বেড়াতে এসে নিখোঁজ, মুক্তিপণে চারদিন পর উদ্ধার
Why this classification
Around ten to twelve men with local weapons attacked a shrimp farm, abducted two people, tied them up, tortured them and demanded a ransom. The incident happened on February 25, 2026, within the 14-day window, and the victims were released on March 1. No deaths were reported.
Killed
0
Injured
0
Summary
খুলনার পাইকগাছায় ২০২৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি (বুধবার) রাতে একটি চিংড়ি ঘেরে ১০-১২ জনের সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে অপহরণ করে সুন্দরবনে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালায় এবং মুক্তিপণ দাবি করে। চার দিন পর ১ মার্চ ২০২৬ (রোববার) ভোরে শিবসা নদীর তীরে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
AI analysis
Category
Criminal Violence
Confidence
85% · severity 6
Perpetrator side
Victim side
Other actors
Affected infrastructure
Tags
Fields above are extracted automatically by AI and may contain errors. Help us correct them by voting below.
হ্যালো, তথ্যগুলো কি সঠিকভাবে সনাক্ত হয়েছে? আপনার মতামত জানান
জেলা কোনটি?
আপনার মত দিন
নিহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
আহতের সংখ্যা কি সঠিক?
AI: 0
Be the first to vote
অপরাধী কি সঠিক?
AI: Unknown
Be the first to vote
ভুক্তভোগী কি সঠিক?
AI: Locals
Be the first to vote
ঘটনার তারিখ কি সঠিক?
AI: 25/02/26
Be the first to vote
ঘটনার ধরন কোনটি?
আপনার মত দিন
মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য নেই।
Original news text
বেড়াতে এসে নিখোঁজ, মুক্তিপণে চারদিন পর উদ্ধার
বেড়াতে এসে নিখোঁজ, মুক্তিপণে চারদিন পর উদ্ধার উদ্ধারের পর পরিবারের সঙ্গে শেখ ইমরান হোসেন রিপন ও নাদির হোসেন লিটন। ছবি: সমকাল কয়রা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশ: ০১ মার্চ ২০২৬ | ১৭:১৫ খুলনার পাইকগাছায় নিখোঁজের চার দিন পর মুক্তিপণ দিয়ে দুই ব্যক্তিকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বুধবার আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে এসে একটি চিংড়ি ঘের থেকে নিখোঁজ হন তারা। রোববার ভোরে ওই চিংড়ি ঘেরের এক কিলোমিটার দূরে নদীর পাড়ে খোঁজ মেলে তাদের। ভুক্তভোগীরা হলেন– ডুমুরিয়া উপজেলার শোভনা গ্রামের শেখ ইমরান হোসেন রিপন (৫৫) ও যশোরের মনিরামপুর উপজেলা সদরের বাসিন্দা নাদির হোসেন লিটন (৩০)। তারা পাইকগাছা উপজেলার গড়াইখালি গ্রামের মহব্বত হোসেনের বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। মহব্বত হোসেন জানান, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি তাঁর শ্বশুর ইমরান হোসেন ও বন্ধু নাদির হোসেন বেড়াতে আসেন। ওই দিন বিকালে তাদেরকে নিয়ে শিবসা নদীর তীরবর্তী চিংড়ি ঘের দেখতে যান। সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে বাড়িতে চলে আসলেও তাঁর শ্বশুর ও বন্ধু চিংড়ি ঘেরে থেকে যান। পরদিন সকাল থেকে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। পরে একটি অপরিচিত নম্বার থেকে ফোন করে তাঁকে জানানে হয় তাদেরকে অপহরণ করা হয়েছে। ছাড়িয়ে নিতে প্রথমে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরে ২ লাখ টাকা দিয়ে তাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। অপহরণের শিকার নাদির হোসেন লিটন বলেন, ঘটনার রাতে ১০-১২ জনের একটি দল ঘেরের বাসায় হামলা চালায়। এ সময় তাদের কাছে দেশীয় অস্ত্র ছিল। পরে তাদের হাত-পা ও চোখ বেঁধে একটি ট্রলারে করে সুন্দরবনে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা সুন্দরবনে দস্যুতা করে বেড়ায় বলে মনে হয়েছে। চার দিন পর রোববার ভোরে তাদেরকে শিবসা নদীর তীরে ছেড়ে দেওয়া হয়। অপর ভুক্তভোগী ইমরান হোসেন বলেন, আটকের পর তাদেরকে শারিরীক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। তাদেরকে সুন্দরবনের বিভিন্ন খালে ঘুরানো হয়। আটকের কয়েকটা দিন তাদেরকে ভয়ে ও আতঙ্কে পার করতে হয়েছে । গড়াইখালি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম বলেন, লোক মুখে তিনি ঘের থেকে দুই ব্যাক্তিকে অপহরণের বিষয়টি জানতে পারেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে কেউ তাঁর কাছে অভিযোগ দেয়নি। ঘটনাটি তাঁর কাছে রহস্যজনক মনে হয়েছে। পাইকগাছা থানার ওসি মো. গোলাম কিবরিয়া জানান, দুই ব্যক্তির নিখোঁজের খবর পাওয়ার পর তাদের উদ্ধারের জন্য বিভিন্নভাবে তৎপরতা চালানো হয়। তাদের মোবাইল ফোন নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ভিন্ন ভিন্ন অবস্থান পাওয়া যায়। রোববার সকালে জানতে পারেন নিখোঁজ ব্যক্তিরা ফিরে এসেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। - বিষয় : - খুলনা - অপহরণের পর হত্যা
