বাঘায় ৫৫ লাখ টাকার জিরা নিয়ে উধাও
Why this classification
This is a single, specific incident in which the importer's representative was surrounded by four men holding sharp weapons, beaten, robbed of a cheque and 75,000 taka, and threatened with death. The article is a first-hand report of a concrete attack, not a summary or a reaction piece, and it occurred within the recent window.
Killed
0
Injured
1
Summary
রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী বাজারে ৬ মে ২০২৬ (বুধবার) ৫৫ লাখ টাকার ৯ হাজার কেজি জিরা নিয়ে প্রতারকচক্র টাকা না দিয়ে উধাও হয়। পরে রাজার মোড়ে আমদানিকারকের প্রতিনিধি সিনারুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র ঠেকিয়ে মারধর করে চেক ও ৭৫ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 5
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 1
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 06/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বাঘায় ৫৫ লাখ টাকার জিরা নিয়ে উধাও
বাঘায় ৫৫ লাখ টাকার জিরা নিয়ে উধাও পুলিশের গড়িমসি চক্রকে ধরতে Advertisement রাজশাহী ব্যুরো প্রকাশ: ০৮ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ ৫৫ লাখ টাকার এক ট্রাক সমান ৯ হাজার কেজি জিরা সরবরাহ নিয়ে টাকা পরিশোধ না করে অভিনব কায়দায় প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রতারকচক্রটি জিরা নিয়ে উধাও হয়েছে। রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী বাজারে বুধবার সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। জিরা সরবরাহ নেওয়ার পর আমদানিকারকের প্রতিনিধিকে টাকা পরিশোধের কথা বলে দিনভর ঘুরানো হয়। মালামাল গ্রহণের সময় প্রতারণার কৌশল হিসাবে ব্যাংকের একটি ফাঁকা চেক দেওয়া হয়। শেষে আমদানিকারকের প্রতিনিধিকে নির্জন জায়গায় তুলে নিয়ে গলায় ছুরি ধরে কেড়ে নেওয়া হয় চেক ও নগদ ৭৫ হাজার টাকা। বুধবার গভীর রাতে প্রতারকচক্রের চারজনের বিরুদ্ধে বাঘা থানায় এজাহার দিয়েছেন জিরা সরবরাহকারী পাবনার সুজানগর উপজেলার চরচিনাখড় গ্রামের ফেরদৌস সরদার মিঠুন। তবে অভিযোগের সত্যতা পেলেও পুলিশ বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত মামলা রুজু করেনি। প্রতারকচক্রটি আড়ানীতে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। জিরা সরবরাহকারী ফেরদৌস সরদার মিঠুনের অভিযোগ মতে, তিনি মসলা আমদানিকারক। মঙ্গলবার তার প্রতিনিধি সিনারুল ইসলাম তাকে ফোনে বলেন যে, ৯ হাজার কেজি জিরা কেনার একটা পার্টি পাওয়া গেছে আড়ানী বাজারে। সুইট ও শান্ত নামের দুই ভাই জিরা কিনবেন। পরে মিঠুন আড়ানী বাজারের পালপাড়ার সামশুর শাহের ছেলে সুইট ও শান্তের সঙ্গে ফোনে কথা বলে জিরা বিক্রির বিষয়টি পাকাপোক্ত করেন। জিরা পেয়েই তারা টাকা পরিশোধ করবেন বলে জানান। অভিযোগে আরও জানা গেছে, বুধবার ভোর ৪টার দিকে ট্রাকে