ভাঙ্গা থানার কৃষক দল নেতাকে মারধর প্রতিবাদে মানববন্ধন
Why this classification
A police sub-inspector beat Faridpur's Bhanga upazila Krishak Dal joint general secretary Ferdin Hasan Ujjal inside the police station on Monday night, 8 June 2026, and he had to be admitted to hospital. This is a specific, real physical attack with a confirmed injury, so it counts as violence.
Killed
0
Injured
1
Summary
ভাঙ্গা থানায় প্রতিবেশী আপন মাতুব্বরকে দেখতে গেলে উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারদিন হাসান উজ্জ্বল উপ-পরিদর্শক মো. কবির মোল্লার মারধরের শিকার হন। গত ৮ জুন (সোমবার রাতে) ঘটা এই ঘটনার প্রতিবাদে ৯ জুন কৃষকদল ও বিএনপির নেতারা মানববন্ধন ও মিছিল করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 08/06/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
চাঁদা না পেয়ে কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে জখম, হোটেল ভাঙচুর
ফরিদপুর শহরের হাজী শরীয়তুল্লাহ বাজারে চাঁদা না পেয়ে আমিন শরীফ (৫৫) নামে এক ব্যবসায়ী ও কৃষকদল নেতাকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে সন্ত্রাসীরা। আমিন শরীফ ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সহ-সভাপতি এবং শরীয়তুল্লা বাজারের আবাসিক হোটেল সিটি গার্ডেনের মালিক। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত আমিন শরীফ বর্তমানে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ঘটনায় রোববার রাতেই তার ছেলে মো. সরোয়ার শরীফ বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হোটেল সিটি গার্ডেনের দ্বিতীয় তলার কাউন্টারে প্রবেশ করে। তারা আমিন শরীফের কাছে এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় সন্ত্রাসীরা হোটেলের আসবাবপত্র ও সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতিসাধন করে। হামলার একপর্যায়ে সন্ত্রাসীরা তাকে হোটেলের চতুর্থ তলার ছাদে নিয়ে যায়। সেখানে ১ নম্বর আসামি তমাল চাপাতি দিয়ে আমিন শরীফের মাথায় কোপ দেওয়ার চেষ্টা করলে তিনি হাত দিয়ে ঠেকান। এতে তার বাম হাতের কবজি ও বাহু গুরুতর জখম হয়। ২ নম্বর আসামি মাহমুদ ছ্যানদা দিয়ে কোপ দিলে তার বাম হাতের কনুইয়ের ওপরে জখম হয়। অন্য সহযোগীরা তাকে রড ও পাইপ দিয়ে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্নস্থানে নীলাফুলা জখম করে। যাওয়ার সময় তারা পকেট থেকে নগদ ২৫ হাজার ৫০০ টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং দাবি করা চাঁদার টাকা না দিলে তাকে খুনের হুমকি দেয়। ফরিদপুর মহানগর কৃষকদলের সভাপতি অ্যাডভোকেট মামুন অর রশিদ মামুন এই নৃশংস হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, নিজের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে আমিন শরীফকে পরিকল্পিতভাবেহত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। মামলায় শহরের আলিপুর পাকিস্তান পাড়া এলাকার মৃত হিরু কসাইয়ের দুই ছেলে তমাল (৩০) ও মাহমুদকে (৩৫) নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৪-৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা চিহ্নিত চাঁদাবাজ এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, মহানগর কৃষকদল নেতার ওপর হামলার ঘটনায় একটি এজাহার পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জহির হোসেন/আরকে
ভাঙ্গা থানার কৃষক দল নেতাকে মারধর প্রতিবাদে মানববন্ধন
প্রিন্ট: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২০ এএম Advertisement Advertisement ভাঙ্গা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আরও পড়ুন Advertisement ভাঙ্গায় এক কৃষক দল নেতাকে থানার মধ্যে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে উপ-পরিদর্শক (এসআই) কবির মোল্লার বিরুদ্ধে। আহত ওই নেতার নাম ফারদিন হাসান উজ্জ্বল, তিনি ভাঙ্গা উপজেলা কৃষকদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার ভাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডে এক মানববন্ধন ও মিছিল করেছেন উপজেলা কৃষকদল ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। বক্তারা জানান, সোমবার রাতে ভাঙ্গা উপজেলা কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারদিন হাসান উজ্জ্বলের প্রতিবেশী আপন মাতুব্বরকে একটি অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তাকে দেখতে ও খোঁজ নিতে থানায় গেলে ভাঙ্গা থানা পুলিশের এসআই মো. কবির মোল্লা উজ্জ্বলকে মারধর করেন। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তসহ এসআই মো. কবির মোল্লার শাস্তি ও প্রত্যাহারের দাবি জানান তারা। Advertisement সম্পর্কিত খবর Advertisement Advertisement Ad Advertisement Ad Advertisement Advertisement Advertisement
