ফরিদপুরে লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, বাড়িতে লুট
Why this classification
This incident was classified as criminal violence in Pabna. Parties reported: Family of Azizul Mollah, Family of Mosharraf Munshi. Reported casualties: 1 killed and 1 injured. Reported by 1 source.
Killed
1
Injured
1
Summary
ফরিদপুরের সালথায় লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে ১৩ মে ২০২৬ তারিখে আজিজুল মোল্যা নামে এক বাগানমালিককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনার জেরে উত্তেজিত জনতা অভিযুক্তদের অন্তত পাঁচটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
74% · severity 8
Parties involved
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 13/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
ফরিদপুরে লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যা, বাড়িতে লুট
ফরিদপুরের সালথায় লিচু পাড়াকে কেন্দ্র করে আজিজুল মোল্যা (৬৫) নামে এক বাগানমালিককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িঘরসহ কয়েকটি বাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বল্লভদি ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত আজিজুল মোল্যা উপজেলার ফুলবাড়িয়া গ্রামের গুপিনগরপাড়ার মৃত মান্নান মোল্যার ছেলে। স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, আজিজুল মোল্যার লিচুর বাগান থেকে পার্শ্ববর্তী সোনাপুর ইউনিয়নের চরবাংরাইল গ্রামের মোশারফ মুন্সীর দুই ছেলে সাকিল মুন্সী ও তুষার মুন্সী লিচু পেড়ে খায়। বিষয়টি দেখে আজিজুলের ছেলে আকরাম মোল্যা তাদের বাধা দেন এবং তাদের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে এ ঘটনার জেরে ফুলবাড়িয়া বাজারে আকরাম মোল্যা গেলে তার ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। ছেলেকে মারধরের খবর পেয়ে সন্ধ্যায় বাজারে যান আজিজুল মোল্যা। সেখানে তিনি ঘটনার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা তার ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ রয়েছে, সাকিল ও তুষার মুন্সীসহ কয়েকজন তাঁকে বাঁশ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা উদ্ধার করে তাঁকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে রাত ৯টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।এ ঘটনায় রাতেই দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে অভিযুক্ত সাকিলদেরসহ অন্ততপক্ষে পাঁচটি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে প্রতিপক্ষ। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে সালথা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, ‘একটি পরিবারের সঙ্গে আরেকটি পরিবারের মারামারির ঘটনায় ওই বৃদ্ধ মারা যায়। কিন্তু এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে গ্রাম্য মাতুব্বরদের ইন্ধনে লুটপাট পর্যন্ত গড়িয়েছে।’ ফরিদপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (নগরকান্দা সার্কেল) মুহম্মদ আল ফাহাদ জানান, এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে এবং এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩
পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ঠিকাদারের কাছে চাঁদা দাবি, গ্রেফতার ৩ Advertisement পাবনা প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৩ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ নির্মাণাধীন পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ঠিকাদারের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও নিরাপত্তা কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলা হলে বৃহস্পতিবার রাতে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকালে পাবনা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম) রেজিনূর রহমান। এর আগে ১৯ মে দুপুরে প্রকল্প এলাকায় চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার তিনজন হলেন-পাবনা পৌর সদরের সাধুপাড়া ঝুটপট্টি এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে মাসুদ রানা ওরফে কিলার মাসুদ, একই এলাকার মৃত রুস্তম আলির ছেলে সজল আলি ও আব্দুর রহিমের ছেলে ইসমাইল হোসেন ওরফে নকশাল ইসমাইল। মামলার বরাতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জানান, আড়াইশ কোটি টাকা ব্যয়ে হেমায়েতপুরে পাবনা মানসিক হাসপাতালসংলগ্ন পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নির্মাণ কাজ চলছে। বর্তমানে কাজ শেষ পর্যায়ে। সম্প্রতি কাজের সাইডে গিয়ে চাঁদাবাজরা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাইড ম্যানেজার রফিজ উদ্দিনের কাছে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। তাদের চাঁদা না দেওয়ায় ১৯ মে দুপুরে চাঁদাবাজরা আরও সঙ্গী-সাথী নিয়ে নির্মাণাধীন ভবনে প্রবেশের চেষ্টা করে। বাধা দিলে নিরাপত্তা কর্মী হাবিবুর ও ইমরানকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এ সময় তারা অফিসের ড্রয়ার থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে দরজা, জানালা ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। স্থানীয়দের সহায়তায় আহত দুই নিরাপত্তা কর্মীকে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় সাজিন কনস্ট্রাকশনের পাবনা অফিসের ম্যানেজার রকিবুর রহমান ২০ মে পাবনা সদর থানায় মামলা করেন। চারজনের নামসহ অজ্ঞাতনামা ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।
