নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্যস্থানে নিয়ে গণধর্ষণ

AI-classifiedconfidence 94%

Why this classification

The article describes a sexual assault carried out by a driver and his accomplices without any involvement of political parties or motives, therefore it is not political violence.

Reported by:JugantorSingle source
14/07/26•আলমনগর গ্রাম, অলংকারি ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

1

Summary

১৪ জুলাই রাতে সিলেটের অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামে অটোরিকশা চালক ও সহায়ীরা এক নারীকে তুলে নিয়ে গুণধর্ষণ করে। নারীকে উদ্ধার করে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

94% · severity 6

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

মন্তাজ আলীর (বসতঘর মালিক)গয়াছ মিয়া গেদা (প্রধান আসামি)সাইদুর রহমান (অটোরিকশা চালক)আশিক মিয়াআমির আলীশিকারী নারীOC গাজী মাহবুবুর রহমান

Tags

Rape

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 14/07/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Jugantor · 15/07/26open original ↗

নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্যস্থানে নিয়ে গণধর্ষণ

নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্যস্থানে নিয়ে গণধর্ষণ Advertisement বিশ্বনাথ (সিলেট) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৫ জুলাই ২০২৬, ১০:৪৭ পিএম সিলেটের বিশ্বনাথে নারীকে অটোরিকশায় তুলে অন্যস্থানে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে চালক ও তার সহযোগীরা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে উপজেলার অলংকারি ইউনিয়নের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বসতঘরে এ ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে। ধর্ষণের শিকার নারী সিলেট এয়ারপোর্ট থানার কালাগুল (সাহেববাজার) এলাকার বাসিন্দা। এ ঘটনায় বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে ওই নারী বাদী হয়ে ৪ জনের নামে বিশ্বনাথ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় আরও একজনকে অজ্ঞাতনামা রাখা হয়েছে। মামলার পর প্রধান আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের মৃত ছিদ্দেক আলীর ছেলে গয়াছ মিয়া গেদাকে (৪৪) গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছে পুলিশ। আর ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। মামলার এজাহারে ওই নারী উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাত অনুমান ৮ ঘটিকার সময় ছাতক যাওয়ার জন্য দক্ষিণ সুরমার চন্ডিপুল নামক স্থান থেকে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা রিজার্ভ করেন। আর এই অটোরিকশাচালক মামলার ৩নং আসামি হায়াতেরগাঁও গ্রামের হাসিব আলীর ছেলে সাইদুর রহমান (৩০)। অটোরিকশায় ওঠার পর তাকে কৌশলে বিশ্বনাথের আলমনগর গ্রামের জনৈক মন্তাজ আলীর বাড়িতে নিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়। মামলায় বাকি দুই আসামি হচ্ছেন- আলমনগর গ্রামের মৃত আয়না মিয়ার ছেলে আশিক মিয়া (৩০) ও বটতলা গ্রামের ছাদ মিয়ার ছেলে আমির আলী (২৮)। প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করা হলেও এজাহারনামীয় বাকি ৩ জন পলাতক রয়েছেন। জানতে চাইলে বিশ্বনাথ থানার ওসি গাজী মাহবুবুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ঘটনায় প্রধান আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। আর ধর্ষিতাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।