স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন, বিমানবন্দরে সাংবাদিক পেটাল যুবদল নেতাকর্মীরা

AI-classifiedconfidence 92%

Why this classification

This is a concrete physical attack: Jubo Dal activists beat journalists at Cox's Bazar airport on 8 March 2026, injuring at least two, and snatched three mobile phones. The article reports a specific incident with named perpetrators and victims, not commentary or statistics.

Reported by:JugantorSingle source
08/03/26•কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকা

Killed

0

Injured

2

Summary

৮ মার্চ ২০২৬ (রোববার) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমনের সময় কক্সবাজার বিমানবন্দরে যুবদল নেতাকর্মীরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে এবং তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এতে অন্তত দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হন, আর অভিযুক্ত যুবদল নেতা ঘটনাটি ঘটেনি বলে দাবি করেন।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

92% · severity 6

Perpetrator side

BNP

Victim side

Journalists

Other actors

আমির আলী (জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক)রফিকুল ইসলাম মিয়াজি (জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক)মুহাম্মদ আবান (গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা ও টেলিগ্রাম নিউজের সাংবাদিক, আহত)মিশু দাশ গুপ্ত (কালের কণ্ঠ অনলাইনের প্রতিনিধি, আহত)বাবু (ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন, মোবাইল ছিনতাইয়ের শিকার)জালাল (কক্সবাজার বার্তার সাংবাদিক, মোবাইল ছিনতাইয়ের শিকার)

Affected infrastructure

মোবাইল ফোন (৩টি)

Tags

Rally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Journalists

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 08/03/26open original ↗

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন, বিমানবন্দরে সাংবাদিক পেটাল যুবদল নেতাকর্মীরা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আগমন, বিমানবন্দরে সাংবাদিক পেটাল যুবদল নেতাকর্মীরা Advertisement কক্সবাজার প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ মার্চ ২০২৬, ১১:০৫ পিএম কক্সবাজার বিমানবন্দর এলাকায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা, মারধর ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অন্তত দুই সাংবাদিক গুরুতর আহত হয়েছেন। হামলার পর আবারও সাংবাদিকদের ওপর ‘গণধোলাই’ দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন জেলা যুবদলের এক নেতা। রোববার বিকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ কক্সবাজার বিমানবন্দরে পৌঁছলে সেখানে এ হামলার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমির আলীর নেতৃত্বে কয়েকজন যুবদল নেতাকর্মী সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালান। হামলায় আহত হয়েছেন গেজেটভুক্ত জুলাইযোদ্ধা ও স্থানীয় টেলিগ্রাম নিউজের সাংবাদিক মুহাম্মদ আবান এবং কালের কণ্ঠ অনলাইনের কক্সবাজার প্রতিনিধি মিশু দাশ গুপ্তসহ কয়েকজন সাংবাদিক। হামলার সময় সাংবাদিক আবানকে মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার ভিডিও ফুটেজও পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। হামলার পাশাপাশি কয়েকজন সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিবিসি টেলিভিশনের ক্যামেরাপারসন বাবুর মোবাইল ফোন এবং কক্সবাজার বার্তার জালালের মোবাইল ফোন। মোট তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে। মারধরের বিষয়ে আহত সাংবাদিক আবান বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে, তোদের কী— এই কথা বলে প্রথমে বুকে লাথি মারেন যুবদল নেতা আমির আলি। পরে আমাকে মাটিতে ফেলে দেন। এরপর যুবদল নেতা রফিকুল ইসলাম মিয়াজিসহ কয়েকজন মিলে এলোপাতাড়ি লাথি মারতে থাকেন। সাংবাদিক মিশু দাশ গুপ্ত বলেন, আমি যখন প্রশ্ন করি সাংবাদিকদের ওপর হামলা কেন করা হয়েছে, তখন আমার ওপরও হামলা করা হয় এবং আমার মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। পরে আমার মোবাইলটি পাওয়া গেলেও কয়েকজনের মোবাইল তারা নিয়ে গেছে। ঘটনাস্থলে উপস্থিত স্টার নিউজের প্রতিবেদক মুহিব উল্লাহ মুহিব বলেন, আমার সামনে যুবদল নেতা আমির আলীর নেতৃত্বে এ হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে যুবদল নেতা আমির আলি বলেন, এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। দলীয় কর্মী মনে করে হয়তো ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। ভিডিওতে মারধরের বিষয়টি উল্লেখ করা হলে তিনি বলেন, তাহলে সেটা ভুল বোঝাবুঝি। আমি বিষয়টি সমাধান করতে চাই। এদিকে ঘটনার পর বিষয়টি স্বীকার করে সাংবাদিকদের আরও মারধরের হুমকি দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিয়াজি। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাংবাদিকদের সম্পর্কে উস্কানিমূলক মন্তব্য করে দাবি করেন, তাদের ‘গণধোলাই’ দেওয়া হয়েছে এবং আরও দেওয়া প্রয়োজন। তার এমন বক্তব্য ঘিরে সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সময় বিমানবন্দর এলাকায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকরা সেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় আকস্মিকভাবে তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। এদিকে ঘটনার পরপরই সাংবাদিকরা কক্সবাজারে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এ সময় স্থানীয় সাংবাদিকরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন। তারা বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য বড় ধরনের হুমকি।