দায়িত্বে অবহেলায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালে হামলা

AI-classifiedconfidence 88%

Why this classification

This is a specific incident on Sunday, 22 March 2026, in which relatives and local residents attacked a health worker in the emergency ward of Dharmapasha upazila health complex after a child died. The article reports the attack and police intervention, but it does not confirm the health worker's injuries, so the casualty count is marked as estimated.

Reported by:SamakalSingle source
22/03/26•ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগ

Killed

0

Injured

1

Summary

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত রোববার (২২ মার্চ ২০২৬) ১১ মাস বয়সী শিশু ফারাবীর মৃত্যুর পর স্বজন ও স্থানীয়রা দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ তুলে জরুরি বিভাগে কর্মরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসারের ওপর হামলা চালান। ঘটনার পর বিএনপি নেতাদের আশ্বাসে বিক্ষুব্ধরা হাসপাতাল ছাড়েন এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

88% · severity 4

Perpetrator side

Locals

Victim side

Unknown

Other actors

Ranjan Kishore Chakladar (Upa-Sahakari Community Medical Officer, on LPR)Sangita Biswas (Senior Staff Nurse)Palash Goswami (Senior Staff Nurse)Manik Mia (father of the deceased child)Sheikh Chan (uncle of the deceased child)Dr. Subir Sarkar (Upazila Health and Family Planning Officer)Relatives and local protesters

Tags

Vigilante Justice

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/03/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 25/03/26open original ↗

দায়িত্বে অবহেলায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালে হামলা

দায়িত্বে অবহেলায় শিশুমৃত্যুর অভিযোগ, হাসপাতালে হামলা ধর্মপাশা (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | ০৭:৫৫ | প্রিন্ট সংস্করণ সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত তিনজনের অবহেলায় এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় হাসপাতালে হামলা চালায় শিশুর স্বজন ও স্থানীয়রা। জানা যায়, রোববার সন্ধ্যায় ধর্মপাশা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ফারাবী নামে ১১ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দায়ী করা হয় এলপিআরে (অবসরের আগে অর্জিত ছুটি) থাকা হাসপাতালের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রঞ্জন কিশোর চাকলাদার, সিনিয়র স্টাফ নার্স সংগীতা বিশ্বাস ও পলাশ গোস্বামীকে। স্বজনদের অভিযোগ, ওই তিনজনের দায়িত্বে অবহেলার কারণে মৃত্যু হয় ফারাবীর। সে উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের বগারপাচুর গ্রামের মানিক মিয়ার ছেলে। পরিবার জানায়, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারণে ফারাবীকে ওই দিন দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। এ সময় এলপিআরে থাকা চাকলাদার জরুরি বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। যদিও তাঁর হাসপাতালে দায়িত্ব পালনের সুযোগ নেই। ফারাবীর বাবা চাকলাদারকে বারবার অনুরোধ করার পরেও তিনি তা আমলে নেননি। শেষে প্রায় ৪০ মিনিট পর ফারাবীকে দেখেন এবং ভর্তির নির্দেশ দেন। পরে ফারাবীকে অক্সিজেন ও নেবুলাইজেশন দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ফারাবীকে আবার নেবুলাইজেশনের অনুরোধ করা হলেও কর্তব্যরত নার্সরা সাড়া দেননি। একপর্যায়ে ফারাবীর অবস্থার অবনতি হলে তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে পথে ফারাবীর মৃত্যু হলে ফারাবীকে নিয়ে আবারও জরুরি বিভাগে আসা হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফারাবীর মৃত্যু নিশ্চিত করেন। ফারাবীর মৃত্যুর খবর জানাজানি হলে তার আত্মীয়স্বজন ও স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে থাকা চাকলাদারের ওপর হামলা চালায় বিক্ষুব্ধ জনতা। এতে চাকলাদার আহত হযন। খবর পেয়ে পুলিশ ও উপজেলা বিএনপির কয়েকজন নেতা সেখানে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে বিএনপি নেতারা বিচারের আশ্বাস দিলে বিক্ষুব্ধরা হাসপাতাল ছাড়েন। চাকলাদারকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে রাতেই ফারাবীর বাবা অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ধর্মপাশা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। ফারাবীর বাবা মানিক মিয়া বলেন, জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চাকলাদার প্রায় ৪০ মিনিট পর তাঁর ছেলেকে দেখেন। শ্বাসকষ্টের রোগী হওয়ার পরেও চাকলাদার কোনো গুরুত্ব না দিয়ে অবহেলা করেছেন। ফারাবীর চাচা শেখ চাঁন বলেন, ফারাবীকে ভর্তি করার পর একবার নেবুলাইজেশন করা হয়েছে। পরে শ্বাসকষ্ট বাড়লে নার্স সংগীতা ও পলাশকে বারবার বললেও তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। মূলত চাকলাদার, সংগীতা ও পলাশের দায়িত্বে অবহেলার কারণে তাঁর ভাতিজার মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স সংগীতা বিশ্বাস বলেন, সাধারণত চার ঘণ্টা পরপর নেবুলাইজেশন করার নিয়ম রয়েছে। তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেননি। মূলত ওই সময় দুজন ডেলিভারি রোগী থাকার কারণে সেখানে ঘণ্টাখানেক সময় দিতে হয়েছে। অন্যদিকটা সহকর্মী পলাশ ম্যানেজ করছিল। একই সঙ্গে ১০ থেকে ১২ জন রোগী থাকার কারণে দুজনে সব ম্যানেজ করতে গিয়ে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। অপর অভিযুক্ত সিনিয়র স্টাফ নার্স পলাশ গোস্বামী বলেন, ওই শিশুটিকে (ফারাবী) নিয়ে তার কোনো কাজ করতে হয়নি। তিনি অন্য রোগী নিয়ে কাজ করছিলেন। ডিউটিতে থাকার কারণে হয়তো অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। আর শিশুটির পরিবার তাঁর কাছে কোনো সহযোগিতা চায়নি। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুবীর সরকার বলেন, তিনিসহ চারজন চিকিৎসক শিশুটিকে চিকিৎসা দিয়েছেন। চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। তদন্তসাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট স্টাফদের বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।  - বিষয় : - শিশু