তদন্তকারীকে মারধর আগৈলঝাড়ায়

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

The article reports a specific incident in which a school's assistant head teacher allegedly punched, kicked, and beat an investigating teacher after he flagged financial irregularities. The incident happened on Wednesday, 20 May 2026, within the 14-day window, and the assault is reported as physical violence even though some staff deny a fight took place.

Reported by:JugantorSamakalCorroborated · 2 sources
20/05/26•ভালুকশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজিহার ইউনিয়ন

Killed

0

Injured

1

Summary

বরিশালের আগৈলঝাড়ার ভালুকশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অনিয়ম-দুর্নীতি চিহ্নিত করায় তদন্তকারী শিক্ষক ওমর আলী সরদারকে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ জহির উদ্দিন কিল-ঘুসি-লাথি মারেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ২০ মে ২০২৬ (বুধবার) সকালে ঘটে বলে জানা গেছে, এবং স্কুলের এক কর্মচারী ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী শারীরিক সংঘর্ষের কথা অস্বীকার করেছেন।

AI analysis

Category

Criminal Violence

Confidence

80% · severity 5

Perpetrator side

Locals

Victim side

Locals

Other actors

Assistant Head Teacher Mohammad Jahir UddinTeacher Omar Ali SardarFourth-class employee Mohasin KaziSweeper Sohag SardarUpazila Executive Officer Likhon BonikAcademy Supervisor Pran Kumar Ghosh

Tags

Attack

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 1

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 20/05/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text (2 sources)

Source 1: Samakal · 19/05/26open original ↗

শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে চাঁদা আদায়

শিক্ষককে লাঞ্ছিত করে চাঁদা আদায় বাবুগঞ্জ সরকারি আবুল কালাম কলেজ বাবুগঞ্জ (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ১৯ মে ২০২৬ | ০৮:৩৫ | প্রিন্ট সংস্করণ বরিশালের বাবুগঞ্জে সরকারি আবুল কালাম কলেজের বিক্রি করা ভাঙারি মালপত্রের ট্রাক আটকে ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা নিয়েছেন দুই বিএনপি নেতা। এ সময় মব সৃষ্টি করে দুই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করেন তারা। অভিযুক্ত সরোয়ার হোসেন দেহেরগতি ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সোহাগ হাওলাদার একই ইউনিয়ন বাস্তুহারা দলের আহ্বায়ক। জানা গেছে, কিছু ভাঙারি মালপত্র (স্ক্র্যাপ) সরানোর সিদ্ধান্ত নেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার স্পট টেন্ডারে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকায় সেগুলো কিনে নেন ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম। পরে শনিবার ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ এবং অর্থনীতি বিভাগের প্রভাষক সেলিম হোসেন কলেজের পক্ষে মালপত্রগুলো ট্রাকে লোড করে দেন। কলেজের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, রাত ৮টা ৪৬ মিনিটে মালপত্রসহ ট্রাকটি বের হওয়ার সময় গেটে সেটি আটকে দেন সরোয়ার হোসেন এবং সোহাগ হাওলাদার। তারা দলীয় নেতাকর্মীদের ডেকে এনে মব সৃষ্টি এবং শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ ও সেলিম হোসেনকে লাঞ্ছিত করেন। এ সময় ‘সরকারি আবুল কালাম কলেজের কোনোকিছু ক্রয়-বিক্রয় করতে হলে বিএনপি নেতাদের মাধ্যমেই করতে হবে, নাহলে ১৭ বছর পালিয়ে থাকার ক্ষতিপূরণ হিসেবে টাকা দিতে হবে’–প্রকাশ্যে এমন ঘোষণা দিয়ে দুই শিক্ষককে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাদের কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা আদায় করা হয় বলে অভিযোগ দুই শিক্ষকের। পরে ট্রাকচালককে জিম্মি করে আরও ৫ হাজার টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন ক্রেতা রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘স্পট নিলামের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকায় ভাঙারি মালপত্রগুলো কিনি। টেন্ডার কমিটির দুই স্যারের কাছে টাকা জমা দিয়ে সেগুলো বোঝাই করে ট্রাক নিয়ে বের হওয়ার সময় গেটে ট্রাকটি আটকে দেন বিএনপি নেতারা। চোরাই পণ্য আখ্যা দিয়ে আমাকে হেনস্তা এবং স্যারদের অপমান-অপদস্ত করেন তারা। এ সময় ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার কাছ থেকে পাঁচ হাজার এবং স্যারদের কাছ থেকে ৪৫ হাজার টাকা নেন তারা। টাকা পেয়ে রাত ১০টার পরে ট্রাক ছেড়ে দেন বিএনপি নেতারা।’ জানতে চাইলে প্রভাষক সেলিম হোসেন বলেন, ‘টেন্ডার কমিটির সদস্য হিসেবে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে স্ক্র্যাপ বুঝিয়ে দিচ্ছিলাম আমি এবং সহকারী অধ্যাপক আবুল কালাম স্যার। ট্রাকটি ক্যাম্পাসে দুপুরে ঢুকলেও মালপত্র লোড করে বের হতে রাত প্রায় পৌনে ৯টা বেজে যায়। বের হওয়ার সময় গেটে ট্রাকটি আটকে দেন সরোয়ার হোসেন এবং সোহাগ হাওলাদার। রাতে আমরা চোরাই মালপত্র বিক্রি এবং পাচার করছি–এমন অভিযোগ তুলে লোকজন ডেকে মব সৃষ্টি করা হয়। আমাদের লাঞ্ছিত করে ৪৫ হাজার টাকা দিতে বাধ্য করা হয়।’ অধ্যক্ষ অধ্যাপক শামীম আহসান খান বলেন, ‘সরকারি বিধি অনুযায়ী স্পট টেন্ডারের মাধ্যমে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে স্ক্যাপ বিক্রি করে ৯৪ হাজার ৫০০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়। ওই স্ক্র্যাপ হস্তান্তর করার সময় টেন্ডার কমিটির দুই শিক্ষকের ওপর চড়াও হয়ে জিম্মি এবং লাঞ্ছিত করে ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করা হয়েছে বলে জেনেছি। আগামী বৃহস্পতিবার শিক্ষক কাউন্সিলের সভা শেষে মামলা করা হবে।’ অভিযোগের বিষয়ে সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘টেন্ডার ছাড়া ভাঙারি মালপত্র বিক্রি করে রাতে পাচার করার খবর পেয়ে ট্রাক আটক করা হয়। দুই শিক্ষককে শারীরিক নির্যাতন বা মারধর করা হয়নি। আমি ঘটনাস্থলে পরে গিয়েছি। সেখানে এলাকার অনেক লোক ছিল। ৪৫ হাজার টাকা চাঁদা কে বা কারা নিয়েছে তা আমি জানি না।’ সোহাগ হাওলাদার বলেন, ‘কলেজের অবৈধ মালপত্র আটক করেছে এলাকাবাসী। আমি খবর পেয়ে পরে সেখানে গিয়েছি। শিক্ষকদের মারধর বা টাকা-পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আমি কিছু জানি না।’ - বিষয় : - চাঁদা আদায়

