মাদক কারবারের অভিযোগে সালিশে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

The article reports a concrete, recent violent incident: on 4 June, Hobi Mia was tied up and beaten with sticks in public at Narui Bazar over drug trafficking allegations. This is vigilante punishment outside the legal system, so it is classified as violence.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
04/06/26•Narui Bazar, Kaitla Uttar Union, Nabiganj

Killed

0

Injured

1

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ৪ জুন মাদক কারবারের অভিযোগে এক সালিশ বৈঠকে হবি মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে হাত-পা বেঁধে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করা হয়। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে তদন্ত শুরু করে।

AI analysis

Category

Mob Justice / Lynchings

Confidence

95% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Other actors

Hobi Mia (victim)Morshed Alam Chowdhury (OC, Nabiganj Thana)Piyas Basak (Additional SP, Nabiganj Circle)

Tags

Vigilante JusticeDrug War

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 04/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 08/06/26open original ↗

প্রকাশ্যে নির্যাতনের ৪ দিনেও আইনি ব্যবস্থা নেই

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর প্রকাশ্যে নির্যাতনের ৪ দিনেও আইনি ব্যবস্থা নেই ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬ | ০৯:০১ | আপডেট: ০৮ জুন ২০২৬ | ১৭:৫৮ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে নির্যাতনের চার দিনেও আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। পরিবারের কেউ মামলা করতে আসেনি জানিয়ে পুলিশ বলছে, এ কারণে ওই ঘটনায় নেতৃত্বদানকারীদের ধরতে অভিযান চালানো হয়নি। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকারকর্মীরা। এদিকে মারধরে জড়িত ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন। গত বৃহস্পতিবার নবীনগরের কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই বাজারে নির্যাতনের শিকার হন ব্রাহ্মণহাতা গ্রামের বাসিন্দা হবি মিয়া (৪০)। সামাজিক মাধ্যমে এ-সংক্রান্ত ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে দেখা যায়, হবি মিয়াকে গামছা দিয়ে দীর্ঘক্ষণ চোখ বেঁধে রাখা হয়। পরে দড়ি দিয়ে তাঁর হাত বাঁধে কয়েকজন। পরে তাঁকে মাটিতে বসিয়ে বাঁধা হাত পায়ের কাছে নিয়ে হাত ও পায়ের ভেতর পাইপ ঢুকিয়ে মাটিতে শুইয়ে দেওয়া হয়। এ সময় দুই ব্যক্তি হবি মিয়াকে চেপে ধরে রাখেন। অন্য দুজন একজনের পর একজন লাঠি দিয়ে তাঁর পায়ের তালুতে জোরে আঘাত করেন। এ সময় ‘মা গো, বাবা গো’ বলে চিৎকার করতে শোনা যায় হবিকে। পরে মাদক সেবন ও বিক্রি না করার অঙ্গীকার রেখে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই ভিডিওচিত্র নিয়ে নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনা দেখা দেয়। এই ভিডিও শেয়ার করে রুহুল আমিন রিপন নামে একজন লেখেন, ‘দেশের অনেক বড় বড় ব্যক্তিরাই ইয়াবা ব্যবসা করেন। নেতারা ইয়াবা নিয়ন্ত্রণ করেন। পুলিশ তাদের কাছ থেকে নাকি মাসোহারা নেয়। মাঝে মধ্যে যদিও গ্রেপ্তারও করে, পরে আদালত মাদক বিক্রেতাদের ছেড়ে দেয়। এই হলো বাস্তবতা।’ সমাজসেবক ব্যারিস্টার জাকির আহমেদ মনে করেন, আইন হাতে তুলে নেওয়ার অধিকার রাষ্ট্র কাউকে দেয়নি। মামলা ছাড়াই আইন হাতে তুলে নেওয়ার অপরাধে পুলিশ সালিশে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করতে পারে। মাদক ব্যবসা যেমন বেআইনি, তেমনি আইন হাতে তুলে নেওয়াও বেআইনি। মাদকের কারবারে যারা জড়িত, তাদের যেমন আইনের আওতায় আনতেই হবে, আবার আইন যারা হাতে তুলে নেন, তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। নবীনগর থানার ওসি মোরশেদুল আলম চৌধুরী গতকাল রোববার বিকেলে বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার হবি মিয়ার এক আত্মীয় কিছুক্ষণ আগে এসেছিলেন। তিনি কোনো মামলার ঝামেলায় জড়াতে চান না বলে জানিয়েছেন। মামলা না করলে আমরা ধরব কীভাবে?’ - বিষয় : - ব্রাহ্মণবাড়িয়া

Source 2: Jugantor · 05/06/26open original ↗

মাদক কারবারের অভিযোগে সালিশে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল

মাদক কারবারের অভিযোগে সালিশে নির্যাতন, ভিডিও ভাইরাল Advertisement ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি প্রকাশ: ০৫ জুন ২০২৬, ০৫:৫৪ পিএম ছবি: সংগৃহীত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাদক কারবারের অভিযোগে এক ব্যক্তিকে প্রকাশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সালিশ বৈঠকের নামে সংঘটিত এ ঘটনায় আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দুপুরে উপজেলার কাইতলা উত্তর ইউনিয়নের নারুই বাজারে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার হবি মিয়া (৪০) নারুই গ্রামের মৃত রহমত মিয়ার ছেলে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় মাদক নির্মূলের দাবিতে গঠিত একটি কমিটির উদ্যোগে নারুই বাজারে সালিশ বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেখানে মাদক কারবারের অভিযোগ এনে হবি মিয়াকে উপস্থিত করা হয়। একপর্যায়ে তার হাত-পা বেঁধে প্রকাশ্যে লাঠিপেটা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, হবি মিয়ার মা ও স্ত্রীর সামনেই এ নির্যাতন চালানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, স্থানীয় কয়েকজনের নির্দেশে এক ব্যক্তি লাঠি দিয়ে হবি মিয়ার পায়ের তালুতে বারবার আঘাত করছেন। ব্যথায় চিৎকার করলেও নির্যাতন থামেনি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শতাধিক মানুষের অনেককে এ দৃশ্য উপভোগ করতে এবং মোবাইলে ভিডিও ধারণ করতে দেখা যায়।  ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। কেউ কেউ মাদকবিরোধী অবস্থানের কথা বলে ঘটনাটিকে সমর্থন করলেও অধিকাংশই আইনবহির্ভূত এ শাস্তির কঠোর সমালোচনা করেছেন। স্থানীয়রা বলছেন, মাদক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর। কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সালিশের নামে প্রকাশ্যে নির্যাতন মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পরিপন্থী। নবীনগর থানার ওসি মোর্শেদ আলম চৌধুরী জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি নজরে আসার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, কেউ অপরাধী হলেও তাকে এভাবে প্রকাশ্যে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করার অধিকার কারও নেই। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি কাজ। নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাক বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে।