দুজনকে হত্যা, পুড়িয়ে দিল লাশ

AI-classifiedconfidence 90%

Why this classification

A teenage madrasa student, Mahbub Alam, was strangled to death and his body was set on fire under a tree in Bhabanipur, Gazipur, on Saturday 28 February 2026, which is a concrete, recent murder. The article also reports a second body found the same day in Sreepur, but this summary follows the primary incident.

Reported by:SamakalSingle source
27/02/26•ভবানীপুর লিচু বাগান এলাকার লটকন গাছের নিচে

Killed

1

Injured

0

Summary

গাজীপুর সদরের ভবানীপুর এলাকায় শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে একটি লটকন গাছের নিচে মাদ্রাসাছাত্র মাহবুব আলমের পোড়া লাশ পাওয়া যায়; পুলিশের ধারণা, তাঁকে শ্বাসরোধে হত্যার পর শরীরে আগুন দেওয়া হয়। একই দিন শ্রীপুরের বৃন্দাবনে গলায় দড়ি বাঁধা ও অর্ধেকের বেশি পোড়া এক অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের লাশও উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

90% · severity 8

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Locals

Other actors

Mahbub Alam (victim, Khurshidia Markazul Uloom Madrasa student)Tara Mia (victim's grandfather, security guard)Sohag Hossain (victim's father)Sharif Uddin (Gazipur District Superintendent of Police)Tariqul Islam (OC, Joydebpur Police Station)Nasir Ahmed (OC, Sreepur Police Station)

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 27/02/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 01/03/26open original ↗

দুজনকে হত্যা, পুড়িয়ে দিল লাশ

দুজনকে হত্যা, পুড়িয়ে দিল লাশ নাতির পোড়া লাশ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন দাদা তারা মিয়া- সমকাল গাজীপুর প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ০৮:৩৫ | প্রিন্ট সংস্করণ মাহবুব আলমের মাথা থেকে কোমর পর্যন্ত পুড়ে অঙ্গার। মুখ দেখে চেনা যায় না। কিশোর মাহবুবকে হত্যার পর একটি গাছের নিচে লাশে আগুন দেয় ঘাতকরা। গাজীপুর সদরের ভবানীপুরের লিচু বাগান এলাকার একটি লটকন গাছের নিচে গতকাল শনিবার সকালে পোড়া লাশ দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম কওমি মাদ্রাসার নাজেরানা বিভাগের শিক্ষার্থী মাহবুবের লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। স্বজনরা জানান, মাহবুব আলম ময়মনসিংহের গৌরীপুর থানার দৌলতপুর গ্রামের সোহাগ হোসেনের ছেলে। তার বয়স যখন দুই বছর, তখন তার মা মাহফুজা খাতুন ছেলেকে ফেলে রেখে অন্যত্র সংসার শুরু করেন। এরপর থেকে দাদা তারা মিয়ার কাছেই বড় হচ্ছিল মাহবুব। তারা মিয়া ভবনীপুর এলাকার একটি বাড়ির নিরাপত্তাকর্মী। বাবা সোহাগ হোসেন আবার বিয়ে করে সংসার করছেন। তারা মিয়া বলেন, ‘ভবনীপুর এলাকার মোশারফ হোসেনের বাড়িতে আমার সঙ্গেই বসবাস করত মাহবুব। ওরে আমি কোলেকাঁখে নিয়ে মানুষ করেছি। নিজে কষ্ট করেছি, কিন্তু মায়ের ফেলে যাওয়া এই অবুঝকে কষ্ট দিইনি।’ তিনি জানান, শুক্রবার রাতে ইফতারের পর কিছু সময় তার সঙ্গেই ছিল মাহবুব। পরে সে তারাবি নামাজ পড়ার জন্য মসজিদে যায়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাসায় ফিরে না আসায় নানা জায়গায় খুঁজতে থাকেন। ভোর হয়ে যাওয়ার পরও মাহবুব ফিরে না আসায় কান্নাকাটি শুরু হয় বাড়িতে। মাহবুবের বাবা সোহাগ বলেন, শনিবার সকালে মোশারফ হোসেনের লিচু বাগানের পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় লটকন গাছের নিচে পোড়া লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঘটনা শুনে তারা গিয়ে লাশ শনাক্ত করে পুলিশে খবর দেন। পুলিশের ধারণা, শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে। পরে শরীরে আগুন দেওয়া হয়। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন। তিনি বলেন, হত্যার পর লাশের গায়ে আগুন দিয়ে পুড়ে ফেলা হয়েছে। খুবই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। মাহবুবের দাদা ও বাবা জানান, তাদের সঙ্গে কারও শত্রুতা নেই। এই এলাকায় ভাড়া থাকেন তারা। ঠিকমতো মানুষজনকে চেনেনও না। কে এত বড় সর্বনাশ করে ফেলল বুঝতে পারছেন না। জয়দেবপুর থানার ওসি তরিকুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে। শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এ ঘটনায় মামলা হয়নি। একই দিন সকালে গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বৃন্দাবন এলাকার সড়কের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই লাশের গলায় দড়ি বাঁধা ও দেহের অর্ধেকের বেশি অংশ পোড়া ছিল। স্থানীয়রা জানান, এমসি বাজার-বরমী সড়কের বৃন্দাবন চৌরাস্তার পূর্ব দিকে সড়কের পাশেই পড়ে ছিল পোড়া লাশটি। বস্ত্রহীন দেহের বেশির ভাগ পুড়ে গেছে। তবে মুখাবয়ব কিছুটা অক্ষত। এলাকার লোকজন বলছেন, গলায় রশি বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশটি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। শ্রীপুর থানার ওসি নাছির আহমদ বেলেন, ২০-২৫ বছরের এক যুবকের পোড়া লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁর নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তাঁর পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার শরিফ উদ্দীন সমকালকে জানান, ভবানীপুর ও শ্রীপুরের দুটি ঘটনা একই রকম। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য ইউনিটও তদন্তে নেমেছে। তারা এই দুটি ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে সক্ষম হবেন বলে আশা তাঁর।   - বিষয় : - হত্যা