ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে পিস্তল ঠেকিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণচেষ্টার অভিযোগ

AI-classifiedconfidence 80%

Why this classification

A local Chhatra Dal leader allegedly threatened a teacher with a pistol and a knife, forced her into an auto-rickshaw, and attempted to abduct her, and she escaped by jumping from the moving vehicle. This is a concrete, recent armed attack with no casualties reported, so it qualifies as violence even though the accused disputes the account.

Reported by:Prothom AloSingle source
28/09/26•Kullabari Jora Bridge, Kasba (কুল্লাবাড়ি জোড়া সেতু, কসবা)

Killed

0

Injured

0

Summary

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় (২০২৬-০৯-২৮) ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেন এক নারী শিক্ষককে পিস্তল ও ছুরি ঠেকিয়ে অটোরিকশায় তুলে অপহরণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক জোড়া সেতুর কাছে অটোরিকশা থেকে লাফ দিয়ে প্রাণ বাঁচান, তবে অভিযুক্ত সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে বলেছেন, ঘটনাটি মিথ্যা অপবাদ।

AI analysis

Category

Gender-Based Violence

Confidence

80% · severity 5

Perpetrator side

BNP

Victim side

Locals

Other actors

Delowar Hossain (30), President of West Union Chhatra Dal (accused)Unidentified associate of the accusedFemale teacher (26) of a private secondary schoolHeadmaster of the schoolAli Mohammad Rashed, Officer-in-Charge, Kasba Police Station

Tags

Sexual Harassment

Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.

হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান

জেলা কোনটি?

আপনার মত দিন

নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

আহতের সংখ্যা কি সঠিক?

AI: 0

Be the first to vote

অপরাধী কি সঠিক?

AI: BNP

Be the first to vote

ভুক্তভোগী কি সঠিক?

AI: Locals

Be the first to vote

ঘটনার তারিখ কি সঠিক?

AI: 28/09/26

Be the first to vote

ঘটনার ধরন কোনটি?

আপনার মত দিন

মন্তব্য (0)

এখনও কোনো মন্তব্য নেই।

Original news text

Source 1: Prothom Alo · 30/09/26open original ↗

ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে পিস্তল ঠেকিয়ে নারী শিক্ষককে অপহরণচেষ্টার অভিযোগ

অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা দেলোয়ার হোসেনছবি: সংগৃহীত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় গত সোমবার দুপুরে ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে এক নারী শিক্ষককে পিস্তল ঠেকিয়ে অপহরণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সোমবার রাতে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ওই নারী। গতকাল মঙ্গলবার রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়। অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতার নাম দেলোয়ার হোসেন (৩০)। তিনি উপজেলার পশ্চিম ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। এদিকে ওই শিক্ষক (২৬) উপজেলার একটি বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। ঘটনার পর থেকে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। লিখিত অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলী মোহাম্মদ রাশেদ প্রথম আলোকে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওই নারী শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বেলা দুইটার দিকে বিদ্যালয় ছুটি হলে তিনি হেঁটে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন। পথে দেলোয়ার তাঁর পথ রোধ করেন। একপর্যায়ে তাঁকে একটি অটোরিকশায় উঠতে বলেন। এতে অস্বীকৃতি জানালে দেলোয়ার কোমর থেকে কালো রঙের একটি পিস্তল বের করে তাঁর পেটে ঠেকান। একপর্যায়ে দেলোয়ারের সঙ্গে থাকা অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তি ওই নারীর মুখ চেপে ধরে অটোরিকশায় তোলেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, অটোরিকশায় করে নিয়ে যাওয়ার সময় দেলোয়ার একটি ধারালো ছুরি বের করে ওই শিক্ষকের গলায় ধরে হুমকি দেন। একপর্যায়ে উপজেলার কুল্লাবাড়ি জোড়া সেতুর ওপর পৌঁছালে প্রাণ বাঁচাতে অটোরিকশা থেকে লাফ দেন তিনি। পরে তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এসে তাঁকে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রায় এক মাস ধরে ওই শিক্ষিকার সঙ্গে আমার সম্পর্ক। ওই শিক্ষিকাই কথা বলার জন্য ঘটনার দিন আমাকে বিদ্যালয়ের সামনে যেতে বলেন। বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষিকার সঙ্গে আমার কথা হয়। একপর্যায়ে তাঁর সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। রাগ কমাতে শিক্ষিকাকে অটোরিকশা নিয়ে একটু ঘুরেছি।’ তবে ওই নারী শিক্ষক প্রথম আলোকে বলেন, ‘দেলোয়ারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক ছিল—এমন অভিযোগ মিথ্যা।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, অটোরিকশায় করে ওই নারী শিক্ষককে পানিয়ারূপ এলাকার দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে দেলোয়ার ফোন করে কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে তাঁকে জানান। পরে জোড়া সেতু এলাকায় ওই শিক্ষককে অটোরিকশা থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য, এখন ওই শিক্ষকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক আছে বলে দেলোয়ার মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন। প্রথম আলোর খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন জেলা থেকে আরও পড়ুন বিএনপিশিক্ষকছাত্রদলনারীঅভিযোগব্রাহ্মণবাড়িয়াকসবাঅপহরণচট্টগ্রাম বিভাগ