Source 2: Jugantor · 22/05/26open original ↗

তদন্তকারীকে মারধর আগৈলঝাড়ায়

শিক্ষকের দুর্নীতি চিহ্নিত তদন্তকারীকে মারধর আগৈলঝাড়ায় Advertisement আগৈলঝাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি প্রকাশ: ২২ মে ২০২৬, ১২:০০ এএম প্রিন্ট সংস্করণ আগৈলঝাড়ায় সহকারী প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম-দুনীর্তি চিহ্নিত করায় তদন্তকারী শিক্ষককে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে অন্য এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনায় একাডেমি সুপার ভাইজার প্রান কুমার ঘটককে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন নির্বাহী কর্মকর্তা। সূত্রে জানা গেছে, রাজিহার ইউনিয়নের ভালুকশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সম্প্রতি অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এ কারণের ওই বিদ্যালয়ের অর্থ কমিটির সদস্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ওমর আলী সরদার ও ধর্মীয় শিক্ষক মো. ছরোয়ার হোসেনকে খতিয়ে দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়। বুধবার সকালে ভালুকশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ জহির উদ্দিন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ১৮ মে পর্যন্ত ৫০ ধরনের আয়-ব্যয়ের হিসাব কমিটির কাছে জমা দেন। ওই দাখিলকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাবের ২০টি বিষয়ে গরমিল চিহ্নিত করেন তদন্ত কমিটির দুই শিক্ষক। ওই কমিটির সদস্য শিক্ষক ওমর আলী সরদারের কাছ থেকে অন্য শিক্ষক সৌমেন গাইন দাখিলকৃত হিসাব দেখে ফেলেন। একারনে তদন্ত কমিটির সদস্য বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক ওমর আলী সরদারকে পরীক্ষার হল থেকে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মহাসিন কাজী ও পরিছন্নতাকর্মী সোহাগ সরদার জাপটে ধরে সহকারী প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিনের কাছে নিয়ে যান। পরে সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ জহির উদ্দিন ওই শিক্ষককে কিল-ঘুসি লাথি মারতে থাকেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই বিদ্যালয়ে গিয়ে তিনজন শিক্ষক ও ১২ জন শিক্ষার্থীকে দেখা গেছে। তবে প্রধান শিক্ষক হাবিবুর রহমান পিন্টু ও সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মাদ জহির উদ্দিনকে পাওয়া যায়নি। পরে সহকারী প্রধান শিক্ষক জহির উদ্দিনের (০১৭১৭০৫১৬১৯) নম্বরে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এব্যাপারে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মহাসিন কাজী ও পরিছন্নতাকর্মী সোহাগ সরদার জাপটে ধরার বিষয় অস্বীকার করে বলেন, শিক্ষকরা তকাতর্কি করেছে দেখেছি। মারামারি হয়নি। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিখন বনিক লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, তদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।