অসুস্থ দুই নারী শিক্ষার্থীর একজন হাসপাতালে

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

This is a single, recent incident in which senior students at a university hall abused and intimidated junior female students, forcing them to make animal sounds and searching their phones. Two students fainted during the abuse, and one was hospitalised, so it counts as a violent attack.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
08/10/26•পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র হলের ১০৩৫ নম্বর কক্ষ

Killed

0

Injured

2

Summary

(৮ অক্টোবর ২০২৬) বিকেলে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র হলের একটি কক্ষে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নারী শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং ও হেনস্তা করেন। র‍্যাগিংয়ের সময় দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন, যাদের একজন আনিকা আফরিনকে পাবনা শহরের এসোর্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 5

Perpetrator side

Unknown

Victim side

Unknown

Other actors

আনিকা আফরিন (ভুক্তভোগী, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ, আইসিই বিভাগ)ঝুমা (ভুক্তভোগী, ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ)সামিহা (অভিযুক্ত, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ)উর্মী (অভিযুক্ত, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ)নিশাত, শ্রেয়া, মিম, মারিয়া, আফিয়া, ফারজানা, ইফতি (অভিযুক্ত, ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষ)প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান (বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ)

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 2

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Unknown

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 08/10/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 12/10/26open original ↗

অনৈতিক সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে গৃহবধূর হাত ধরেন একজন, অন্যজন কাটেন চুল

ফরিদপুরের সদরপুরে অনৈতিক সম্পর্কের অপবাদ দিয়ে এক গৃহবধূকে (৩৫) আটকে রেখে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা এক যুবককে (৩০) গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়। গত রোববার সকালে উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

Source 2: Jugantor · 10/10/26open original ↗

অসুস্থ দুই নারী শিক্ষার্থীর একজন হাসপাতালে

পাবিপ্রবিতে আবারও র্যাগিং অসুস্থ দুই নারী শিক্ষার্থীর একজন হাসপাতালে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে : প্রক্টর Advertisement পাবিপ্রবি প্রতিনিধি প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পাবিপ্রবি) আবারও র্যাগিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। র্যাগিংয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক নারী শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতন্ত্র হলের একটি কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। র্যাগিংয়ের শিকার ও অসুস্থ হওয়া শিক্ষার্থী আনিকা আফরিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিই) বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তাকে পাবনা শহরের মোজাহিদ ক্লাব এলাকার এসোর্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। অসুস্থ হওয়া অপরজন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ঝুমা। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিকালে গণতন্ত্র হলের ১০৩৫ নম্বর কক্ষে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন নারী শিক্ষার্থীকে ডেকে নেন ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে সামিহা, উর্মী, নিশাত, শ্রেয়া, মিম, মারিয়া, আফিয়া, ফারজানা ও ইফতি ছিলেন বলে জানা গেছে। পরে সেখানে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের আনিকা, আশা, ঝুমা, মাসুমা, ফারিয়া, সাথী ও জান্নাতকে বিভিন্নভাবে হেনস্তা ও র্যাগিং করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রথমে পিকনিকের কথা বলে কক্ষে ডাকা হলেও সেখানে যাওয়ার পর তাদের বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ ও গালাগাল করা হয়। একপর্যায়ে তাদের মোবাইল ফোন নিয়ে চেক করা হয়। এ সময় ব্যক্তিগত বিষয় নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন করা হয়। র্যাগিংয়ের একপর্যায়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ঝুমা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে অন্য একটি কক্ষে নিয়ে মাথায় পানি দেওয়া হয়। তবে এরপরও অন্য শিক্ষার্থীদের র্যাগিং চলতে থাকে। পরে আনিকা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ধরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। অসুস্থ হওয়া আনিকা আফরিন বলেন, ‘পিকনিকের কথা বলে আমাদের গণতন্ত্র হলের একটি রুমে ডাকা হয়। সেখানে যাওয়ার পর পিকনিকের কোনো কথা না বলে আমাদের ধমক দিতে শুরু করে। আমার নামে বিভিন্ন অভিযোগ করতে থাকে। চতুষ্পদ প্রাণীর মতো ১০ ধরনের ডাক দিতে বলা হয়। আমি ক্যাম্পাসের লেকে কেন গেছি, রিডিং রুমে কেন গেছি, ছেলেদের সঙ্গে কেন দেখা যায়-এসব প্রশ্ন করা হয়। এমনকি আমি কোনো ছেলেকে ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়েছি কিনা, তা দেখতে আমার মোবাইলও নিয়ে চেক করা হয়। একপর্যায়ে আমার অস্বস্তি লাগতে শুরু করে। ঘাড়ের রগ টেনে আসছিল এবং শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল। পরে আমি শুয়ে পড়ি। এরপর কী হয়েছে, তা আর মনে নেই।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘অনেকক্ষণ র্যাগিং করার পর আমাদের এক বান্ধবী অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অনেকবার বললেও তাকে সঙ্গে সঙ্গে ছাড়া হয়নি। এক ঘণ্টারও বেশি সময় পর যখন সে সুস্থ হচ্ছিল না, তখন আমরা প্রায় সবাই কান্না শুরু করি। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়।’ অভিযুক্ত সামিহা ও উর্মীকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাদের পাওয়া যায়নি। এদিকে, শিক্ষার্থী আনিকাকে দেখতে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান ও ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. রাশেদুল হক। প্রক্টোরিয়াল বডি ও ছাত্র উপদেষ্টা বডির অন্যান্য শিক্ষকও হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. কামরুজ্জামান খান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন র্যাগিংয়ের বিরুদ্ধে বরাবরই কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের কোনো ঘটনার অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এর আগে, গত ৯ আগস্ট নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের ২০২৫-২৬ সেশনের শিক্ষার্থীরা র্যাগিয়েংর শিকার হন। এছাড়া ২১ জুলাই ফার্মেসি বিভাগের এক শিক্ষার্থী র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।