সুহৃদের সহায়তায় তৈরি বাঁশিওয়ালার দোকানে মাদকাসক্তের হানা
Why this classification
A local drug addict, Ratan, deliberately poured petrol and set fire to the shop of an elderly flute seller, Rahmat Ali, on 23 May 2026. He acted after Rahmat Ali objected to drug use and arguing in front of his shop, and the fire destroyed goods and damaged the shop. This is a single, concrete arson incident within the recent 14-day window in Bangladesh.
Killed
0
Injured
0
Summary
ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া রেলস্টেশনের কাছে মাদকাসক্ত রতন পেট্রোল ঢেলে প্রবীণ বাঁশিওয়ালা রহমত আলীর দোকানে আগুন ধরিয়ে দেয়। মাদক নিয়ে ঝগড়ায় নিষেধ করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ২৩ মে ২০২৬ তারিখে এই ঘটনা ঘটায়, এতে মালপত্রসহ দোকানের ক্ষতি হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
92% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 23/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
সুহৃদের সহায়তায় তৈরি বাঁশিওয়ালার দোকানে মাদকাসক্তের হানা
সুহৃদের সহায়তায় তৈরি বাঁশিওয়ালার দোকানে মাদকাসক্তের হানা ঈশ্বরদীর প্রবীণ বাঁশিওয়ালা রহমত আলীর পোড়া দোকানের সামনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সুহৃদ ও স্থানীয়রা সেলিম সরদার প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬ | ০৬:১৬ | প্রিন্ট সংস্করণ ঈশ্বরদীর প্রবীণ বাঁশিওয়ালা রহমত আলী পথে পথে বাঁশিতে সুর তুলে জীবিকা নির্বাহ করতেন। ৮০ বছরের এই হতদরিদ্র বাঁশিওয়ালার কষ্ট লাঘব করতে তিন বছর আগে ঈশ্বরদীর সুহৃদরা একটি দোকান ঘর তৈরি করে তাঁর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন। এখন রহমত আলীর জীবন চলে সেই দোকানের আয়ে। তাঁকে আর পথে পথে ঘুরে বাঁশি বাজিয়ে সংসারের ঘানি টানতে হয় না। তাঁর বাঁশিতে উঠে নতুন সুর। সুহৃদদের এ উদ্যোগে রহমত আলীর জীবনের চাকা ঘুরে যায়। এলাকাবাসীও খুশি ছিলেন এ উদ্যোগে। সেই রহমত আলীর দোকানের সামনে গত শনিবার মাদক নিয়ে ঝগড়ায় জড়ায় স্থানীয় মাদকসেবী মো. রতন। মাদক নিয়ে ঝগড়া করতে নিষেধ করায় পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে পুড়িয়ে দেয় তাঁর দোকানটি। পাবনায় ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া রেলস্টেশনের পাশে রহমত আলীর দোকানে স্থানীয় মাদকাসক্ত বখাটে মো. রতন প্রকাশ্যে আগুন ধরিয়ে দেয়। আগুনে মালপত্রসহ দোকান পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রতন দাশুড়িয়ার হঠাৎপাড়া গ্রামের আঙ্গুর রহমানের ছেলে। ঘটনার আকস্মিকতায় স্থানীয়রা সবাই মিলে দ্রুত আগুন নিভিয়ে দিলে দোকানের বাকি অংশ রক্ষা পেলেও মালপত্র পুড়ে যায় বলে জানান তিনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার দুপুরে রহমত আলীর দোকানের সামনে রতন মাদক নিয়ে তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া করছিল। এ সময় দোকানের সামনে এভাবে ঝগড়া ও মাদক নিয়ে কথাবার্তা বলতে রহমত আলী তাঁকে নিষেধ করেন। রহমত আলীর কথায় ক্ষুব্ধ হয়ে তাঁকে ‘দেখে নেওয়া’র হুমকি দিয়ে তখন চলে গেলেও পরদিন দুপুরে প্রকাশ্যে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয় রতন। খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী রতনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। ঘটনাস্থলে এসে দাশুড়িয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তুহিন বলেন, অপরাধী যেই হোক না কেন তাঁর বিচার করতে হবে। ঈশ্বরদী থানার ওসি আশাদুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সুহৃদরা উদ্যোগ নিয়ে ২০২৩ সালে তাঁকে দাশুড়িয়া রেলস্টেশনের কাছে একটি দোকান ঘর তৈরি করে জিনিসপত্র কিনে দেন। সুহৃদরা ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানোর পাশাপাশি আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন। সমন্বয়ক, সুহৃদ সমাবেশ, ঈশ্বরদী - বিষয় : - সুহৃদ সমাবেশ
