সংঘর্ষের পর হলে ফেরা শিবিরকর্মীরা চুপচাপ

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article describes a physical clash between Chhatra Dal and Chhatra Shibir at Barishal University resulting in 10 injuries, which constitutes political violence.

Reported by:SamakalJugantorCorroborated · 2 sources
05/08/26•Barishal University

Killed

0

Injured

10

Summary

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষটি ছাত্রশিবিরের একটি শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে শুরু হয়।

AI analysis

Category

Political Violence

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

BNPJamaat

Victim side

BNPJamaat

Other actors

Ashik AhmedMosharraf HossainZakaria Islam BabuMd. Mehedi Hasan

Tags

Party ClashRally Violence

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 10

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: BNP, Jamaat

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 05/08/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 08/08/26open original ↗

সংঘর্ষের পর হলে ফেরা শিবিরকর্মীরা চুপচাপ

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সংঘর্ষের পর হলে ফেরা শিবিরকর্মীরা চুপচাপ ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের দলীয় মনোগ্রাম বরিশাল ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ১০:০৮ | আপডেট: ০৮ আগস্ট ২০২৬ | ১৩:৪১ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) গত বুধবার দুপুরে সংঘর্ষের পর ক্যাম্পাস থেকে ছাত্রশিবিরকর্মীদের তাড়িয়ে দেয় ছাত্রদল। তবে শিবিরকর্মীরা রাতে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। তারা চুপচাপ আছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ তথ্য দিয়েছেন। এদিকে শিবিরকর্মীদের অভিযোগ, তাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তারা আতঙ্কে আছেন। অন্যদিকে ছাত্রদলের কর্মীরা বলছেন, ক্যাম্পাস শিবিরমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এখানে কোনো শিবিরকর্মী নেই। যারা আছেন, তারা গুপ্ত। বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের শোভাযাত্রাকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন আহত হন। সেদিন সকালে জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির ‘অদম্য জুলাই’ শীর্ষক শোভাযাত্রা বের করে। এটিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু। এজন্য উভয় সংগঠনই একে অপরকে দুষছে। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি আশিক আহমেদের অভিযোগ, বহিরাগতদের নিয়ে কর্মসূচি পালন না করতে শিবিরকর্মীদের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। কিন্তু তারা কথা না শুনে ছাত্রদল কর্মীদের ওপর হামলা করেন। এতে ছাত্রদলের অন্তত পাঁচজন আহত হন। ছাত্রদলের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা কোনো হামলা চালাইনি। হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে দুই-তিনজনকে ধরে আমরা উপাচার্যের কাছে সোপর্দ করেছি।’ তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা শিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম বাবুর দাবি, তাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলটি উপাচার্য ভবনের ফটকের দিকে যাওয়ার সময় ছাত্রদল কর্মীরা অতর্কিত হামলা করেন। এতে তাদের অন্তত ৫ জন কর্মী আহত হন। শিক্ষার্থীদের দেওয়া তথ্য মতে, সংঘর্ষের পর শিবিরকর্মীরা ক্যাম্পাস ছেড়ে যান। তবে রাতে ফিরে আসেন। এরপর থেকে প্রকাশ্যে তাদের সাংগঠনিক তৎপরতা দেখা যায়নি। পরদিন বৃহস্পতিবারও ক্যাম্পাসের পরিবেশ ছিল স্বাভাবিক। শিবিরকর্মীরা ক্যাম্পাসে থাকলেও কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম চালাননি। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চব্বিশের ৫ আগস্টের পট পরিবর্তনের পর ববি ক্যাম্পাসে ছাত্রদল, ছাত্রশিবির ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাপুটে অবস্থান ছিল। কিন্তু গত ফেব্রুয়ারিতে বিএনপি সরকার গঠনের পর দলটির ছাত্র সংগঠন ছাত্রদল একক আধিপত্য বিস্তার শুরু করে। তবে শিবিরের কার্যক্রমে বাধা দিত না ছাত্রদল। বিলুপ্ত হওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নেতাকর্মীরা ছাত্রশক্তি নামে ক্যাম্পাসে থাকলেও তাদের অবস্থান খুবই দুর্বল। এই প্রেক্ষাপটেই বুধবার সংঘর্ষ হয়। শিবিরের সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া ইসলাম জানিয়েছেন, তাদের বর্তমান কমিটি গঠিত হয় গত জানুয়ারিতে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম প্রকাশিত হয়েছে। সাংগঠনিক নিয়ম অনুযায়ী কমিটির অপর আটজনের নাম প্রকাশ করা হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের ১২৭ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে গত ৩ মে। কমিটিতে শুধু সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কাউন্সিলরদের ভোটে নির্বাচিত হয়। দুই সংগঠন হল শাখায় কমিটি দেয়নি। ক্যাম্পাসের বর্তমান পরিস্থিতি প্রসঙ্গে জাকারিয়া ইসলাম বলেন, ‘ছাত্রদলের আগ্রাসী মনোভাবের কারণে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। শিবিরকর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা ক্যাম্পাসে থাকলেও আতঙ্কের মধ্যে আছি।’ ছাত্রদল সভাপতি মোশারফ হোসেন বলেন, ক্যাম্পাস শিবিরমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এখন ক্যাম্পাসে কোনো শিবির নেই। যদিও কেউ থেকে থাকেন তারা গুপ্ত। শিবিরের কমিটি দুই সদস্যের। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ক্যাম্পাসে নেই। অন্যদের পদ না থাকায় পরিচয় লুকিয়ে ক্যাম্পাসে হয়তো থাকতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সহকারী অধ্যাপক মো. মেহেদি হাসান সমকালকে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত করতে আমরা কাজ করছি। বুধবার শিবিরের সঙ্গে ও বৃহস্পতিবার ছাত্রদলের সঙ্গে বৈঠক করেছি। অন্যান্য সংগঠনগুলোর সঙ্গে বৈঠক হবে।’

