আসামিকে ছাড়াতে সদর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ
Why this classification
The article reports a specific incident where a mob of over a hundred people beat and hacked a man to death.
Killed
1
Injured
0
Summary
মানিকগঞ্জের পুটাইল ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামে শনিবার রাতে একদল জনতা সজিব হোসেন নামে এক যুবককে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে। এই হত্যাকাণ্ডের আসামির মুক্তির দাবিতে সোমবার মানিকগঞ্জ সদর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
AI analysis
Category
Mob Justice / Lynchings
Confidence
95% · severity 8
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Sajib Hossain
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 30/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা
পারিবারিক বিরোধের জেরে মা-ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা ফাইল ছবি মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশ: ৩১ মে ২০২৬ | ১০:৫৩ মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে মা ও দেড় বছর বয়সী ছেলেকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে। শনিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ফকিরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন নিহত নারীর স্বামী। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহতরা হলেন- স্থানীয় ব্যবসায়ী আব্দুস ছালামের স্ত্রী আমেনা (২৮) এবং তাদের দেড় বছর বয়সী ছেলে আসওয়াদ। আহত অবস্থায় আব্দুস ছালামকে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, আব্দুস ছালাম বাচামারা বাজারে একটি কাপড়ের দোকান পরিচালনা করেন। তার ছোট ভাই ইউসুফ আলীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় ও জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ঘটনার রাতে ইউসুফ আলী ধারালো অস্ত্র নিয়ে বড় ভাইয়ের বাড়িতে প্রবেশ করেন। এ সময় তিনি ভাবি আমেনা ও ভাতিজা আসওয়াদের ওপর হামলা চালান। ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরে বাধা দিতে গেলে আব্দুস ছালামের ওপরও হামলা চালানো হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে একটি দা ও একটি হাতুড়ি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) স্বপন কুমার সরকার বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি পারিবারিক বিরোধজনিত হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে। - বিষয় : - মানিকগঞ্জ - কুপিয়ে হত্যা
আসামিকে ছাড়াতে সদর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ
মানিকগঞ্জে হত্যা মামলা আসামিকে ছাড়াতে সদর থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, মানিকগঞ্জ প্রকাশ: ০২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় একটি হত্যা মামলার আসামি সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আলিমের মুক্তির দাবিতে থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন এলাকাবাসী। সোমবার মানিকগঞ্জ সদর থানা ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষ এ বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভকারীরা বলেন, আব্দুল আলিম একজন সাবেক জনপ্রতিনিধি এবং স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপির সহসভাপতি। রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কারণে তাকে মামলায় জড়ানোর চেষ্টা চলছে। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার নাম মামলা থেকে প্রত্যাহার এবং মুক্তির দাবি জানান তারা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থানা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের প্রতিনিধিদের আলোচনা হলে তারা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি শেষ করে স্থান ত্যাগ করেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে সদর উপজেলার পুটাইল ইউনিয়নের কৃষ্ণনগর গ্রামের সজিব হোসেনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করে শতাধিক সংঘবদ্ধ জনতা। এ ঘটনায় রোববার সন্ধ্যায় নিহতের ভাই নাঈমুর রহমান রাজিব অজ্ঞাত ১৫০ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ রাতেই এই মামলায় জড়িত সন্দেহে আব্দুল আলিমকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসেন। মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকরাম হোসেন বলেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল আলিমকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মুক্তির দাবিতে গ্রামবাসী থানার সামনে এসে বিক্ষোভ করেছেন। থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে যার বিরুদ্ধে সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
