স্কুলের চিলেকোটায় নিয়ে ছাত্রকে পাশবিক নির্যাতন

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

একজন শিক্ষক স্কুলের চিলেকোটায় এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ আছে। এটি একটি নির্দিষ্ট সহিংস ঘটনা, তাই সহিংসতা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
15/06/26•ধনিয়া ইউপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

Killed

0

Injured

1

Summary

ভোলার ধনিয়া ইউপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অশোক চন্দ দাস ১৫ জুন স্কুলের চিলেকোটায় এক ছাত্রকে ধর্ষণ করেছেন। ঘটনার পর শিক্ষক পরিবারসহ পালিয়ে যান এবং ছাত্রের মা ভোলা মডেল থানায় মামলা করেন।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

Ashok Chanda Das (Assistant Teacher)Student's Mother (Complainant)

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 15/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 17/01/26open original ↗

সুনামগঞ্জ থেকে মনপুরায় গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী

সুনামগঞ্জ থেকে মনপুরায় গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী প্রতীকী ছবি ভোলা প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৬ জানুয়ারি ২০২৬ | ২০:৪০ সুনামগঞ্জ থেকে ভোলার মনপুরায় গিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক তরুণী (১৮)। লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে মাঝপথে আটক রেখে তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে নতুন বেড়িবাঁধে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ শুক্রবার সকালে নির্যাতিতাকে উদ্ধার করেছে। জানা যায়, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের কার্টন ফ্যাক্টরির শ্রমিক মো. সজীবের সঙ্গে সুনামগঞ্জের ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি গত বুধবার দেখা করতে আসে। ওঠে ছেলেটির দাদির বাড়িতে। বিয়ে না হওয়ায় স্থানীয়দের ভয়ে পরদিন পাশের তালতলা গ্রামের চাচা আলাউদ্দিনের বাড়িতে আশ্রয় নেয় তারা। এলাকাবাসী সালিশের মাধ্যমে দুজনকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইদ্রিস মাঝির জিম্মায় দেয়। সেখান থেকে মাকসুদ, আলামিন ও শাহিন নামের তিনজন তাদের ঢাকার লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নিয়ে যায়। পথে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বেড়ি এলাকায় পৌঁছলে সজীবকে মারধর করে আটকে রাখে। কিছুদূর নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করে। এদিকে সজীব কৌশলে ছাড়া পেয়ে পাশের এলাকার ভুট্টো মাঝির বাড়িতে এসে সহযোগিতা চায়। ভুট্টো মাঝি জানান, রাত ১২টায় ছেলেটা এসে ডাকাডাকি করে। তিনিসহ এলাকার লোকজন গিয়ে নতুন বেড়ি এলাকায় মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ফেরত আসেন। রাত সাড়ে ১২টায় মোটরসাইকেল চালক শাহিন তরুণীসহ সজীবকে নিতে তার বাড়িতে আসে। ওই সময় ভুট্টো মাঝিসহ অন্যরা মোটরসাইকেল চালকের কাছ থেকে তরুণীকে রেখে দেন। চক্রের কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে ওই তরুণী ধর্ষণের কথা উপস্থিত সবাইকে জানান। এদিকে খবর পেয়ে সকালে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে। মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার সকাল ১০টায় দুজনকে উদ্ধার করে থানায় এনেছেন। মেয়েটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

Source 2: Jugantor · 22/06/26open original ↗

স্কুলের চিলেকোটায় নিয়ে ছাত্রকে পাশবিক নির্যাতন

স্কুলের চিলেকোটায় নিয়ে ছাত্রকে পাশবিক নির্যাতন পরিবারসহ পালিয়েছে শিক্ষক Advertisement যুগান্তর প্রতিবেদন, ভোলা প্রকাশ: ২২ জুন ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ভোলায় স্কুলের চিলেকোটায় নিয়ে এক ছাত্রকে পাশবিক নির্যাতনের (বলাৎকার) অভিযোগ উঠেছে। ধনিয়া ইউপি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অশোক চন্দ দাসের বিরুদ্ধে ওই অভিযোগ উঠেছে। রোববার ভোলা মডেল থানায় ওই ছাত্রের মা নারী ও শিশু নির্যাতন ধারায় শিক্ষকের নামে মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে ওই শিক্ষক পরিবারসহ এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে। জানা গেছে, গত ১৫ জুন স্কুল চলাকালে অভিযুক্ত শিক্ষক ওই ছাত্রকে বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলায় চিলেকোঠার ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে বলাৎকার করে। পরে ওই ছাত্র বাড়িতে গিয়ে তার মাকে ঘটনাটি জানায়।