মে মাসের পুরো বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
Why this classification
Workers from a garment factory blocked the Dhaka-Chittagong highway in Sonargaon on 26 May 2026 and threw bricks at police, who responded with baton charges and tear shells. This is a physical clash with no reported deaths or injuries, so it is classified as a violent incident.
Killed
0
Injured
0
Summary
মে মাসের পুরো বেতনের দাবিতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে চৈতি কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা ২৬ মে ২০২৬ (মঙ্গলবার) ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করলে টিপুরদী এলাকায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। শ্রমিকদের ইট-পাটকেল নিক্ষেপের জবাবে পুলিশ লাঠিচার্জ ও দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
90% · severity 3
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Locals, Law Enforcement
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Law Enforcement, Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 26/05/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text (2 sources)
মে মাসের পুরো বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
মে মাসের পুরো বেতনের দাবিতে শ্রমিকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চৈতি কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা। ছবি: সমকাল সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২৬ মে ২০২৬ | ১৭:৩৫ চলতি মে মাসের পুরো বেতন পরিশোধের দাবিতে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন চৈতি কম্পোজিট কারখানার শ্রমিকরা। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার টিপুরদী এলাকায় এ বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিক্ষোভের কারণে মহাসড়কের দুই পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং টিপুরদী থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা ও অপরদিকে মদনপুর পর্যন্ত প্রায় আট কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ঈদযাত্রায় ঘরমুখো যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। খবর পেয়ে সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আল জিনাত, সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম সরওয়ার এবং পরিদর্শক (তদন্ত) জামালউদ্দিন ঘটনাস্থলে যান। তারা শ্রমিকদের সড়ক ছেড়ে যেতে অনুরোধ করলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় শ্রমিকরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, এপ্রিল মাসের বকেয়া বেতনসহ চলতি মে মাসের পুরো বেতন ঈদের আগেই পরিশোধ করতে হবে। তাদের অভিযোগ, মালিকপক্ষ এপ্রিলের বেতন ও ঈদ বোনাস দিলেও মে মাসের পুরো বেতন না দিয়ে শ্রমিকপ্রতি ছয় হাজার টাকা করে দিয়েছে। বাকি টাকা ঈদের পর দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। চৈতি কম্পোজিটের জেনারেল ম্যানেজার মিজানুর রহমান, বলেন, 'শ্রমিকদের এপ্রিল মাসের বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধ করা হয়েছে। পাশাপাশি চলতি মাসের বেতন থেকে ছয় হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। মাস শেষ হওয়ার আগেই পুরো বেতন দাবি করা অযৌক্তিক। তারপরও বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।' কাচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামীম শেখ বলেন, শ্রমিকদের সড়ক অবরোধের কারণে মহাসড়কের একাধিক অংশে যানজট ছড়িয়ে পড়ে। পরে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সোনারগাঁ থানার ওসি গোলাম সারোয়ার জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। তবে কোনো গুলি ছোড়া হয়নি। বর্তমানে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। - বিষয় : - নারায়ণগঞ্জ - ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক - অবরোধ
সোনারগাঁয়ে পোশাকশ্রমিকদের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশ-শ্রমিক সংঘর্ষ
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বেতন-বোনাসের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন চৈতী গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা। আজ মঙ্গলবার মহাসড়কের টিপুদী এলাকায় শ্রমিকদের অবরোধে মহাসড়কের উভয় পাশে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে চলাচলরত ঈদে ঘরমুখী মানুষ। পরে ঘটনাস্থলে সোনারগাঁ থানা-পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, শিল্প পুলিশ ধাওয়া ও লাঠিপেটা করে প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টার পর যান চলাচল স্বাভাবিক করে। শ্রমিকেরা জানান, প্রতি মাসের ৭ তারিখে বেতন দেওয়ার কথা থাকলেও এবার মাস শেষ হলেও বেতন ও ঈদের বোনাস দিচ্ছে না গার্মেন্টস কর্তৃপক্ষ। বার্ষিক ছুটির টাকাও দিচ্ছে না। তাই শ্রমিকেরা বাধ্য হয়ে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। এদিকে হাইওয়ে পুলিশ ও সোনারগাঁ থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পরে অতিরিক্ত পুলিশ এসে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, শ্রমিকেরা বেতন-বোনাসের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন। পরে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠিয়ে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।চৈতী গার্মেন্টসের মহাব্যবস্থাপক মিজানুর রহমান বলেন, ‘বৈশ্বিক সমস্যার কারণে কারখানায় চলতি মাসের বেতন অর্ধেক বকেয়া আছে। ঈদের পর পরিশোধ করা হবে। আমাদের আর কোনো বকেয়া নেই।’
