকে ডেকে নিয়ে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে আহত শিশুকে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে অভিযুক্তের পরিবারের বিরুদ্ধে। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের বনপুকুর রোসাঈাঘোনা আউলিয়ার জামে মসজিদের পাশে মুহাম্মদিয়া হেফজখানার অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। আহত শিশু তানজিম এহসান তামিম লোহাগাড়ার চুনতি বনপুকুর এলাকার হাটখোলা মোরার বাসিন্দা। শিশুর বাবা মো. নেজাম উদ্দিন বলেন, শুক্রবার জুমার নামাজ পড়তে আউলিয়া জামে মসজিদে যান তামিম। যাওয়ার পথে হেফজখানার দানবাক্স থেকে টাকা চুরির অভিযোগ তুলে কয়েকজন ছাত্র দিয়ে হেফজখানার পরিচালক মুহাম্মদ সোহেল ওই শিশুকে ডেকে নেন। পরে তাকে অফিস কক্ষে মারধর করেন। এমনকি আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পথে গতিরোধ করে তাদের বাড়ি পাঠিয়ে দেন সোহেলের পরিবারের সদস্যরা। ওসি আব্দুল জলিল বলেন, এ ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
