ক্লাস বর্জন করেছেন ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা
Why this classification
On Sunday afternoon, students linked to the Chhatra Dal burned a banner that other students had put up against campus student politics, and a later protest march led to tense exchanges of slogans. This is a concrete destructive act (arson of a banner) tied to a party wing, so it counts as violence, although no one was reported injured and the tension stayed mostly verbal.
Killed
0
Injured
0
Summary
২০২৬ সালের ২৬ এপ্রিল (রোববার) বিকালে রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে টাঙানো একটি ব্যানার ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত কিছু শিক্ষার্থী খুলে আগুনে পুড়িয়ে দেন। এরপর রাতে জিয়া হলের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও পাল্টাপাল্টি স্লোগানে উত্তেজনা ছড়ায় এবং পরদিন সোমবার ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করেন।
AI analysis
Category
Political Violence
Confidence
85% · severity 4
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: BNP
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/04/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
ক্লাস বর্জন করেছেন ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা
রুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিয়ে উত্তেজনা ক্লাস বর্জন করেছেন ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ। তবে ক্যাম্পাসে সক্রিয় হয়েছে একাধিক রাজনৈতিক দলের ছাত্র সংগঠন। এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি শুরু হচ্ছে অভিযোগ তুলে রোববার রাতে বিক্ষোভের পর সোমবার ক্লাস বর্জন করেছেন ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট রুয়েটে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু বাস্তবে এ নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিভিন্ন সময়ে গোপন ও প্রকাশ্য রাজনৈতিক তৎপরতার অভিযোগ উঠলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর পদক্ষেপ না থাকায় অসন্তোষ জমতে থাকে শিক্ষার্থীদের মাঝে। সম্প্রতি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে ‘গুপ্ত রাজনীতি’র বিরুদ্ধে দেয়াল লিখন দেখা যায়। বিষয়টি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আলোচনার জন্ম দেয় এবং ধীরে ধীরে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। রোববার বিকালে পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়, যখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি অংশ গুপ্ত রাজনীতির পাশাপাশি প্রকাশ্য ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধেও অবস্থান নিয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে দেয়াল লিখন করেন এবং একটি ব্যানার টাঙান। কিন্তু ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত কিছু শিক্ষার্থী ওই ব্যানার খুলে আগুনে পুড়িয়ে দেন। পরে বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে এবং শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশের মধ্যে ক্ষোভ তীব্র হয়ে ওঠে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। তাদের অভিযোগ-ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক তৎপরতা চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে প্রতিবাদ হিসাবে রাত সাড়ে ১২টায় বিক্ষোভ মিছিলের ডাক দেওয়া হয়। গভীর রাতে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক ও আবাসিক এলাকা প্রদক্ষিণ করে জিয়া হলের সামনে পৌঁছালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা এই রুয়েটে হবে না’সহ নানা স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। অন্যদিকে জিয়া হলের সামনে আগে থেকেই অবস্থান নেওয়া প্রায় ৩০-৩৫ জন ছাত্রদলপন্থি শিক্ষার্থী দলটির পক্ষে স্লোগান দিতে থাকেন। এতে উভয়পক্ষের পালটাপালটি স্লোগানে কিছু সময়ের জন্য টানটান উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করেন। তবে সোমবার ২০ সিরিজের শিক্ষার্থীরা (এসএসসি উত্তীর্ণ ২০২০) ক্লাস ও ল্যাব বর্জন করেন। দুপুরে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ভবনের সামনের সড়কে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ ব্যানারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি তুলে ধরেন। তাদের দাবি হলো-ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালুর লক্ষ্যে যারা অরাজকতা সৃষ্টি করছে তাদের অবিলম্বে বহিষ্কার করতে হবে। ২০২৪ সালের ১০ আগস্ট রুয়েটে জারি করা প্রজ্ঞাপনে সব ধরনের রাজনীতি নিষিদ্ধের সিদ্ধান্তের পক্ষে প্রশাসনের সুস্পষ্ট অবস্থান ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। একইসঙ্গে রুয়েটে ছাত্ররাজনীতি থাকবে কি না, তা নির্ধারণে নির্বাচনকালীন কমিটি গঠন করে ১৫ দিনের মধ্যে গণভোট আয়োজনের দাবি জানান তারা। রুয়েটে ছাত্রদলের কোনো কমিটি নেই। তবে ক্যাম্পাসে ছাত্রদল করেন সিভিল বিভাগের শিক্ষার্থী কায়েস মাহবুব। তার বাড়ি বগুড়া। যোগাযোগ করা হলে কায়েস বলেন, আমি বা আমার সঙ্গে যারা আছে তারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের বাইরে যাব না। আমরা তাদের মতামতকে সম্মান করি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে রুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ হলেও দু-একটি রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠন সক্রিয় হওয়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। কী করা যায় সেটা নিয়ে আমরা ভাবছি।’