জিরা লোড করে প্রতিনিধি সিনারুলকে দিয়ে জিরা আড়ানীতে পাঠান মিঠুন। সকাল ৮টায় জিরার ট্রাক আড়ানীতে পৌঁছলে সুইট ও শান্ত জিরার ট্রাক তাদের গোডাউনের কাছে নিয়ে যান। জিরা আনলোডের আগে সিনারুল টাকা দাবি করেন। এ সময় পূবালী ব্যাংকের একটি ফাঁকা চেক দেওয়া হয় তাকে। এরপর সুইট ও শান্ত মিলে ৩০০ বস্তা জিরার মধ্যে ১৫০ বস্তা জিরা গোডাউনে নামানোর বদলে আগে থেকে অপেক্ষমাণ কয়েকটি ভটভটিতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে পাঠিয়ে দেন। বাকি ১৫০ বস্তা জিরা তাদের মামা সুজাত আহমেদ তুফান ও জাহাঙ্গীরের জোতরঘু গ্রামে বাড়িসংলগ্ন গোডাউনে আনলোড করা হয়। সব জিরা আনলোড শেষ হলে আমদানিকারকের প্রতিনিধি সিনারুল টাকা পরিশোধ করতে বলেন। ব্যাংকে গিয়ে সব টাকা দেবেন বলে সিনারুলকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে যান সুইট ও শান্ত। তাকে ব্যাংকের সামনের একটি দোকানে বসিয়ে রাখা হয় বিকাল পর্যন্ত। টাকা দিব-দিচ্ছি করে চক্রটি সময়ক্ষেপণ করতে থাকে। অভিযোগে আরও জানা যায়, বেলা ৩টার দিকে সুজাত আহমেদ তুফান, জাহাঙ্গীর, সুইট ও শান্ত মিলে সিনারুলকে মোটরসাইকেলে তুলে নিয়ে বাঘা সড়কের রাজার মোড়ে যান। সেখানেই সব টাকা একসঙ্গে দেবেন বলে তারা জানান। সেখানে পৌঁছে প্রতারকচক্র একটি চায়ের দোকানের পেছনে নিয়ে যায় সিনারুলকে। চক্রের চারজন নিজেদের পকেট থেকে ধারালো অস্ত্র বের করে সিনারুলের বুকে ও গলায় ধরে। মাটিতে ফেলে দিয়ে মারতে থাকে কিলঘুসি। সিনারুলকে আগে দেওয়া ব্যাংকের চেকটি কেড়ে নেওয়া হয়। তার পকেটে থাকা আরও ৭৫ হাজার টাকা কেড়ে নেওয়া হয়। প্রতারকরা সিনারুলকে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ না করলে প্রাণে মেরে লাশ পাশের আখখেতে পুঁতে দেবে বলে হুমকি দেয়। এ সময় সিনারুল ছিনতাইকারী ডাকাত ডাকাত বলে চিৎকার করলে লোকজন ছুটে আসে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রতারকচক্রটি মোটরসাইকেলে আড়ানী বাজারের দিকে পালিয়ে যায়। আমদানিকারক মিঠুন আরও বলেন, প্রতারক সিন্ডিকেটের মূল হোতা সুজাত আহমেদ তুফান ও তার ভাই জাহাঙ্গীর চক্রের অপর দুই সদস্য সুইট ও শান্তের আপন মামা। চক্রটি অর্ধকোটি টাকার এ জিরা সরবরাহ নিয়ে টাকা না দিয়ে পালিয়েছে। মিঠুন আরও বলেন, প্রতারক চক্রটি বিএনপি করে বলে এলাকার লোকজন তাদের বলেছেন। এ কারণে স্থানীয় বিএনপি নেতা ও আড়ানী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান তোজাম্মেল হকের কাছে গিয়ে জিরার টাকা উদ্ধারের আবেদন করি। কিন্তু তিনিও বিষয়টি নিয়ে গড়িমসি করেন। ফলে বাধ্য হয়ে গভীর রাতে বাঘা থানায় চারজনের নামে এজাহার দাখিল করেছি। কিন্তু পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেলেও মামলা রেকর্ড করেনি। বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক বলেন, জিরা ছিনতাইসহ প্রতারণার অভিযোগে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ছিনতাই ও প্রতারকচক্রের সদস্যরা এলাকা থেকে গা-ঢাকা দিয়েছে।
