রান্নাঘরের পাশে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ কৃষকের লাশ পেল পুলিশ, স্ত্রী আটক

AI-classifiedconfidence 89%

Why this classification

This incident was classified as criminal violence in Barishal. Parties reported: Selina Begum. Reported casualties: 1 killed and 0 injured. Reported by 2 sources.

Reported by:Prothom AloAjker PatrikaCorroborated · 2 sources
26/06/26•Charmalia village, Safipur Union, Muladi

Killed

1

Injured

0

Summary

বরিশালের মুলাদীতে গত ২৬ জুন ২০২৬ নিখোঁজ হওয়া কৃষক হারুন হাওলাদারের মাটিচাপা লাশ ২৯ জুন ২০২৬ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পারিবারিক কলহ ও পরকীয়া সম্পর্কের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে এবং নিহতের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

89% · severity 7

Parties involved

Selina Begum

Tags

Murder

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 26/06/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Ajker Patrika · 18/05/26open original ↗

মুলাদীতে যুবক হত্যা: ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ৩

বরিশালের মুলাদীতে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে আল আমিন হাওলাদার (২৩) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গতকাল রোববার রাতে নিহতের মা ডালিয়া বেগম বাদী হয়ে মুলাদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় সফিপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হানিফ আকনের ছেলে কাওসার আকন (৪৫), উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের সালাম পন্ডিতের ছেলে নোমান পন্ডিত (৩৫), দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের আক্তার ওরফে নান্নু সরদারের ছেলে আজিজুল সরদার (২৭), আলী ঘরামীর ছেলে শাহাবুদ্দিন ঘরামীসহ সাতজনকে আসামি করা হয়েছে।নিহত আল আমিন হাওলাদার উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়াতলী গ্রামের হানিফ হাওলাদারের ছেলে। স্বজনদের দাবি, গতকাল বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পাওনা টাকা দেওয়ার কথা বলে আল আমিনকে উত্তর বালিয়াতলী গ্রামের সালাম পন্ডিতের বাড়িতে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মো. সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “যুবক হত্যার ঘটনায় ৭ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আটক তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।”

Source 2: Prothom Alo · 29/06/26open original ↗

রান্নাঘরের পাশে মাটি খুঁড়ে নিখোঁজ কৃষকের লাশ পেল পুলিশ, স্ত্রী আটক

মরদেহপ্রতীকী ছবি বরিশালের মুলাদী উপজেলায় নিখোঁজের তিন দিন পর মো. হারুন হাওলাদার (৫৯) নামের এক কৃষকের মাটিচাপা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁর স্ত্রী সেলিনা বেগমকে (৪৬) আটক করা হয়েছে। পারিবারিক কলহ ও বিয়ের বাইরের সম্পর্ক নিয়ে বিরোধের জের ধরে হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। সোমবার বেলা দেড়টার দিকে উপজেলার সফিপুর ইউনিয়নের চরমালিয়া গ্রামে নিজ বাড়ির পেছনের একটি স্থান থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। হারুন হাওলাদার চরমালিয়া গ্রামের মৃত অছিমদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। গত শুক্রবার রাতে তিনি নিখোঁজ হয়েছিলেন। নিখোঁজের পর তাঁর স্ত্রী দাবি করে আসছিলেন, অজ্ঞাতনামা লোকেরা হারুন হাওলাদারকে হাত ও চোখ বেঁধে বাড়ি থেকে তুলে ট্রলারে করে নিয়ে গেছে। পুলিশ জানায়, গত শনিবার ভোরে সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ব্যাপারী মুঠোফোনে হারুন হাওলাদারের নিখোঁজের বিষয়টি অবহিত করেন। ওই দিন সকাল থেকেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে ওই দিন রাতে হারুন হাওলাদারের ছেলে জাফর হাওলাদার বাদী হয়ে তাঁর মায়ের তথ্যমতে থানায় অপহরণ মামলা করেন। সফিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল ব্যাপারী জানান, শনিবার ভোরে সেলিনা বেগম তাঁর স্বামী হারুনকে অপহরণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন। পরে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। কিন্তু সেলিনা বেগমের কথাবার্তা ও আচরণে স্থানীয় বাসিন্দাদের সন্দেহ হয়। এ ছাড়া শুক্রবার রাতে তিনি ঘরের মেঝে কাদামাটি দিয়ে প্রলেপ দিয়েছিলেন। এলাকার একজন নিরীহ কৃষক নিখোঁজ হওয়ায় সোমবার সকালে প্রতিবেশীরা আশপাশে খোঁজ নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে হারুনের রান্নাঘরের কাছে নতুন মাটি দেখে বিষয়টি পুলিশকে জানান। পুলিশ এসে মাটি খুঁড়ে লাশ উদ্ধার করে। পরে সুরতহাল শেষে লাশটি ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনার পর নিহত হারুনের স্ত্রী সেলিনা বেগমের আচরণ সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে সেসব তথ্য এখনই প্রকাশ করা হচ্ছে না। মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মো. সোহেল রানা জানান, অপহরণ মামলার পর থেকে হারুন হাওলাদারের স্ত্রী সেলিনা বেগমকে নজরদারিতে রাখা হয়েছিল। সোমবার দুপুরে লাশ উদ্ধারের পর তাঁকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। প্রাথমিকভাবে তিনি বিয়ের বাইরে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন। নিহত হারুনের শরীরে হাতুড়ি ও ধারাল অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের অগ্রগতির ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বরিশালমুলাদীবরিশাল বিভাগপুলিশলাশকৃষক