অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article describes a concrete kidnapping and gang rape that occurred on 9 June 2026 in Dinajpur, with identified perpetrators and a police arrest, meeting the violence definition and falling within the 14‑day recency window.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
09/06/26•পূর্ব বাহিয়াল পালশা গ্রাম

Killed

0

Injured

0

Summary

গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে হুমায়ুন কবির ও সাকিরুল ইসলামসহ চারজন লোক অটোরিকশায় তুলে নিয়ে পালশা গ্রামের সাকিরুলের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করে। পুলিশ দ্রুত সাকিরুলকে গ্রেফতার করেছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 7

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

সাকিরুল ইসলামহুমায়ুন কবিরঅনিক মিয়াসাব্বির মিয়াস্বপন কুমার সরকার

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 09/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 05/10/26open original ↗

গৃহবধূকে তিন দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণ

গৃহবধূকে তিন দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণ প্রতীকী ছবি হাকিমপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | ২২:৩৯ দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় ধারের টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে এক গৃহবধূকে তিন দিন আটকে রেখে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ রুহুল আমিন (৪২) ও শুকুর আলী (৫২) নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে। মামলার আরও দুই আসামি পলাতক রয়েছেন। আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেন হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী নারীর কাছ থেকে রুহুল আমিন সাত হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। টাকা ফেরত চাইলে রুহুল আমিন টালবাহানা করতে থাকেন। গত ৩০ সেপ্টেম্বর বিকেলে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলে ওই নারীকে একটি ফাঁকা বাড়িতে ডেকে নেন তিনি। অভিযোগে আরও বলা হয়, ফাঁকা বাড়িতে রুহুল আমিন ওই নারীকে ধর্ষণ করেন এবং মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করেন। পরে চেতনানাশক মিশ্রিত পানীয় খাইয়ে তাঁকে অচেতন করে শুকুর আলীসহ আরও দুজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। ভুক্তভোগী নারী জ্ঞান ফিরে পেয়ে বাধা দিলে অভিযুক্তরা ধারণ করা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেন। পরে তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই বাড়িতে প্রায় তিন দিন আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। গত শনিবার রাতে আবারও ধর্ষণের চেষ্টা করা হলে আশপাশের মানুষ টের পেয়ে রুহুল আমিন ও শুকুর আলীকে আটকে পুলিশে সোপর্দ করেন। বাকি দুজন পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। হাকিমপুর থানার ওসি বাদশা আলম বলেন, চারজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য রোববার দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অন্য অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মাদ্রাসায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি জানান, ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় একটি মাদ্রাসায় এক ছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। আজ ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক আবু সাঈদ পলাতক রয়েছেন। শিশুটি (৯) ওই মাদ্রাসার হেফজখানায় থাকত। ভুক্তভোগীর বাবা জানান, তিনি গত শনিবার রাতে পারিবারিক কাজে নান্দাইল সদরে যান। কাজ শেষে মাদ্রাসায় যান ছেলেকে দেখতে। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান তাঁর ছেলে অসুস্থ। পরে তিনি ছেলেকে নিয়ে বাড়ি ফেরেন। রাতে ছেলের পায়ুপথ দিয়ে রক্ত বের হতে শুরু করে। এ সময় সে তার মায়ের কাছে শিক্ষকের যৌন নির্যাতনের কথা বলে দেয়। ভুক্তভোগীর বাবা আরও জানান, তাঁর ছেলে তাদের জানিয়েছে, শিক্ষক আবু সাইদ তাকে বেশ কয়েক দিন বেদম মারধর করেছেন। গত শনিবার তাকে মাদ্রাসার একটি বাথরুমে নিয়ে জোর করে যৌন নির্যাতন করেন। বাধা দিলেও শিক্ষক তাতে কর্ণপাত না করে ঘটনাটি কারও কাছে বললে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। যোগাযোগ করলে মাদ্রাসার পরিচালক আনোয়ার হোসেন বিল্লাল বলেন, ঘটনাটি জানার পর উভয় পক্ষকে নিয়ে সুরাহার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়ভাবেও বিষয়টির মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নান্দাইল মডেল থানার ওসি আজহারুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। - বিষয় : - দিনাজপুর - দলবদ্ধ ধর্ষণ

Source 2: Jugantor · 12/06/26open original ↗

অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

অটোরিকশায় তুলে নিয়ে ছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ গোবিন্দগঞ্জে যুবক গ্রেফতার Advertisement গাইবান্ধা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ গোবিন্দগঞ্জে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী অপহরণের পর দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাকিরুল ইসলামকে (২৪) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকালে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। মামলা সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কামদিয়া কোচিং সেন্টার থেকে ফেরার পথে কামদিয়া দ্বি-উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই শিক্ষার্থীকে একই শ্রেণির ছাত্র ও কামদিয়ার হারুণ অর রশিদের ছেলে হুমায়ুন কবির (১৮) ও তার সঙ্গীরা একটি অটোরিকশায় জোর করে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার পালশা ইউনিয়নের পূর্ব বাহিয়াল পালশা গ্রামের সাকিরুল ইসলামের বাড়িতে যায়। সেখানে হুমায়ুন ও সাকিরুল ছাড়াও কামদিয়ার অনিক মিয়া (১৮) ও সাব্বির মিয়া (১৯) দলবদ্ধভাবে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ করে আটকে রাখে। সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে এসে শিক্ষার্থী তার বাবাকে সব ঘটনা খুলে বললে তিনি থানায় ৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। দুপুরেই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষক সাকিরুলকে গ্রেফতার করে। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়। গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার (তদন্ত) স্বপন কুমার সরকার বলেন, অভিযোগের প্রেক্ষিতে সাকিরুলকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং নির্যাতিতাকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।