সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক বিরোধী অভিযানে সাংবাদিকের ওপর হামলা
Why this classification
The incident is classified as political/student faction violence because individuals identifying as university students physically attacked journalists covering a security operation at Suhrawardy Udyan, resulting in three injuries.
Killed
0
Injured
3
Summary
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে তিন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী পরিচয়দানকারী ব্যক্তিরা এই হামলা চালায় বলে জানা গেছে।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 3
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 27/09/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (3 sources)
আদ-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা
আদ-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ফাইল ছবি সমকাল প্রতিবেদক প্রকাশ: ৩০ মে ২০২৬ | ২২:৪৬ রাজধানীর মগবাজারে আদ-দ্বীন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দায়িত্ব পালনকালে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের হামলার শিকার হয়েছেন একাধিক সাংবাদিক। শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে। একই দিন ওই মেডিকেলে কলেজের ছাদে অবৈধ ও বেকারির সন্ধান পেয়ে জরুরি পরিদর্শনে আসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। যেভাবে ঘটল হামলা গত বুধবার আদ-দ্বীন হাসপাতালে একসঙ্গে ছয় শিশুর রহস্যজনক মৃত্যু এবং শনিবার বিকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের খবর সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের প্রথমে হাসপাতালে প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সবকটি প্রবেশমুখ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং ১ নম্বর গেটের সামনে লাঠিসোটা নিয়ে অবস্থান নেন নিরাপত্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। সাংবাদিকেরা ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে মগবাজার থানা পুলিশ ও র্যা ব সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতির মধ্যেও নিরাপত্তাকর্মীরা সাংবাদিকদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। পরে হাসপাতালের সিনিয়র ম্যানেজার ঘটনাস্থলে এলেও ক্ষুব্ধ সাংবাদিকদের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। হাসপাতালের ভেতরে অবৈধ বেকারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের জানান, মেডিকেলের ছাদে ভেতরে চলা বেকারিটি সম্পূর্ণ অনিয়ম ও নোংরা পরিবেশে পরিচালিত হচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘কোনো প্রকৌশলী ছাড়া মাত্র দুটি ইলেকট্রিক ওভেন দিয়ে বেকারি চালানো হতো। সেখানে প্রচুর ময়লা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া গেছে। হাজার হাজার শিক্ষার্থীর জন্য প্রতিদিন সেখানে খাবার তৈরি হতো। কোনো বিষাক্ত গ্যাস বের হয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিষয়টি কঠোরভাবে খতিয়ে দেখার হুশিয়ারিও দেন তিনি।’
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক বিরোধী অভিযানে সাংবাদিকের ওপর হামলা
রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালীন সময় তিন মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আহতরা হলেন—মো. জহিরুল ইসলাম (প্রতিদিনের বাংলাদেশ), মো. সিয়াম হোসেন গাজী (আগামীর সময়) ও মো. তোফায়েল আহমেদ (কন্ট্রিবিউটর সাংবাদিক) ফ্রিল্যান্সার।রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঘটনাটি ঘটে। আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন সহকর্মীরা। কালবেলার মাল্টিমিডিয়া সাংবাদিক আব্দুর রহমান ঈষান বলেন, ‘আজ রাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মাদক বিরোধী অভিযান চলাকালীন ভিডিও ধারণ করা হচ্ছিল। এ সময় আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা হয়। এতে তিন সাংবাদিক আহত হয়। পরে পথচারীরা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।’ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. হাবিবুর রহমান জানান, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে তিন সাংবাদিক আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেলে এসেছে। এর মধ্যে জহিরুল ইসলামকে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি দুজন জরুরি বিভাগের চিকিৎসা নিচ্ছে।এদিকে ডাকসু নেতা এবি জুবায়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানের সময় হামলার শিকার হয়েছে উপস্থিত সাংবাদিকরা। হামলাকারীরা নিজেদেরকে ঢাবি শিক্ষার্থী পরিচয় দিয়েছে। অনতিবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।’
রাড্ডায় ভাঙচুর, জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার
রাজধানীর মিরপুর-১ নম্বরে মধ্যরাতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে ভাঙচুর, লুটপাট ও গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লাকে (৩৬) গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। শনিবার (৩ অক্টোবর) মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবির মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ রাকিব খাঁন। তিনি জানান, রাড্ডা ভাঙচুরের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ প্রক্রিয়াধীন। জানা গেছে, গ্রেপ্তার সাজ্জাদ হোসেন মিশু মোল্লা শাহআলী থানা ছাত্রদলের সাবেক প্রতিষ্ঠাতা কমিটির সদস্য এবং বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) জাতীয় সংসদ ভবনে স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি। এর আগে, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় মিষ্টির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠে। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে মিরপুর-১ নম্বরে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরে ভারী যন্ত্র দিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির স্থাপনাও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। এমএসি/এসএএস
