যুবককে খুন করে মরদেহ টুকরো করে ফেলা হয় খালে-ডাস্টবিনে

AI-classifiedconfidence 95%

Why this classification

A man named Anis was killed in Chattogram, and his body was cut up and dumped in a canal and dustbins, with his head recovered on Friday. Police have detained a woman and three relatives, and the account states that they admitted to the killing.

Reported by:SamakalSingle source
22/01/26•Oxygen More, Lohapool Shitalajhorna canal; Rangdhanu lane, West Shahidnagar (Bayezid Bostami thana)

Killed

1

Injured

0

Summary

চট্টগ্রামের বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় বিবাহ-বহির্ভূত সম্পর্ক ও টাকার বিরোধের জেরে মো. আনিস (৩৮) নামের এক যুবককে খুন করে মরদেহ টুকরো করে খাল ও ডাস্টবিনে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনায় এক নারীসহ চারজনকে আটক করেছে পুলিশ, এবং শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) শীতলঝর্ণা খাল থেকে তাঁর মাথা উদ্ধার করা হয়।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

95% · severity 8

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মো. আনিস (৩৮), নিহত, রাউজান উপজেলার চিকদাইর গ্রামের হায়দার আলীর ছেলেঅভিযুক্ত নারী, নিহতের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগওই নারীর দুই ভাই ও ভাতিজা, আটকমো. সেলিম, নিহতের ভাগ্নি জামাইমোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন, চিকদাইর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যজাহিদুল কবির, ওসি, বায়েজিদ বোস্তামী থানাহারেস মোহাম্মদ কুসুম, এসআই, বায়েজিদ বোস্তামী থানা

Affected infrastructure

Shitalajhorna canalDustbins across Bayezid area

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 22/01/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Samakal · 24/01/26open original ↗

যুবককে খুন করে মরদেহ টুকরো করে ফেলা হয় খালে-ডাস্টবিনে

যুবককে খুন করে মরদেহ টুকরো করে ফেলা হয় খালে-ডাস্টবিনে নারীসহ আটক ৪ মো. আনিস চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রকাশ: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:০৮ | আপডেট: ২৪ জানুয়ারি ২০২৬ | ১৬:১৩ চট্টগ্রামে এক যুবককে হত্যার পর মরদেহ গুম করতে কেটে টুকরো টুকরো করে নগরের খালে-ডাস্টবিনে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে নগরের অক্সিজেন মোড়ের লোহারপুল শীতলঝর্ণা খাল থেকে ওই যুবকের শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতভর অভিযান চালিয়ে নগরের বিভিন্ন এলাকা থেকে শরীরের অন্যান্য অংশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত মো. আনিস (৩৮) রাউজান উপজেলার চিকদাইর গ্রামের কবির আহম্মদের বাড়ির হায়দার আলীর ছেলে। নিহতের স্বজনদের দাবি, এক নারীর সঙ্গে আনিসের বিয়ে বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। চিকিৎসার জন্য স্বজনদের কাছ থেকে সংগ্রহ করা প্রায় তিন লাখ টাকা ওই নারীর কাছে জমা রেখেছিলেন। সেই টাকা চাইতে গেলে মনোমালিন্য শুরু হয়। একপর্যায়ে তাকে ডেকে নিয়ে হত্যা করে মরদেহ গুম করতে টুকরো টুকরো করা হয়। তবে ওই নারী পুলিশের কাছে দাবি করেছেন, আনিস তাকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করায় তাকে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনায় ওই নারী, তার দুই ভাই এবং ভাতিজাকে আটক করেছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরের বায়েজিদ বোস্তামি থানার পশ্চিম শহীদনগরের রংধনু গলি এলাকা থেকে পলিথিনে মোড়ানো বাহু থেকে বিচ্ছিন্ন দুটি হাত উদ্ধার করে পুলিশ। হাতের আঙুলের ছাপ যাচাই করে জাতীয় পরিচয়পত্রের সার্ভারে ছবিসহ আনিসের নাম-ঠিকানা পাওয়ায় যায়। ঠিকানা অনুযায়ী আনিসের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে ওই নারীর তথ্য পায় পুলিশ। ওই নারী এবং তার স্বজনদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা একপর্যায়ে আনিসকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। পরে তাদের নিয়ে অভিযান চালিয়ে বায়েজিদের বিভিন্ন এলাকা থেকে আনিসের শরীরের টুকরো উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ শুক্রবার বিকেলে নগরের শীতল ঝর্ণা খাল থেকে তার মাথার অংশটি উদ্ধার করে পুলিশ। আনিসের স্বজনরা জানান, ওই নারী তাদের প্রতিবেশী একজনের স্ত্রী। তাদের একাধিক সন্তানও রয়েছে। বছরখানেকের মধ্যে আনিসের সঙ্গে ওই নারীর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ওই নারী স্বামীকে ছেড়ে বায়েজিদ বোস্তামী থানার শহীদ নগরে বাবার বাড়িতে চলে আসেন। সেখানে যাতায়াত ছিল আনিসের। আনিসের ভাগ্নি জামাই মো. সেলিম সমকালকে বলেন, ‘শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন আনিস। চিকিৎসার জন্য স্বজনদের কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন। সেই টাকা ওই নারীর কাছে রেখেছিলেন। শুনেছি সেই টাকা চাইতে গেলে তাকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ টুকরো টুকরো করে বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়েছে। পুলিশ ওই নারীকে সঙ্গে নিয়ে লাশের টুকরোগুলো উদ্ধার করেছে।’ রাউজানের চিকদাইর ইউনিয়নের সদস্য মোহাম্মদ সালাহ উদ্দীন বলেন, ‘যে নারীর সঙ্গে আনিসের সম্পর্ক ছিল, সেই নারী তার প্রতিবেশী একজনের স্ত্রী ছিলেন। তিনি স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ করে বাবার বাড়িতে চলে গেছেন। তার আগের স্বামীও আরেকটি বিয়ে করেছে। আনিসকে অক্সিজেন এলাকায় বিভিন্ন সময় দেখা গেলেও কোথায় থাকতেন তা তার পরিবারের লোকজনও জানতেন না। অক্সিজেন এলাকায় ওই নারীর বাবার বাড়ি। সেখানে আনিসের যাতায়াত ছিল বলে শুনেছি।’ এ বিষয়ে জানতে বায়েজিদ বোস্তামী থানার ওসি জাহিদুল কবিরকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে অভিযানে থাকা একই থানার এসআই হারেস মোহাম্মদ কুসুম সমকালকে বলেন, ‘আনিসের শরীরের প্রায় সব অংশ পেয়েছি। বিস্তারিত অভিযান শেষে জানানো হবে।’