জবির আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে বিরোধীদলীয় নেতা
Why this classification
The article reports a physical clash between student activists of Jamaat (Shibir) and BNP (Chhatra Dal) at Jagannath University, resulting in multiple injuries.
Killed
0
Injured
5
Summary
২০২৬ সালের ৪ আগস্ট জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
95% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 5
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Jamaat
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 04/08/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
‘উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই এসব হামলার ঘটনা ঘটছে’
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডারকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) সহসভাপতি (ভিপি) রিয়াজুল ইসলাম। বুধবার (৫ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির আয়োজিত ছাত্র গণজমায়েত শেষে প্রতিবাদী মিছিলে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ অভিযোগ করেন। রিয়াজুল ইসলাম বলেন, গত কয়েকদিন ধরে ছাত্রদল দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পের প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার টেন্ডার আত্মসাতের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীদের ওপর ন্যাক্কারজনক হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জুলাই-পরবর্তী বাংলাদেশে আমরা আর কোনো টেন্ডারবাজ বা সন্ত্রাসী ছাত্রসংগঠনের রাজনীতি দেখতে চাই না। শিক্ষার্থীদের ধৈর্যের পরীক্ষা নেওয়া হলে এর পরিণতি ভালো হবে না।’ এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এস এম ফরহাদ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ক্ষমতার বাইরে থাকার পরও ছাত্রদল এখন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সুবিধা নিতে না পেরে হতাশ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের ১০ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের টেন্ডারকে কেন্দ্র করেই এসব হামলার ঘটনা ঘটছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়ে এস এম ফরহাদ বলেন, ছাত্রদলের সহিংস কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করা না হলে ভবিষ্যতে এর রাজনৈতিক পরিণতি নেতিবাচক হবে। তিনি অভিযোগ করেন, সম্প্রতি হাসপাতালে হামলা, রোগী ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের ওপর হামলার মতো ঘটনাও ঘটেছে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর আগে মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস সংক্রান্ত তিন দফা দাবিতে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শনকে কেন্দ্র করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে জকসু, ছাত্রশিবির, ছাত্রশক্তি, ছাত্রফ্রন্ট ও ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের সঙ্গে শাখা ছাত্রদলের সংঘর্ষ হয়। পরে সংঘর্ষ ক্যাম্পাস থেকে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ৭০ জনের বেশি আহত হন। একই দিন ঢাকা কলেজ ও ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসায়ও ছাত্রদল শিবিরের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। এমএল/এসএম
জবির আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে বিরোধীদলীয় নেতা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাস–সংক্রান্ত দাবিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের দেখতে হাসপাতালে গেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (৫ আগস্ট) দুপুরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে আহত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) নেতাদের ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। হাসপাতালে তিনি আহত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের চিকিৎসার অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজ নেন। চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও আলোচনা করেন। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, গত কয়েক দিনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসা, ঢাকা কলেজ ও বাংলা কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এসব হামলায় ছাত্রশিবিরের বহু নেতাকর্মী আহত হয়েছেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে নির্বাচিত জিএসসহ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছেন। হামলার ধরনকে তিনি ‘ফ্যাসিবাদী কায়দার’ সঙ্গে তুলনা করে বলেন, আহতদের হাসপাতালে গিয়েও হামলার শিকার হতে হয়েছে। জামায়াত আমির আরও বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো ভুক্তভোগীদের হয়রানি করা হলে জনগণ ভুল বার্তা পাবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সহিংসতা বন্ধ, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ এবং সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। এ সময় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম, সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ, ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতারা এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় ও শাখা পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর, অস্থায়ী আবাসনের পরিবর্তে স্থায়ী আবাসন নির্মাণ এবং চিকিৎসাসেবার উন্নয়ন এই তিন দাবিতে কয়েকজন শিক্ষার্থী প্ল্যাকার্ড হাতে কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের বাইরে অবস্থান নেন। পরে তারা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশের চেষ্টা করলে প্রক্টরিয়াল টিম বাধা দেয়। এ সময় সেখানে উপস্থিত শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। এ ঘটনায় জকসুর স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। সংঘর্ষে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আলিম আরিফ, ছাত্রশক্তির সভাপতি শাহিন মিয়া, ছাত্রফ্রন্টের সভাপতি ইভান তাহসিভসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। এমএল/বিআরইউ
