‘আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে’

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

নিখোঁজ শিশুর মরদেহ উদ্ধার এবং মুক্তিপণ দাবির ঘটনা একটি হত্যা, যা সহিংস ঘটনা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।

Reported by:Dhaka PostJugantorCorroborated · 2 sources
20/06/26•উপজেলা পরিষদ পুকুর, সখীপুর

Killed

1

Injured

0

Summary

সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টায় টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর ৮ বছরের শিশু সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের দাবি, রবিবার রাতে মুক্তিপণ দাবি করে ফোন করা হয়েছিল।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

ফালু চন্দ্র মালু (নিহতের বাবা)সখীপুর থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন

Tags

MurderExtortion

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Dhaka Post · 22/06/26open original ↗

‘আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে’

টাঙ্গাইলের সখীপুরে নিখোঁজের দুই দিন পর সেঁজুতি (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২২ জুন) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সেঁজুতি সখীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের মন্দিরপাড়া এলাকার ফালু চন্দ্র মালুর মেয়ে। সে সখীপুর আদর্শ শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। জানা গেছে, ২০ জুন বিকেল ৪টার পর থেকে সেঁজুতি নিখোঁজ হয়। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য বিভিন্নস্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় শনিবার রাতেই শিশুটির বাবা ফালু চন্দ্র সখীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরিবারের একাধিক সদস্যের দাবি, রোববার রাতে তাদের কাছে একটি ফোনকল আসে, যেখানে সেঁজুতিকে ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সোমবার সকালে স্থানীয়রা উপজেলা পরিষদ পুকুরে একটি শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। নিহত সেঁজুতির বাবা ফালু চন্দ্র মালু বলেন, “আমার ছোট্ট মেয়েটিকে মেরে পুকুরে ফেলে রেখেছে। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই।” সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন বলেন, নিখোঁজের দুই দিন পর উপজেলা পরিষদ পুকুর থেকে সেঁজুতির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। আরিফুল ইসলাম/আরকে

Source 2: Jugantor · 25/06/26open original ↗

মধুপুরে মাদ্রাসায় ফের ছাত্রকে যৌন নির্যাতন

মধুপুরে মাদ্রাসায় ফের ছাত্রকে যৌন নির্যাতন শিক্ষক আটক Advertisement মধুপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মধুপুরে ফের মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মাদ্রাসার এক ছাত্রকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তাকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। অভিযুক্ত মাওলানা হাবিবুর রহমান হাবিবের বাড়ি গোলাবাড়ী ইউনিয়নের লোকদেও গ্রামে ও মধুপুর পৌর শহরের মালাউড়ীস্থ সৈয়দা জাহানারা মাদানি নেসাব কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক। জানা যায়, কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, হাবিবুর রহমান দীর্ঘদিন তাদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণ করে আসছিলেন। এসব অভিযোগে অতিষ্ঠ হয়ে শিক্ষার্থীরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে হাতেনাতে ধরার চেষ্টা চালায়। এদিকে মাত্র এক সপ্তাহ আগে উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের মহিষবাথান এলাকার দারুল উলুম নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক সোহেলও একই ধরনের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হন। স্থানীয় এক অভিভাবক বলেন, এক মাসের মধ্যে একই ধরনের একাধিক ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ওসি একেএম ফজলুল হক বলেন, হঠাৎ করে মধুপুরে এ ধরনের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়া উদ্বেগের বিষয়। সংশ্লিষ্ট সবাইকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করতে হবে।