Source 2: Jugantor · 07/08/26open original ↗

ছাত্রদল-শিবিরের কর্মসূচিতে উত্তপ্ত জবি ক্যাম্পাস

সংঘর্ষের পর কাটছে না আতঙ্ক ছাত্রদল-শিবিরের কর্মসূচিতে উত্তপ্ত জবি ক্যাম্পাস বিএম কলেজে হাতাহাতি, ববিতে থমথমে পরিবেশ Advertisement বরিশাল ব্যুরো ও জবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৭ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মঙ্গলবার ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের পর থেকে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। বৃহস্পতিবারও ছাত্রদল এবং শিবির ও ছাত্রশক্তির পালটাপালটি কর্মসূচিতে দিনভর উত্তপ্ত ছিল ক্যাম্পাস। সকাল থেকে ক্যাম্পাসের প্রধান ফটকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে পরিচয়পত্র দেখিয়ে প্রবেশ করতে হয় শিক্ষার্থীদের। তবে পোগোজ স্কুলসংলগ্ন গেট, বাংলাবাজার ও ইসলামপুর সংলগ্ন ২নং ও ৩নং গেট খোলা ছিল। এই তিন ফটক দিয়ে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও বের হতে দেখা যায়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নেতাদের অভিযোগ, প্রশাসন একদিকে প্রধান ফটকে নিরাপত্তা জোরদার করেছে, অন্যদিকে ছাত্রদলের অছাত্র ও বহিরাগতদের প্রবেশের সুবিধার্থে বাকি গেটগুলো খুলে রেখেছে। নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে পালটাপালটি শোডাউন : নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বৃহস্পতিবার জবি ক্যাম্পাসে অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি করেছে ছাত্রদল। একই সময়ে জকসু নেতারাও শোডাউন করে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। গতকাল সকালে দেখা যায়, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল ও সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ মিনারে অবস্থান করছেন। একই সময় ছাত্রদলের বিভিন্ন গ্রুপকে আলাদাভাবে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিতে দেখা যায়। দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক নাসির উদ্দীন নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি উল্লেখ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের স্থান ত্যাগের অনুরোধ জানান। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে দুপুর ২টায় ক্যাম্পাসের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সব ছাত্র সংগঠনের কর্মসূচি বন্ধ রাখার দাবি জানায় ছাত্রদল। গতকাল সকাল ১১টায় জকসু ভিপি রিয়াজুল ইসলাম, এজিএস মাসুদ রানা ও জবি শিবির সেক্রেটারি ইব্রাহিম খলিলসহ জকসু নেতারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন। দুপুর ১টায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ক্যাম্পাসে অছাত্র ও বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞাসহ ৯ দাবিতে তারা উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি দেন। দাবি মেনে নিতে তিন দিনের আলটিমেটামও দেন তারা। এরপর কোষাধ্যক্ষের কাছে জকসুর পক্ষ থেকে অ্যাম্বুলেন্স হস্তান্তর করা হয়। পরে প্রেস ব্রিফিং শেষে ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন জকসু ও শিবির নেতারা। এছাড়া সার্বিক নিরাপত্তা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতসহ ৫ দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে জাতীয় ছাত্রশক্তি। থমথমে পরিস্থিতি ববিতে, আতঙ্ক : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ক্যাম্পাসে বুধবার ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষের পর থেকে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সংঘর্ষের পর রাতেও দুই ছাত্র সংগঠন পৃথক মহড়া, বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। এতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। যেকোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন। ওই ঘটনার জের ধরে বুধবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসে মহড়া দেন। এ সময় তারা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে ছাত্রশিবিরের ‘অপরাজনীতির’ প্রতিবাদ জানান। এর কিছুক্ষণ পর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরাও পাল্টা মহড়া দেন। তারা গভীর রাত পর্যন্ত ক্যাম্পাসে অবস্থান নেন। দুপক্ষের টানা অবস্থান ও শক্তি প্রদর্শনের কারণে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক দেখা দেয়। শিক্ষার্থীদের কয়েকজন জানান, সংঘর্ষের পরও ক্যাম্পাসে দুই সংগঠনের মহড়ার কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। বিশেষ করে রাতের সময় পরিস্থিতি নিয়ে অনেকেই আতঙ্কিত ছিলেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। বিএম কলেজে ছাত্রদল-শিবির হাতাহাতি : বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ অধ্যক্ষের কার্যালয় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শিবির নেতাদের অভিযোগ, মঙ্গলবার কলেজের মুসলিম হল ও ডিগ্রি হলে তাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা হয়েছিল। ওই সময় কয়েকজনকে মারধর করে হল ও ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেওয়া হয়। এসব বিষয়ে কলেজ প্রশাসনকে অবহিত করতে গতকাল ছাত্রশিবিরের কলেজ শাখার সভাপতি মো. নাহিদ আল হাসানসহ নেতাকর্মীরা অধ্যক্ষের কার্যালয়ে যান। সেখানে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। সভাপতি নাহিদ আল হাসান বলেন, ছাত্রদলের কলেজ শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম জুবায়ের অধ্যক্ষের কক্ষে প্রবেশ করে তাদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান। অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএম কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. ওয়ালিদ বলেন, ধাক্কা বা মারধরের অভিযোগ সত্য নয়। বুধবার ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করে শিবিরের নেতাকর্মীরা। তারা অধ্যক্ষের কাছে গিয়ে ছাত্রদলের নামে নানা মিথ্যা অভিযোগ করছিল। এ সময় কলেজ সভাপতি জুবায়ের প্রতিবাদ জানান।