পুলিশের সামনেই গ্রাহকদের পেটালেন পাম্পকর্মীরা

AI-classifiedconfidence 85%

Why this classification

Pump workers, joined by local men, attacked customers who were waiting for fuel at Rahim Filling Station in Natore on 18 April 2026, and at least two customers were injured in the fight. The incident is a real, recent physical assault, so it counts as violence.

Reported by:Dhaka PostSingle source
18/04/26•Rahim Filling Station, Harishpur area, Natore town

Killed

0

Injured

2

Summary

নাটোর শহরের হরিশপুর এলাকার রহিম ফিলিং স্টেশনে ১৮ এপ্রিল (শনিবার) বিকেলে তেল না পেয়ে বিক্ষুব্ধ বাইকাররা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে পাম্পকর্মীরা স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে গ্রাহকদের ওপর হামলা চালালে অন্তত দুইজন আহত হন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

85% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Pump station workers (Rahim Filling Station)Sakib (son of station owner and station director)OC (Investigation), Natore Sadar Thana, Md. Saiful Islam

Affected infrastructure

Fuel station (Rahim Filling Station)

Tags

ExtortionParty Clash

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 18/04/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Dhaka Post · 18/04/26open original ↗

পুলিশের সামনেই গ্রাহকদের পেটালেন পাম্পকর্মীরা

নাটোরে সারাদিন অপেক্ষা করেও জ্বালানি তেল না পেয়ে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন বিক্ষুব্ধ গ্রাহকরা। অবরোধ চলাকালে পাম্প কর্তৃপক্ষের সাথে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে স্থানীয়দের সাথে নিয়ে গ্রাহকদের ওপর হামলা চালায় পাম্পকর্মীরা। এতে অন্তত দুইজন গ্রাহক আহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে নাটোর শহরের হরিশপুর এলাকার মেসার্স রহিম ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল থেকেই পাম্পটিতে ফুয়েল কার্ড যাচাই সাপেক্ষে গ্রাহকদের তেল সরবরাহ করা হচ্ছিল। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে শত শত মোটরসাইকেল চালক তেলের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। বিকেল ৫টায় তেল সরবরাহের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার কথা থাকলেও তখনও লাইনে অনেক গ্রাহক অপেক্ষায় ছিলেন। পাম্প কর্তৃপক্ষ হঠাৎ তেল দেওয়া বন্ধের ঘোষণা দিলে উপস্থিত বাইকাররা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। এরই প্রতিবাদে বিকেল সাড়ে ৫টার পর ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা পাম্পের সামনের ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেন। এতে রাস্তার দুই পাশে যানজটের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গ্রাহকদের তেল পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিলে প্রায় ৩০ মিনিট পর তারা অবরোধ তুলে নেন। তবে অবরোধ প্রত্যাহারের পর পুলিশের উপস্থিতিতেই পাম্প কর্তৃপক্ষ পুনরায় জানিয়ে দেয় তারা আর তেল দেবে না। এ নিয়ে গ্রাহকদের সাথে পাম্প কর্মীদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পাম্প কর্মীরা স্থানীয় কিছু লোকজনকে সাথে নিয়ে গ্রাহকদের ওপর হামলা চালায়। দুই পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তি ও মারপিটে দুইজন গ্রাহক আহত হন। এ ঘটনায় আহত দুই গ্রাহকের পরিচয় জানা যায়নি। এ বিষয়ে রহিম ফিলিং স্টেশনের মালিকের ছেলে ও ফিলিং স্টেশনের পরিচালক সাকিব জানান, সকাল থেকেই ফুয়েল কার্ডের মাধ্যমে তেল দেওয়া হবে- এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে বাইকারদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। অনেকেই কার্ড ছাড়াই তেল নিতে চান। জেলা প্রশাসনের নির্ধারিত সময় পার হওয়ার পরও কিছু বাইকার তেল নেওয়ার চেষ্টা করেন। তেল না দেওয়ায় তারা সড়ক অবরোধ করেন। একপর্যায়ে এক বাইকার উপস্থিত এক বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে গালিগালাজ করলে উভয়ের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় পাম্প কর্তৃপক্ষের কেউ জড়িত নয় বলে দাবি করেন তিনি। নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ফিলিং স্টেশনটি সড়কের পাশে হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই সেখানে রাস্তায় ভিড় হয়। নির্ধারিত সময়ের পর তেল নিতে চাওয়াকে কেন্দ্র করে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। আশিকুর রহমান/আরএআর